channel 24

সর্বশেষ

  • কুষ্টিয়ায় ট্যাংকের বিষক্রিয়ায় ২ শ্রমিকের মৃত্যু

  • ফেনীতে মাদ্রাসাছাত্রীকে জবাই: চাচাতো ভাই আটক

  • সার্কভুক্ত দেশগুলোতে ব্যাপকহারে বাড়ছে আক্রান্ত ও প্রাণহানি

  • দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট

  • সাকিব-মোস্তাফিজকে ছাড়াই শুরু টাইগারদের অনুশীলন

  • রাজধানী ছাড়ছে মানুষ, দুই ঘাটে উপচেপড়া ভিড়

  • ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে নষ্ট ১৫০ কোটি চিংড়ি পোনা

  • জুমাতুল বিদায় মসজিদে মুসল্লিদের ঢল

  • খুলে দেয়া হলো হলিডে মার্কেট

  • প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘরে উঠতে পারছেন না হতদরিদ্ররা

  • বিধিনিষেধের মধ্যেই রাজধানী ছাড়ছে মানুষ

  • করোনায় ভালো নেই মা হাজেরা ও তার পথশিশুরা

  • ধুঁকছে মানিকগঞ্জের হাসপাতালগুলো, বাড়ছে দুর্ভোগ

  • চারদিন পরে নিভল সুন্দরবনের আগুন

  • বাংলাদেশের দেয়া চিকিৎসা সামগ্রী উপহার গেল ভারতে

জীবনযুদ্ধে হার না মানা এক তরুণ

জীবনযুদ্ধে হার না মানা এক তরুণ

জীবনের কোন প্রতিবন্ধকতা তার কাছে কোন বাঁধা হয় দাঁড়াতে পারেনি, অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং হার না মানা মনোভাব নিয়ে এগিয়ে গেছেন সামনের দিকে। বলছি মেহেরপুরের মামুনের কথা। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়েও যিনি গড়েছেন অনন্য এক দৃষ্টান্ত। নিজে অন্ধ হয়েও দেখিয়েছেন অন্যকে আলোর পথ।

১৩ বছর বয়সে চোখের গ্লুকোমা রোগে আক্রান্ত হয়ে হারান দৃষ্টিশক্তি। ছোটবেলায় স্বপ্ন দেখতেন বিসিএস ক্যডার হয়ে দেশের সেবা করার কিন্তু অন্ধত্বের অন্ধকারে ডুবে যায় তার স্বপ্ন। তবুও হাল ছাড়েননি তিনি, বিশেষ সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কম্পিউটার ও ইন্টরনেটকে এনেছেন নিজের আয়ত্তে, করেছেন অন্ধত্বকে জয়।

শুরুরদিকটা খুব একটা সহজ ছিলোনা মামুনের জন্য। তবে হাল ছাড়েননি তিনি, প্রথমদিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের একজন কম্পিউটার প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেন আইসিটি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার। তারপরে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি, একের পর এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। 

২০১৬ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কম্পিউটার বিষয়ক সেমিনারে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি হিসেবে অংশগ্রহণ করে তৃতীয়স্থান অর্জন করেন মামুন।

কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করবেন এমন চিন্তা কবে মাথায় আসলো এমন এক প্রশ্নের জবাবে মামুন বলেন, আমি নিজেকে কখনো কারো অধীনস্থ দেখতে চাইনি, অন্যের দয়ায় ভালোভাবে বেঁচে থাকাট চেয়ে নিজের পরিশ্রমে কষ্টকরে সন্মানের সাথে বেঁচে থাকায় অনেক ভালো।

বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে ২০০ শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন এবং প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন প্রায় তিন হাজারের মত শিক্ষার্থী।

মামুন স্বপ্ন দেখেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকার রাখার। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়েও মামুনের এগিয়ে চলাকে অনুপ্রেরণা মনে করেন প্রশিক্ষণার্থীরা। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর