channel 24

সর্বশেষ

  • ভোটের তারিখ পরিবর্তনে সরকারের আপিত্ত নেই: কাদের

  • বিএনপির সমর্থনে জনগণ রাস্তায় নেমে এসেছে: মির্জা ফখরুল

  • ভোট ও পূজা একদিনে হলেও আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • তুরাগ তীরে জুমার নামাজে লাখো মুসল্লির ঢল

মঙ্গলগ্রহে উড়বে হেলিকপ্টার

মঙ্গলগ্রহে উড়বে হেলিকপ্টার

বায়ুমন্ডল নেই, অথচ উড়ে বেড়াবার মোটামুটি সকল সুত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েই উড়ছে হেলিকপ্টার। ভাবছেন, এমন আবিষ্কারের দরকারই বা কি? বায়ুমন্ডল আবার না থাকে নাকি? থাকে তো মঙ্গলগ্রহে। আর সেখানেই এবার হেলিকপ্টার ওড়াবার কথা ভাবছেন আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা।

মঙ্গলগ্রহে উড়বে হেলিকপ্টার। শুনে মনে হতেই পারে, এ আর এমন কি। কত রোবটই তো গিয়েছে সেখানে। কিন্তু যখন জানবেন সেখানকার বায়ুমণ্ডল এতোটাই পাতলা, যে তা প্রায় নেই বললেই চলে, তখন অবধারিতভাবেই প্রশ্ন চলে আসে বাতাসের চেয়ে ভারী একটি হেলিকপ্টার, বায়ুমণ্ডল ছাড়া উড়বে কি করে? বাতাসে উড়ে বেড়াবার সকল সুত্রই যে মঙ্গলে হার মানে!

তবে, 'মার্স ২০২০' অভিযানের জন্য এমনই এক অসম্ভবকে সম্ভব করতে যাচ্ছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তাদের তৈরি করা হেলিকপ্টার উড়বে, মঙ্গলের লাল মাটির ১৫ ফুট উপর দিয়ে। তবে প্রতিবারে কখনোই দেড় মিনিটের বেশি নয়।

হেলিকপ্টারটিকে লাল গ্রহে ঘুরাবে এর লম্বা চার ফুটের দুজোড়া রোটর ব্লেড। প্রতি সেকেন্ডে যেই পাখা ঘুরবে প্রায় ৪২ বার। যার গতিবেগ পৃথিবীতে ওড়া যেকোন হেলিকপ্টারের চেয়ে অন্তত ১০ গুন। অ্যারোডাইনামিক্স ঠিক রাখতে এর চেহারা দেওয়া হয়েছে ছোট্ট একটি বলের মতো। ওজন মাত্র ৪ পাউণ্ড। মঙ্গলে নামার পর মোট ৫ বার উড়েই হেলিকপ্টারটি তার শক্তিশালী ক্যামেরায় ধারণ করবে লাল গ্রহের চিত্র।

মজার ব্যপার হল, হেলিকপ্টারটিকে কোনো গ্রাউন্ড স্টেশনের কন্ট্রোল রুম থেকে কমান্ড পাঠিয়ে চালাতে হবে না। মঙ্গল মুলুকে ঢুকে পড়লে আপনাআপনিই চলবে এটি। আবার নির্দিষ্ট সময় পরই তা নেমে আসবে মঙ্গলের মাটিতে নামা ল্যান্ডারে।

নাসা আরভিএলটি প্রজেক্ট ম্যানেজার সুজান গর্টন বলেন, 'এটা আমাদের কাছে অনেক রোমাঞ্চকর, এর জন্য আমরা রাত-দিন অনেক পরিশ্রম করেছি। ভবিষ্যতে পরিবহন খাতেও যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে এ হেলিকপ্টার।'

মোনাস ইউনিভার্সিটির জ্যোর্তিবিজ্ঞান লেকচারার ড. জেসমিনা গ্যালওয়ে বলেন, মঙ্গল গ্রহের বিস্তারিত জানাতে সাহায্যে করবে এটি। মঙ্গল গ্রহের সুস্পষ্ট ছবি পাওয়ার জন্য এই হেলিকপ্টারের সাথে যুক্ত করা হয়েছে শক্তিশালী ক্যামেরা।'

প্রাথমিকভাবে কপ্টারটির দক্ষতা বুঝতে আপাতত একটিই পাঠানো হচ্ছে মঙ্গলে। যা মূলত অনুসন্ধান করবে গ্রহের ইতিহাস বোঝার চেষ্টা করবে কি কি পরিবর্তন এসেছে সেখানে। কিংবা আদৌ কি কখনো কোন প্রাণের অস্তিত্ব ছিল মঙ্গলে!

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

তথ্য প্রযুক্তি খবর