channel 24

সর্বশেষ

  • রাজধানীতে গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

  • ২০২২ সালের মধ্যে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • আফগানিস্তান ইস্যুতে বাতিল হল সার্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

  • নেতাকর্মীদের সাথে ৫ম দিনের মতো বৈঠকে বিএনপি

  • ১০ মাসেই রাজশাহী মেডিকেলের চেহারা বদলেছেন ব্রি. জে. শামীম ইয়াজদানী

  • খুলনায় যৌতুক মামলায় সিআইডি কর্মকর্তা কারাগারে

  • চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পদ্মার ইলিশ

  • আইনি কাঠামোতে আসছে ই-কমার্স খাত

  • মহেশখালিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফল পাল্টে দেয়ার অভিযোগ

  • সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কমিশনকে সর্বাত্মক ক্ষমতা দেয়া হবে: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

  • ভোটার তালিকায় নেই লোকমান, অর্ধশতাধিক নতুন মুখ

  • একাধিকবার গর্ভপাত, মাতৃত্বের স্বাদ বঞ্চিত গৃহবধূর আদালতে মামলা

  • পরিবারে বাল্য বিয়ে থাকলে ভিজিডি নয়: সংসদীয় কমিটি

  • চ্যানেল 24 ও সমকাল কার্যালয়ে এমপি নিক্সন

রবার্তো মানচিনি: যার ছোঁয়ায় বদলে গেল ইতালি

রবার্তো মানচিনি: যার ছোঁয়ায় বদলে গেল ইতালি

২০১৮ সালের মে মাসে যখন তিনি কোচের দায়িত্ব নেন, ইতালিয়ান ফুটবল তখন পার করছে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের সবথেকে বাজে সময়। চারবারের বিশ্বসেরারা ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো উর্ত্তীর্ণ হতে পারেনি বিশ্বকাপের মূলপর্বে। চারদিকে সমালোচনার ঝড় আর ইতালিয়ান ফুটবলের শেষ দেখে ফেলা ফুটবল বিশ্লেষকদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সেই ইতালিকেই আসীন করালেন ইউরোপ সেরার আসনে। গড়লেন ৩৪ (২৮ জয়, ৬ ড্র) ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড। বলছি রবার্তো মানচিনির কথা। যার ছোঁয়ায় বদলে গেল ইতালি।

যদিও আজ্জুরিদের হয়ে ফুটবলার মানচিনির ক্যারিয়ারটা সুখকর নয়। ইতালির জার্সি গায়ে কখনোই শিরোপা উঁচিয়ে ধরা হয়নি তাঁর। সর্বোচ্চ অর্জন বলতে ঘরের মাঠে ১৯৯০ বিশ্বকাপের তৃতীয় হওয়া বা অনুর্ধ্ব-২১ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল হারা। তবে দুইবারই মানচিনির কপাল পোড়ে টাইব্রেকারে। সেই টাইব্রেকারেই ৫৩ বছর পর ইউরোপ সেরা ইতালি। 

স্মৃতিচারণ করে মানচিনি বলেন, 'আমি খুবই ভাগ্যবান যে ১৯৯০ বিশ্বকাপ ও ১৯৮৮ সালে অনুর্ধ্ব-২১ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের দলে ছিলাম। সেরা দল হয়েও আমরা কিছুই জিতিনি এবং দুইবারই টাইব্রেকারে হেরেছিলাম।'

মানচিনির সঙ্গে ইতালির চুক্তি ছিল ২০২০ পর্যন্ত। একটা শর্ত ছিল, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্ব উতরাতে পারলে বাড়তে মেয়াদ। মানচিনি সেই চ্যালেঞ্জ জিতে যান। তিন ম্যাচ বাকি রেখেই বাছাই ইউরোতে খেলা নিশ্চিত করে ইতালি। মেয়াদ বাড়ে ২০২২ পর্যন্ত। বাছাইপর্ব পেরিয়ে জিতে গেলেন ইউরো সেরার পুরষ্কার। শেষ ১৫ বছরে এটাই কিনা ইতালির একমাত্র অর্জন। 

রোববার রাতে বুকায়ো সাকার শেষ শট ঠেকিয়ে ডোনারুমা যখন ওয়েম্বলিকে নিস্তব্ধ করে দেয়, তখন উন্মাদ উল্লাসে ফেটে পড়ে ইতালি। ২০১৮ বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলতে না পারা থেকে ইউরোপ সেরার মুকুট পরা- ইতালির প্রত্যাবর্তনের গল্পটা রোমাঞ্চকর। এমন অর্জনের পর এভাবে উল্লাস করাটাকে তাই স্বাভাবিকই লাগছে ইতালি বসের কাছে।   

মানচিনি বলেন, 'অবিশ্বাস্য কিছু অর্জনের আবেগের প্রকাশ এটি। ছেলেদের উদযাপন করতে দেখে, গ্যালারিতে সমর্থকদের উল্লাস দেখে সুখের অনুভূতির প্রকাশ এটি। গত তিন বছরে যা কিছু আমরা করেছি, যতকিছুর ভেতর দিয়ে আমরা গিয়েছি… বিশেষ করে, গত ৫০ দিনে যতটা কঠোর পরিশ্রম আমরা করেছি, এই সবকিছুর কারণেই এমন আবেগ।'

শেষ ৩৪ ম্যাচে অপরাজিত। ফাইনালে ওয়েম্বলির ৬০ হাজার ইংলিশ দর্শকের দুয়োধ্বনি উপেক্ষা করে ম্যাচে ফেরা। মাঠে ইতালি কতটা দুর্দান্ত তা এই দুটো কারণই পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা করে। তবে মানচিনির দাবি, কেবল মাঠে নয়, মাঠের বাইরেও অসাধারণ টিম স্পিরিট গড়ে তুলেছে তাঁর দল। 'আমরা পরস্পরের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে নিয়েছি। কখনোই কোনো সমস্যা হয়নি, সেই কৃতিত্ব ফুটবলারদেরই প্রাপ্য। শুধু মাঠেই নয়, সেখানে তো তারা অসাধারণ করেছেই, কিন্তু মাঠের বাইরেও, আমরা দারুণ টিম স্পিরিট গড়ে তুলতে পেরেছি।'- মানচিনি যোগ করেন। 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

স্পোর্টস 24 খবর