channel 24

সর্বশেষ

  • অবহেলায় দুর্গাপুরের চিনামাটির পাহাড়

  • ঠেলা দিয়ে বিমান সরাচ্ছে যাত্রীরা, ভিডিও ভাইরাল

  • শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়ল বাঘ, শিক্ষার্থীকে আক্রমণ (ভিডিও)

  • বিশ্বে আবারও বাড়লো করোনায় আক্রান্ত ও মৃ ত্যুর সংখ্যা

  • টিকা নেয়ার পরও আক্রান্ত, ২৭ দেশে ওমিক্রন শনাক্ত

  • গ্যাস সিলিন্ডারে দগ্ধ ভাই-বোন মারা গেছেন

  • অভিমানে চেয়ারম্যানের দেয়া উপহার আগুনে পোড়ালেন সমর্থক

  • বিজয় দিবসে দেশব্যাপী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী

  • করোনার টিকা নিতে হবে টানা কয়েক বছর: ফাইজার প্রধান

  • চার বছর পর হিলি দিয়ে কয়লা আমদানি শুরু

  • নারী কেলেঙ্কারি: নাচোলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার

  • টাঙ্গাইলে দক্ষিণ আফ্রিকাফেরত ৬ প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিনে

  • নির্ধারিত সময়ে ২৭ শতাংশ আয়কর রিটার্ন জমা

  • এবার মার্কিন পুলিশের গু লিতে প্রাণ হারালেন হুইলচেয়ারে বসা বৃদ্ধ

  • বাবরের একাদশে পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের ক্রিকেটার বেশি

শখকে পুঁজি করে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন বই প্রেমিক স্বপন মিয়া

শখকে পুঁজি করে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন বই প্রেমিক স্বপন মিয়া

অভাবের মধ্যেও নিজের শখকে পুঁজি করে এগিয়ে যাচ্ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সোহাতা গ্রামের বই প্রেমিক স্বপন মিয়া। দুই শতক জমিতে গড়েছেন গুঞ্জন নামে পাঠাগার। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ছড়িয়ে দিতে চান শিক্ষার আলো।

গুঞ্জন পাঠাগারে নেই অকারণ গুঞ্জন, আছে শুধু পাঠক আর বইয়ের নিঃশব্দ আলাপন। ৩টি বই আর বাঁশের তাকে ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু। ১৭ বছরে এক চালা, দুই চালার টিনের ঘর পেরিয়ে এখন সুসজ্জিত ভবনে গুঞ্জনের ঠিকানা। 

ছোটবেলায় বই পড়ার প্রবল আগ্রহ থেকেই অভাবের মধ্যেও নিজের শখকে পুঁজি করে এগিয়ে যাচ্ছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সোহাতা গ্রামের বই প্রেমিক স্বপন মিয়া। দুই শতক জমিতে গড়েছেন গুঞ্জন নামে পাঠাগার। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ছড়িয়ে দিতে চান শিক্ষার আলো।

তিন ভাইয়ের সংসারে ছোটবেলায় বাবাকে হারান। মা হাল ধরেন সংসারের। এই অভাবের সংসারেই স্বপন মিয়ার শখ জাগে বই পড়ার। শুরুটা এলাকায় ঘুরে ঘুরে বই সংগ্রহ করে। এখন সেই পাঠাগারেই বইয়ের সংখ্যা ১০ হাজার ছুঁই ছুঁই।

আরও পড়ুন: ৭ বছর ধরে প্রতিদিন নজরুলের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান খালেকুজ্জামান

গুঞ্জন পাঠাগারের স্বত্বাধিকারী স্বপন মিয়া জানান, আমাদের চারপাশে প্রচুর বই ছিল না পড়ার জন্য, এ সমাজে অসংখ্য ছেলেমেয়ে আছে যারা টাকার জন্য বই কিনে পড়তে পারে না, এ জন্য গুঞ্জনের জন্ম। এর স্লোগান- ' আমি পড়ব, আমরা পড়ব'। তিনি আরও জানান, আমি যখন বই নিয়ে ঘুরতাম তখন অনেকে এটাকে বিলাসিতা মনে করত। এখন খুব ভালো লাগে, যারা এক সময় আমাকে তুচ্ছ জ্ঞান মনে করত, তারা এখন তাদের সন্তানদের জ্ঞান অর্জনের জন্য, ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য গুঞ্জন পাঠাগারে পাঠায়। 

স্বপন মিয়া আরও জানান, ২০০৪ সালে যখন গুঞ্জন পাঠাগারের যাত্রা শুরু করি, তখন মানুষ সমাজে যাদের টাকা বা অর্থ-সম্পদ আছে শুধু তাদের সম্মান করত, কিন্তু আমি চাইতাম টাকাকে মানুষ সম্মান করবে তার পাশাপাশি শিক্ষাকেও মানুষ সম্মান করুক।  

টানাটানির সংসারের বইয়ের প্রতি ভালোবাসাকে বিলাসিতা হিসেবে দেখেছেন অনেকেই। কিন্তু দমেননি স্বপন মিয়া। বরং সময়ের সঙ্গে স্বপ্নগুলো ডালপালা ছড়িয়েছে আপন ভাবনায়। 

প্রতিদিন বিকেল ৩ টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকে গুঞ্জন। শুক্রবার সাপ্তাহিক পাঠচক্র ও ছুটির দিনে পাঠক সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। পাঠচক্রের এখন অনেকেই পড়ছেন দেশসেরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

স্বপন মিয়ার বিশ্বাস, পৃথিবী বদলে দিতে পরমাণু যুদ্ধ নয়, দরকার জ্ঞানের যুদ্ধ। সে পথে আলোকবর্তিকা হাতে পথ চলছে গুঞ্জন। তাই গুঞ্জন পাঠাগারের ১৮  বছরের পথ চালায় যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের সবার কাছে গুঞ্জন পাঠাগার ঋণী বলে জানান স্বপন মিয়া। 

একেএম/এম  

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর