channel 24

সর্বশেষ

  • করোনা নিয়ে মিথ্যাচার করায় ‘চীনা নেটওয়ার্ক’ মুছে দিলো ফেইসবুক, ইনস্টাগ্রাম

  • দুর্গাপুরে চিনামাটির পাহাড়ে নেই টুরিজম ফ্যাসিলিটি

  • ঠেলা দিয়ে বিমান সরাচ্ছে যাত্রীরা, ভিডিও ভাইরাল

  • শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়ল বাঘ, শিক্ষার্থীকে আক্রমণ (ভিডিও)

  • বিশ্বে আবারও বাড়লো করোনায় আক্রান্ত ও মৃ ত্যুর সংখ্যা

  • টিকা নেয়ার পরও আক্রান্ত, ২৭ দেশে ওমিক্রন শনাক্ত

  • গ্যাস সিলিন্ডারে দগ্ধ ভাই-বোন মারা গেছেন

  • অভিমানে চেয়ারম্যানের দেয়া উপহার আগুনে পোড়ালেন সমর্থক

  • বিজয় দিবসে দেশব্যাপী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী

  • করোনার টিকা নিতে হবে টানা কয়েক বছর: ফাইজার প্রধান

  • চার বছর পর হিলি দিয়ে কয়লা আমদানি শুরু

  • নারী কেলেঙ্কারি: নাচোলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার

  • টাঙ্গাইলে দক্ষিণ আফ্রিকাফেরত ৬ প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিনে

  • নির্ধারিত সময়ে ২৭ শতাংশ আয়কর রিটার্ন জমা

  • এবার মার্কিন পুলিশের গু লিতে প্রাণ হারালেন হুইলচেয়ারে বসা বৃদ্ধ

গেট তৈরিতে ব্যয় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, জড়িতরা ঘুরছেন বুক ফুলিয়ে (ভিডিও)

গেট তৈরিতে ব্যয় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, জড়িতরা ঘুরছেন বুক ফুলিয়ে (ভিডিও)

সিভিল এভিয়েশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কার্যালয়ের মূল গেটের পাশেই রয়েছে একটি ওয়েটিং রুম। ২০১৭ সালে এই গেট ও ওয়েটিং রুম নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা।

গেটে শুধু নামফলক বসানোর পেছনেই ব্যয় ধরা হয় ১২ লাখ ১৩ হাজার টাকারও বেশি। এতে নামফলকের প্রতিটি হরফের পেছনে ব্যয় হয়েছে ৯ হাজার টাকারও বেশি। এর মধ্যে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি লেখা সম্বলিত দুপাশের দুটি লোগোর দাম প্রায় ৭৪ হাজার টাকা। আর ৪ অংশের এই গেটের মাপ সর্বোচ্চ ২২ ফিট হলেও ৬০ ফিট দেখিয়ে মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি।

এ ছাড়া দোতলা ভবনের এসএস সিঁড়ির রেলিং লাগিয়ে বিল ধরা হয়েছে ৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। অথচ বাজারদর হবে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা। এসএস পাইপ ও বল লাগানোর খরচ সর্বোচ্চ ৫ লাখ হলেও বিল নেয়া হয়েছে ২৮ লাখ টাকা।

শুধু তাই নয় কার্যালয়ের পূর্বের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে নতুন করে করা হয়েছে বিল নেয়ার উদ্দেশ্যে। 

আরও পড়ুন: মুক্তি পেলেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান

সিভিল এভিয়েশনের কার্যালয়ে ২০ বছরের বেশি সময় ধরে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর কাজ করেন জগন্নাথ চন্দ্র দাস। তাই এখানকার অনেক কিছুই তার জানা।

তার কাছে বাগানের বয়স জানতে চাওয়া হলে তিনি চ্যানেল টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘এই বাগান বহু আগে করা হয়েছে। আমি এখানে ২০ বছর ধরে চাকরি করি। আমি চাকরি শুরু করার আগেই এখানে বাগান ছিল।’ 

এমন দুর্নীতির প্রমাণ উঠে আসে বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদনেও। ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর সেই প্রতিবেদনে উঠে আসে সিভিল এভিয়েশনের সিনিয়র উপসহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, নিজাম আল হাসিব, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী প্রকৌশলী নাসিম আল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম, শহীদুজ্জামান, এইচ এম নুরুদ্দীন এবং তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামীর  নাম।

এ ঘটনায় তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলীকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। প্রতিবেদনে দায়ী প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়। অভিযুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স তানভীর ট্রেডার্সের মালিক নাজমূল আলম খুররমের সব কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশও দেয়া হয়।

কিন্তু এতদিনেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। উল্টো দুর্নীতি ঢাকতে ও মন্ত্রণালয়ের তদন্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নতুন করে কাজ করা হয়েছে।

বিমানবন্দরে একটি প্রকল্পে কাজ করেন রনি নামের একজন ব্যক্তি। দুর্নীতি ঢাকতে মূল ফটকে নতুন করে এসএস পাইপে বল লাগানো তিনিও দেখেছেন।

শুধু এই গেটেই নয়, ওয়েটিং রুমের ভেতরেও নতুন করে কাজ করা হয়েছে। দোতলায় উঠতেই দেখা গেলো বসার জায়গার উপরে বাহারি ডিজাইনের এসএস পাইপ ও বল লাগানো। এখানেও নাকি কিছু বল লাগানো হয়েছে নতুন করে।

আরও পড়ুন: প্রতারণা: ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আদিয়ান মার্টের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৪

চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, গেট কেলেঙ্কারির অন্যতম অভিযুক্ত সহকারী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম ২৮ সেপ্টেম্বর মধ্য রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমাবন্দরে চোরাই স্বর্ণসহ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)’র হাতে ধরা পড়েন। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হলেও এর তথ্য প্রমাণ চলে আসে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কাছে।

তবে এ বিষয়ে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)’র গণমাধ্যম শাখায় যোগাযোগ করা হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ কথা বলতে রাজি হননি। 

চোরাই স্বর্ণসহ জহিরুল ইসলাম ধরা পড়ার পর, নিয়ম অনুযায়ী থানা পুলিশের কাছে তুলে দেওয়ার কথা। কিন্তু জহিরুলের বেলায় ঘটেছে উল্টো। বরং আইন তারা নিজের গতিতে এগোয়নি। মুচলেকা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার পর দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন জহিরুল।  

সার্বিক বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত সচিব ও এভিয়েশন বিভাগের সদস্য মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গ কথা বললেও তিনি ভিন্ন আঙ্গিকে কথা বলেন। 

বিস্তারিত ভিডিওতে 

জে

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর