channel 24

সর্বশেষ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এবার ৫৮০ মণ্ডপে দুর্গাপূজা

  • পার্বত্য চট্টগ্রামের পথ কুকুর পাচার হচ্ছে মিজোরামে

  • 'নদী বাঁচলে মানুষ বাঁচবে'

  • শিরোপা অক্ষুন্ন রাখার মিশনে প্রস্তুত টাইগার যুবারা

  • দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান খান ও তার স্ত্রীর বিচার শুরু

  • সোমবার থেকে লাখ লাখ স্মার্টফোনে বন্ধ হচ্ছে গুগলের সেবা

  • খুলেছে ঢাবি গ্রন্থাগার, কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষা চাকরিপ্রার্থীদের

  • সাড়ে ১০ হাজার শ্রমিককে ভিসা দেবে যুক্তরাজ্য

  • নাসিরনগরে পানিতে ডুবে যমজ ভাই-বোনের মৃত্যু

  • এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ, পিছিয়েছে বিএনপি: কাদের

  • বিমানবন্দরে পরীক্ষামূলকভাবে আরটিপিসিয়ার ল্যাব চালু

  • তেলের মিলের পাশে পড়ে ছিলো আনসার কমান্ডারের লাশ

  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে মাস্ক ও হ্যান্ড সেনিটাইজার পেল গার্ল গাইডস

  • কুষ্টিয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তা খুন: বিচার চেয়ে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

  • ‘সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী নয়’

ডিসিসির তিন মার্কেট: তিনশ কোটি টাকা লোপাট

ডিসিসির তিন মার্কেট: তিনশ কোটি টাকা লোপাট

কয়েক মাস আগে দুমড়ে মুচড়ে ভেঙ্গে দেয়া হয়েছিল গুলিস্তান এলাকার সিটি কর্পোরেশনের তিনটি মার্কেট। অনেকটা ঢাকঢোল পিটিয়ে তখন রাজধানীর গুলিস্তানে সিটি কর্পোরেশন মার্কেটে এই অবৈধ উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। উচ্ছেদ কার্যক্রম চলাকালে ব্যবসায়ীরা তখন অভিযোগ তুলেছিলেন বৈধতার নামে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।

ঘটনায় একটা নয় একাধিক মামলাও হয়েছে। কিন্তু ফলাফল শূন্য। মানে যাদের বিরুদ্ধে ব্যবসায়িদের অর্থ লোপাটের অভিযোগ, তারা একদিনের জন্যও শাস্তির মুখোমুখি হননি। এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এক টাকাও ফেরত পাননি। বরং বিপর্যয় নেমে এসেছে। 

দোকানে তালা লাগিয়ে কিংবা তালা লাগানোর ভয় দেখিয়ে কখনও টাকা হাতানো হয়, আবার কখনও কাগজপত্রের বৈধতা তথা দোকানের বৈধতার কথা বলে টাকা হাতানো হয়। কিন্তু কিছুই হয়নি। বরং উচ্ছেদের মুখে পড়ে এখন ব্যবসায়ীরা বিপর্যস্ত।

সামনে ঈদ, অথচ সেই ব্যবসায়ীরা কঠিন সংকটে। সংসার খরচ এবং নিজের বেঁচে থাকা সর্বোপরি কর্মচারিদের বেতন ভাতা নিয়ে কঠিন এক সংকটের মুখে পড়েছেন তারা। তার উপর ধার দেনা আর করোনার হানা। সব মিলিয়ে জীবন যুদ্ধে টিকে থাকাই কষ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে ডিসিসির তিন মার্কেটের অনেক ব্যবসায়ীর পক্ষে। যদিও কেউ কেউ উচ্ছেদের পর দ্বিগুণ কিংবা তিনগুণ দামে দোকান বসিয়েছেন, আবার কেউ কেউ খোলা আকাশের নিচে রাস্তায় খুপড়ি ঘরের মত করে দোকান বসিয়েছেন।

তথ্য বলছে, জাকের সুপার মার্কেট, নগর প্লাজা এবং সিটি প্লাজা থেকে কয়েক দফায় প্রায় তিনশ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়। টাকা হাতিয়ে নেয়ার পেছনে দোকান মালিক সমিতির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলুর সংশ্লিষ্টতার কথা যেমন উঠে এসেছে তেমনি ডিসিসি’র একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তা এবং তিনজন যুবলীগ নেতা ছাড়াও অন্য একাধিক ব্যক্তির মধ্যে ভাগাভাগির খবর রয়েছে। টিমসার্চলাইটের অনুসন্ধানে এই তিন মার্কেটের প্রায় তিনশ কোটি টাকা হাতানোর আদ্যোপান্ত বেরিয়ে এসেছে।

এসিএন/

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর