channel 24

সর্বশেষ

  • চাঁদা আদায়ের অভিযোগে সুনামগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

  • করোনাকালে কুড়িগ্রামে বাল্যবিয়ের হিড়িক

  • ৬০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি দিচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

  • জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন শাফিন আহমেদ

  • খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ল আরও ছয় মাস

  • চাকরি দিচ্ছে সিটি ব্যাংক

  • ইভ্যালির গ্রেপ্তার কর্ণধারের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

  • নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ৩০

  • যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ চায় কাবুল হা ম লায় নি হ তদের পরিবার

  • আফগানিস্তানের মেয়েরা প্রাথমিকের অনুমতি পেলেও পায়নি মাধ্যমিকের

  • প্রথমবার মহাকাশ ঘুরে এলেন চার সাধারণ নভোচারী

  • স্বামীর চাপাতির কোপে গুরুতর আহত স্ত্রী

  • বিচ্ছেদ চেয়ে শ্রাবন্তীর মামলা

  • দেশীয় গাছের ক্ষতি করে পরিবেশ নষ্ট করছে বিদেশি প্রজাতি

  • ব্যাংক কর্মীদের ছাঁটাই বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

কৃষি বাঁচাতে নদীতীরে জলাধারের উদ্যোগ

কৃষি বাঁচাতে নদীতীরে জলাধারের উদ্যোগ

দেশজুড়ে ভারি বর্ষণে কানায়-কানায় পূর্ণ নদ-নদী। প্লাবিত শহর-জনপদ। কিন্তু বৃষ্টির মৌসুমটুকু শেষ হতেই শুরু হয়, পানির জন্য হাহাকার। নদী শুকিয়ে সেচের অভাবে পুড়তে থাকে ফসলের ক্ষেত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিবছর এই পানি সংকট থেকে কৃষিখাতকে বাঁচাতে, বর্ষার জল ধরে রাখতে হবে। তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনাসহ নদ-নদীর দুই ধারে, ৫ কিলোমিটার পর-পর ২০টি করে জলাধার তৈরির পরামর্শ তাদের।

বর্ষার ভারি বর্ষণ দেশজুড়ে। দুকুল ছাপিয়ে পানিতে টইটুম্বুর নদ-নদী, খাল-বিল।     

দেশে মৌসুমি বৃষ্টিপাত হয় টানা চার মাস। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে দেশে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৪৫৯ মিলিমিটার, জুলাই মাসে ৫২৩, আগস্টে ৪২০ এবং সেপ্টেম্বরে ৩১৮ মিলিমিটার। এতো বিপুল পরিমাণ বৃষ্টির প্রভাবে প্রাণ ফিরে পায়, সারাবছর খা খা করা মরা নদীগুলোও। 

ভৌগোলিকভাবে দেশের কৃষি, নদী থেকে পাওয়া পানির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু, বর্ষাকাল ফুরিয়ে গেলে প্রায় শুন্য হয়ে পড়ে বেশিরভাগ নদ-নদী। হাজার কোটি টাকায় ড্রেজিং করেও মেলে না সমাধান। আর প্রতিবেশি দেশের কাছ থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা, সে তো সুদূর পরাভুত। ফলশ্রুতিতে, নির্ভরশীলতা বাড়ছে গভীর নলকূপের ওপর। ক্রমেই নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর।

সংকট থেকে উত্তরণে, পানি সম্পদ ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৃষ্টির পানি ধরে রাখার বিকল্প নেই। নদীর দুই ধারে ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার পর-পর ২০টি করে জলাধার তৈরীর পরামর্শ তাদের। এছাড়া, দেশজুড়ে প্রাকৃতিক জলাধারে নাব্যতা বৃদ্ধি ও নদীর পাড়ে বৃক্ষ রোপনের ওপর জোর দেন বিশেষজ্ঞরা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক জানান, পানি ধরে রাখতে এরইমধ্যে তিস্তার উজানে খনন ও ছোট নদীর পাশে জলাধার নির্মাণের কাজ চলছে।

তিনি জানান, অর্থায়নের অপেক্ষায় আছে গঙ্গা ব্যারেজ প্রকল্প। যা বাস্তবায়িত হলে বৃষ্টির পানি ধরে রাখতে অনেক বড় ভূমিকা রাখবে। 

 

এফএইচ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর