channel 24

সর্বশেষ

  • করোনা টিকার জন্য ভোটার হওয়ার হিড়িক

  • সাগরে নিম্নচাপ, ভারি বৃষ্টি ও বন্যার আশঙ্কা

  • ময়মনসিংহ মেডিকেলে একদিনে আরও ২২ জনের মৃত্যু

  • ব্যাংক বন্ধ আজ

  • আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বাসায় হামলা, নিহত ৪

  • লকডাউনে কর্মস্থ‌লে আসতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশ, ব্যবস্থা নিল পুলিশ

  • অবকাঠামো উন্নয়নের অভাবে রাজস্ব হারাচ্ছে ভোমরা স্থল বন্দর

  • অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম জয়ে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

  • তবুও পা মাটিতেই রাখছেন মাহামুদউল্লাহ

  • আফগানিস্তানে ৭৭ তালেবান যোদ্ধাকে হত্যা

  • পথেঘাটে থাকেন বৃদ্ধ বাবা-মা, তিন ছেলে আটক

  • করোনাকালে রেমিট্যান্স ছাড়া অর্থনীতির সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক ধারা: সিপিডি

  • টি টোয়েন্টিতে অজিদের বিরুদ্ধে টাইগারদের প্রথম জয়

  • হিলিতে দ্বিগুন বেড়েছে কাচামরিচের দাম

  • রেকর্ড গড়া জয়ে অবশেষে মিলল সোনার হরিণের দেখা

কৃষি বাঁচাতে নদীতীরে জলাধারের উদ্যোগ

কৃষি বাঁচাতে নদীতীরে জলাধারের উদ্যোগ

দেশজুড়ে ভারি বর্ষণে কানায়-কানায় পূর্ণ নদ-নদী। প্লাবিত শহর-জনপদ। কিন্তু বৃষ্টির মৌসুমটুকু শেষ হতেই শুরু হয়, পানির জন্য হাহাকার। নদী শুকিয়ে সেচের অভাবে পুড়তে থাকে ফসলের ক্ষেত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিবছর এই পানি সংকট থেকে কৃষিখাতকে বাঁচাতে, বর্ষার জল ধরে রাখতে হবে। তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনাসহ নদ-নদীর দুই ধারে, ৫ কিলোমিটার পর-পর ২০টি করে জলাধার তৈরির পরামর্শ তাদের।

বর্ষার ভারি বর্ষণ দেশজুড়ে। দুকুল ছাপিয়ে পানিতে টইটুম্বুর নদ-নদী, খাল-বিল।     

দেশে মৌসুমি বৃষ্টিপাত হয় টানা চার মাস। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে দেশে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৪৫৯ মিলিমিটার, জুলাই মাসে ৫২৩, আগস্টে ৪২০ এবং সেপ্টেম্বরে ৩১৮ মিলিমিটার। এতো বিপুল পরিমাণ বৃষ্টির প্রভাবে প্রাণ ফিরে পায়, সারাবছর খা খা করা মরা নদীগুলোও। 

ভৌগোলিকভাবে দেশের কৃষি, নদী থেকে পাওয়া পানির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু, বর্ষাকাল ফুরিয়ে গেলে প্রায় শুন্য হয়ে পড়ে বেশিরভাগ নদ-নদী। হাজার কোটি টাকায় ড্রেজিং করেও মেলে না সমাধান। আর প্রতিবেশি দেশের কাছ থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা, সে তো সুদূর পরাভুত। ফলশ্রুতিতে, নির্ভরশীলতা বাড়ছে গভীর নলকূপের ওপর। ক্রমেই নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর।

সংকট থেকে উত্তরণে, পানি সম্পদ ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৃষ্টির পানি ধরে রাখার বিকল্প নেই। নদীর দুই ধারে ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার পর-পর ২০টি করে জলাধার তৈরীর পরামর্শ তাদের। এছাড়া, দেশজুড়ে প্রাকৃতিক জলাধারে নাব্যতা বৃদ্ধি ও নদীর পাড়ে বৃক্ষ রোপনের ওপর জোর দেন বিশেষজ্ঞরা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক জানান, পানি ধরে রাখতে এরইমধ্যে তিস্তার উজানে খনন ও ছোট নদীর পাশে জলাধার নির্মাণের কাজ চলছে।

তিনি জানান, অর্থায়নের অপেক্ষায় আছে গঙ্গা ব্যারেজ প্রকল্প। যা বাস্তবায়িত হলে বৃষ্টির পানি ধরে রাখতে অনেক বড় ভূমিকা রাখবে। 

 

এফএইচ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর