channel 24

সর্বশেষ

  • এবার কুষ্টিয়ায় এক ব্যক্তির একাধিক ডোজ টিকার নেয়ার ঘটনা

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়লো ৩১ আগস্ট পর্যন্ত

  • জেনে নিন অ্যাসিডিটি থেকে বাঁচার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়

  • স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার জন্য টাকা পেলেন মেসি

  • রাজ আমাকে জোর করে চুমু খেয়েছিল: শার্লিন চোপড়া

  • হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব

  • অলিম্পিক ভিলেজে ৩ অ্যাথলেটসহ করোনা আক্রান্ত ২৪

  • ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা

  • ইংল্যান্ডে সিরিজ হারায় বোর্ড কর্তাদের ধুয়ে দিলেন ওয়াসিম

  • রাতে আসছে সিনোফার্মের আরও ৩০ লাখ ডোজ টিকা

  • সাগর পাড়ে আগুন ধরালেন বাঙ্গালী ললনা

  • কিউকমে পাওয়া যাবে রানারের মোটরসাইকেল

  • নিবন্ধনের পর আড়াই কোটি টাকা ভ্যাট দিল ফেসবুক

  • খাগড়াছড়িতে অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় সেনাবাহিনীর সহায়তা

  • কঠোরতম লকডাউনের পঞ্চম দিনে রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৫৬৮

হাসপাতালে অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর কাজে কচ্ছপ গতি

হাসপাতালে অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর কাজে কচ্ছপ গতি

গত বছর দেশের ৭৯টি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর মধ্যে নানা জটিলতায় এক বছরেও শেষ হয়নি ৪০টি হাসপাতালের কাজ। এ বছর করোনা রোগী বেড়ে যাওয়ায় এখন আবার তোড়জোড় শুরু হয়েছে প্ল্যান্ট বসানোর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি চরম অব্যবস্থাপনা আর সমন্বয়হীনতার উদাহরণ।

সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্টের ট্যাংক রিফিল করা হচ্ছে রাজধানীর একটি হাসপাতালে। করোনা চিকিৎসার জন্য আড়াইশ শয্যার বেশি এই হাসপাতালের ট্যাংকে দিনে দুইবার অক্সিজেন রিফিল করতে হয়। গত বছর দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর প্রথম দিকে যে কয়েকটি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানো হয়, তার মধ্যে একটি শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রলিভার হাসপাতাল।     

এটি ছাড়াও দেশের আরো ৭৮টি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার, জুন মাসে শুরু হয় কাজ। এরমধ্যে ৩০টি হাসপাতালের কাজ পায় রাষ্ট্রাত্ব প্রতিষ্ঠান নিমউ অ্যান্ড টিসি। এক বছরে কাজ শেষ হয়েছে ২২টির। বাকি ৫৩টির মধ্যে ১৯টিতে প্ল্যান্ট বসানোর কাজ পায় আরেকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। দু-একটি হাসপাতাল ছাড়া তাদের কাজ প্রায় শেষ। তবে জটিলতা রয়েছে বাকি ৩০টি হাসপাতালের প্ল্যান্ট নিয়ে। 

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে কোভিড তহবিলের টাকায় ৩০টি হাসপাতালে গ্যাস পাইপলাইন ও লিকুইড অক্সিজেন ট্যাংক বসানোর দায়িত্ব দেয়া হয় ইউনিসেফকে। জানা যায় হাসাপাতাল তালিকা নিয়ে জটিলতাসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনিহার কারণে সে কাজ এতোদিন এগোয়নি। এখন পর্যন্ত কাজ হয়েছে মুগদাসহ মাত্র ৩টিতে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক জানান, নানা কারণে এই বিলম্ব।

অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক বে-নজীর আহমেদের মতে, স্বাস্থ্য খাতের অব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়হীনতার দৃষ্টান্ত এই ঘটনা।প্ল্যান্ট বসানোর তালিকায় নতুন যোগ হয়েছে আরো কয়েকটি হাসপাতাল।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর