channel 24

সর্বশেষ

  • বরিশাল থেকে রাজধানীর উদ্দেশে ছেড়েছে তিনটি লঞ্চ

  • মডেল পিয়াসা গ্রেপ্তার

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস

  • সিরাজগঞ্জে ব্রিজের অভাবে ২৫ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

  • বেড়াতে গিয়ে পিকাপের ধাক্কায় বাবার মৃত্যু

  • ভুয়া পরিচয়ে নিয়মিত টকশো করতেন ইশিতা!

  • বিধি-নিষেধে ঢাকায় কমেছে গ্রেপ্তার-জরিমানা

  • রংপুরে বখাটের ছুরিকাঘাতে আহত মাদরাসাছাত্রীর মৃত্যু

  • এবার এমপি শিমুলের বিরুদ্ধে জিডি করলেন সুজিত সরকার

  • এক স্বামীকে নিয়ে দুই বধূর টানাটানি

  • ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চিরুনি অভিযানের নির্দেশ

  • চতুর্থবারের মতো বিপিএল শুরুর সূচি দিলো বাফুফে

  • যুক্তরাষ্ট্র আর ড্রেসেলের শ্রেষ্ঠত্বে শেষ হলো অলিম্পিক সাঁতার

  • টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সমালোচনা নিয়ে বিরক্ত ডমিঙ্গো

  • আফগানিস্তানে তালেবান ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে তুমুল লড়াই

করোনায় অদ্ভুত জীবন বাস্তবতা, বিদায়বেলায় মরদেহের সাথে নেই আপনজন

করোনায় অদ্ভুত জীবন বাস্তবতা, বিদায়বেলায় মরদেহের সাথে নেই আপনজন

অনেকে করোনায় বিশ্বাসই করেন না। আবার অনেকে বিশ্বাস করেন অথচ স্বাস্থ্যবিধি মানেন না। কিন্তু করোনার ভয়াবহতার আসল চিত্র দেখছেন চিকিৎসক- নার্স আর দাফন- সৎকারের সাথে জড়িতরা। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আল-মারকাজুলের কর্মীরা কয়েকদিন আগেও দৈনিক ত্রিশ- থেকে চল্লিশটি লাশ দাফন ও সৎকার করছিলেন। মার্চের শেষ থেকে দৈনিক এখন তা ৭০ ছাড়িয়েছে। এটি করতে গিয়ে মর্মান্তিক সব ঘটনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে এই স্বেচ্ছাসেবকদের।

একদিকে ভাবলেশহীন নগরজীবন, অপরদিকে মৃত্যুর মিছিল। দুঃখজনক হলেও সত্যি, বিদায়বেলায় বেশিরভাগ মরদেহের সাথে নেই আপনজন। কেননা 

কোনো কোনো পরিবারের সবাই আক্রান্ত করোনায় আবার অনেকে সংক্রমণের ভয়ে রক্তের সম্পর্ক ভুলে গিয়ে দাফন কাফনের দায়িত্ব দিয়েছেন অন্যের কাঁধে।

দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা, ৪ ঘন্টায় একে একে ১০টি মরদেহ ঢাকার নানা প্রান্ত থেকে আনা হয় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আল মারকাজুল ইসলামীর কার্যালয়ে। শেষ বিদায়ে সাফ-সুতরো করার এই কাজের জন্য সারাক্ষণই পুরো বাবর রোড জুড়ে লাশবাহী গাড়ির জট। গত বছর দিনে সর্বোচ্চ ৪০টি মরদেহ আসলেও চলতি মাসে সে সংখ্যা এখন পর্যন্ত ঠেকেছে ৭০ জনে।

সরকারে উর্দ্ধতন একজন কর্মকর্তার দাফন হওয়ার কথা ছিল গ্রামের বাড়িতে কিন্তু সেখানে দাফনে পরিবারের সম্মতি না মেলায় একটি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহায়তায় দাফন করা হয় রায়েরবাজার কবরস্থানে। চলে যাওয়ার এই মিছিলের প্রস্থান যাতে দ্রুত হয় সেজন্য আগ থেকেই খুড়ে রাখা হয়েছে অসংখ্য কবর।

করোনা সংক্রমণে মৃতদের দাফনের জন্য সরকার নির্ধারিত কবরস্থান এটি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতামত, যেহেতু মৃতদেহ থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি নেই তাই এই কবরস্থান ছাড়াও অন্যস্থানে দাফন হচ্ছে অনেকের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর