channel 24

সর্বশেষ

  • বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ আয়োজনে মরিয়া শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট

  • দেশে কওমি শিক্ষার প্রসারে অবদান রাখেন আল্লামা শফি

  • নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন সভাপতি প্রার্থী বাদল রায়

  • মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু

  • আল্লামা শফী মারা গেছেন

  • মানিকগঞ্জে শ্রমিক জুলহাসকে পায়ুপথে বাতাস দিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা

  • বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড়!

  • নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ১

  • মাগুরায় দুই বাস-মাইক্রোবাসের ত্রিমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪

  • রংপুরে একই বাড়ি থেকে দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

  • বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সফর: বিসিবির চিঠির উত্তর দেয়নি এসএলসি

  • ক্রিকেটারদের দ্বিতীয় ধাপের করোনা পরীক্ষা শুরু

  • পচাত্তরের কুশীলবরা এখনো আশপাশে ওৎ পেতে আছে: শ ম রেজাউল

  • দেশে করোনায় আরও ২২ জনের মৃত্য, শনাক্ত ১৫৪১

  • ইসরায়েলের সাথে আরব রাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের প্রতিবাদ

অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট: ছোট অসতর্কতায় বড় বিপদের শঙ্কা

অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট: ছোট অসতর্কতায় বড় বিপদের শঙ্কা

নিজে দাহ্য না হলেও অন্য উপাদানের সাথে মিলে কতটা ভয়ংকর হতে পারে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, তার মর্মান্তিক উদাহরণ লেবাননের বৈরুত। পরিমাণে কম হলেও বাংলাদেশে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আমদানি করে এই রাসায়নিক।

১৬৫৯ সালে জার্মান রসায়নবিদ জোহান রুডল্ফ গ্লবার প্রথম কৃত্রিমভাবে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট তৈরি করেন। নিজে জ্বলতে না পারলেও বিস্ফোরণ ঘটাতে অবদান রাখতে পারে এই যৌগ। কোন কিছু জ্বলার সময় তাতে আরো অক্সিজেনের যোগান দিতে পারদর্শী হওয়ায় অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট অক্সিডাইজার বা জারক হিসেবে পরিচিত।

লেবাননের বৈরুত বন্দরে বছরের পর বছর পড়ে থাকা ২৭০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের বিস্ফোরণে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে শহরটির পুরো একটি অংশ। দুইশতাধিক মানুষ প্রাণ হারান আর ছয় হাজারের বেশি মানুষ আহত হন ৪ আগস্টের মর্মান্তিক সে ঘটনায়।

বাংলাদেশে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের ব্যবহার তুলনামূলক কম। গত ৭ বছরে আমদানি হয়েছে সতেরশো টনের কিছু বেশি। গত বছর যার পরিমাণ ছিলো চারশ টনের মতো। এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি এসেছে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে।

দেশে কঠিন শিলা প্রকল্পে বিস্ফোরণ ঘটাতে আর হাসপাতালের বিভিন্ন সার্জিকাল কাজ ছাড়া তেমন ব্যবহার নেই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের। চারটি কোম্পানির আমদানির তথ্য পাওয়া যায় বিস্ফোরক পরিদপ্তর থেকে। (গ্রাফিক্স) যার মধ্যে একটি সরকারি আর তিনটি বেসরকারি। বৈরুত বিস্ফোরণের পর প্রতিষ্ঠানগুলোতে তদারিক বাড়ানো হয়েছে দাবি নিয়ন্ত্রক সংস্থার।

স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট আমদানিকরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যোগাযোগ করা হলেও সম্ভব হয়নি রাসায়নিক রাখার স্থান পরিদর্শনের। তবে বিধি মেনেই কার্যক্রম চলছে বলে দাবি তাদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট নয়, সতর্ক থাকতে হবে সব রাসায়নিকের বিষয়ে।

দুর্ঘটনার পর নয়, আগে থেকেই তা প্রতিরোধে সচেতনতার ওপরে জোর দেন বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিভাগীয় প্রধান সৈয়দা রাজিয়া সুলতানা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর