channel 24

সর্বশেষ

  • করোনায় বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীরের মৃত্যু

  • সাগরের ইলিশে ভরপুর মোকামগুলো, রপ্তানীর অনুমোদন চান বিক্রেতারা

  • যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালকসহ গ্রেফতার ৫

  • রাজবাড়ি জেলা রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে প্রতারণার অভিযোগ

  • অবিশ্বাস্য হারে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় বার্সেলোনার

  • বাঙালির কলঙ্কময় দিন আজ, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  • বঙ্গবন্ধুর পলাতক ৫ খুনির ফাঁসি এখনও কার্যকর হয়নি

  • বাঙালীর কলঙ্কময় দিন আজ

  • চট্টগ্রামের পাহাড়তলি বস্তিতে আগুন, শিশুসহ নিহত ২

  • গোপালগঞ্জে বিয়ের আসরে গুলি!

  • বেরিয়ে আসছে যুবলীগ নেতা ডিজে শাকিলের নানা অপকর্ম

  • ১৫ ও ২১ আগস্টের কুশীলবরা এখনো সক্রিয়: কাদের

  • ঝিনাইদহে রাস্তার পাশে ঝোপ থেকে নবজাতক উদ্ধার

  • চট্টগ্রামে নতুন করে করোনা পজেটিভ ১১৮

  • হামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

নানা অনিয়মের পরও ষষ্ঠ মেয়াদে নিয়োগ পেতে ওয়াসার এমডির তোড়জোড়

নানা অনিয়মের পরও ষষ্ঠ মেয়াদে নিয়োগ পেতে ওয়াসার এমডির তোড়জোড়

তাকসিম এ খান। টানা ১১ বছর ধরে ঢাকা ওয়াসার এমডি। মেয়াদ শেষে মেয়াদ বাড়ে। বাড়ে অনিয়মের ফিরিস্তিও। প্রথমবার অভিজ্ঞতা ছাড়াই নিয়োগের পর মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তাও উবে গেছে। শেষবার আইন ভেঙে ওয়াসা বোর্ডের কাছে উল্টো প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশ আসে মন্ত্রণালয় থেকেই। তাই এখন শুরু হয়েছে ষষ্ঠ মেয়াদে নিয়োগের তোড়জোড়।

২০০৯ সালে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয় সংবাদপত্রে। এমডি পদের জন্য চাওয়া হয় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা অথবা সাধারণ প্রশাসনে সিনিয়র পর্যায়ের অভিজ্ঞতা।

কিন্তু পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিষয়ক কোনো অভিজ্ঞতা না থাকলেও আবেদন করেন প্রকৌশলী তাকসিম এ খান। আছে কেবল দেশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পরামর্শক হিসেবে কাজের খতিয়ান, যাদের সাথে পানি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কোন সংশ্লিষ্টতাই নেই।

যোগ্যতা না থাকলেও ৩ বছরের জন্য তাকেই নিয়োগের সুপারিশ করে বোর্ড। অনুমোদনও দেয় স্থানীয় সরকার বিভাগ। কিন্তু ১৪ অক্টোবর দেয়া অনুমোদনপত্রেই ভবিষ্যতের নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষা আর নম্বর দেওয়ায় সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা ছিল। যদিও সতর্কতার নজির মেলেনি।

পরে ২০১২ সালে ৩ বছরের সুপারিশের বিপরীতে মেয়াদ বাড়ে ১ বছর। তৃতীয় দফা নিয়োগে ঘটে তেলেসমাতি। তৎকালীন স্থানীয়সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দেশের বাইরে থাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। কিন্তু ১ বছর আগের সুপারিশ আমলে নিয়ে আরো ২ বছরের জন্য নিয়োগ পায় তাকসিম এ খান।

ওয়াসা বোর্ডের বৈঠকে এ বিষয়ে সমালোচনা হয়। আইনের সাথে সামঞ্জস্য নয় বলেও মত দেয় বোর্ড কর্তারা। কিন্তু অতীত বিবেচনা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে বিব্রত বোধ করেন তারা।

পঞ্চম মেয়াদে ঘটে নজিরবিহীন ঘটনা। আইন অনুযায়ী ওয়াসা বোর্ড নিয়োগের প্রস্তাব দেবে, অনুমোদন করবে সরকার। কিন্তু ২০১৭ সালে স্থানীয় সরকার বিভাগ-ই উল্টো তাকসিম এ খানকে আরো ৩ বছরের জন্য নিয়োগের প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশ দেয়। ঘটেও তাই। এভাবে গত ১১ বছর ধরে নানা অনিয়মের পাহাড়ে বসেও দোর্দণ্ড প্রতাপে স্বীয় পদে বহাল তাকসিম এ খান। জানা গেছে ৬ষ্ঠ মেয়াদে নিয়োগ পেতেও এরইমধ্যে তোড়জোড় শুরু করেছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর