channel 24

সর্বশেষ

  • চারদিনেও সন্ধান মেলেনি সুন্দরবনে নিখোঁজ তিন জেলের

  • বিশ্বের অন্যতম স্বাস্থ্যসম্মত শহরের তালিকায় মদিনা নগরী

  • করোনায় দেশে প্রাণহানি বেড়ে দাড়িয়েছে ৮০২৩ জন

  • ফরিদপুরে বিকাশ কর্মকর্তার ১০ লাখ টাকা ছিনতাই, আটক ২

  • এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ, শুনানির পরবর্তী তারিখ ২৭ জানুয়ারি

  • গাজীপুরে কর্মচারীকে ধর্ষণ মামলায় মালিক গ্রেপ্তার

  • রাজশাহীতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীকে হত্যা

  • সাতক্ষীরায় হাসপাতালের ডাস্টবিন থেকে নবজাতক উদ্ধার

  • 'রাজধানীর কিছু ব্রিজ-কালভার্ট ভুলভাবে নির্মাণ করা হয়েছে'

  • করোনায় এবারের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শর্ত আরোপ

  • জামিন আবেদনে জালিয়াতি, হাইকোর্টে জামিন পাননি চট্টগ্রাম জিপিও কর্মকর্তা

  • রমজানের আগে টিসিবির মাধ্যমে ৩ গুণ ভোজ্যতেল আমদানির সিদ্ধান্ত

  • ২০ ট্রিলিয়ন ডলারের নতুন অর্থনৈতিক প্রণোদনায় সই জো বাইডেনের

  • করোনার টিকা নিতে কাউকে জোর করা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • হাইকোর্টের সামনে ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে

এমডির আশির্বাদে ওয়াসার প্রকৌশলী রফিকের রমরমা বাণিজ্য

এমডির আশির্বাদে ওয়াসার প্রকৌশলী রফিকের রমরমা বাণিজ্য

হেন কোনো অনিয়ম নেই, যা করেননি ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম। তিনি সব কিছুই করেছেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খানের আশির্বাদে। বন্ধু আর স্ত্রীর নামে কোম্পানি খুলে ব্যবসা করেছেন খোদ ওয়াসার সাথেই। স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনার পরও, ব্যবস্থার পরিবর্তে উল্টো পেয়েছেন পদোন্নতি। আছেন বহাল তবিয়তে।

পদ্মা যশোলদিয়া পানি শোধনাগার প্রকল্পে ঠিকাদারের অনিয়মে আপত্তি তুলে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের রোষানলে পড়ে সরে যেতে হয় প্রকল্প পরিচালক রশিদ সিদ্দিকীকে। পরে দায়িত্ব পান রফিকুল ইসলাম। অনিয়মে ভরা এই প্রকল্পের শেষ পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন তিনিই।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না সিএএমসির সাথে রফিকুল ইসলামের সম্পর্ক পুরনো। ২০১২ সালে ওয়াসার কমলাপুর-রামপুরা পাম্পিং স্টেশনের কাজও করেছিলো প্রতিষ্ঠানটি। যা এখন অকেজোপ্রায়। রফিকুল ছিলেন সেই প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী। প্রকল্পের ঠিকাদারের স্থানীয় এজেন্ট ছিলেন আজিজুল আকিল ডেভিড। যিনি ন্যাশনাল ডিজাইন অ্যান্ড কন্সট্রাকশন লিমিটেডের অংশীদার। এই প্রতিষ্ঠানেরই আরেক অংশীদার ফাতেমা জেরিন। যিনি রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। কার্যত স্ত্রী আর বন্ধুর নামেই চলতো ব্যবসা।

রফিকুল ইসলামের দাবি প্রতিষ্ঠানটি ২০০৭ সালে বিলুপ্ত হয়েছে। কিন্তু নথিতে দেখা গেছে, ২০০৯ সালেও ঠিকাদার হিসাবে ৬৪ কোটি টাকার বিল উঠিয়েছে ন্যাশনাল ডিজাইন অ্যান্ড কন্সট্রাকশন লিমিটেড।

বিধিমালা অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীরা নিজ এখতিয়ারাধীন এলাকায় পরিবারের কাউকে ব্যবসার অনুমতি দিতে পারেন না। এ নিয়ে ২০১২ সালে রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ওয়াসার এমডিকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলো স্থানীয় সরকার বিভাগ। কিন্তু ব্যবস্থা তো দূর, উল্টো তাকসিম এ খানের আশির্বাদে পেয়েছেন পদোন্নতি। যশোলদিয়ার পর এখন তিনি বিশ্বব্যাংক প্রকল্পের পরিচালক।

২০১২ সালের আগে সিএএমসির স্থানীয় এজেন্ট ছিলো সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের সাকো ইন্টার‍ন্যাশনাল। কিন্তু রামপুরা প্রকল্পের কাজ পেয়েই তার স্থানীয় এজেন্ট বনে যায় রফিকুলের স্ত্রী আর বন্ধুর প্রতিষ্ঠান। লিখিতভাবে সেই অনিয়ম জানানোও হয় ওয়াসাকে। কিন্তু ফলাফল শূন্য।

নিউজটির দেখুন ভিডিওতে-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর