channel 24

সর্বশেষ

  • বাড়ছে না ভাড়া; সব টিকিট বিক্রি হবে অনলাইনে: রেলমন্ত্রী

  • বাস-মিনিবাসের ভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ

  • করোনায় আক্রান্ত বৃদ্ধির সময়ে সব কিছু খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত ভুল: ফখরুল

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গন জুড়ে বর্ণিল প্রাণের মায়াবী উচ্ছ্বাস

  • অন্তহীন ভোগান্তি নিয়েই ঢাকায় ফিরছে মানুষ

  • পরীক্ষার হার না বাড়ালে বাংলাদেশের পরিণতি হতে পারে ব্রাজিলের মতো

  • দেশে আক্রান্তের শীর্ষে তরুণরা, ষাটোর্ধ্বের মৃত্যুর হার ৪২ শতাংশ

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে সোমবার থেকে চালু গণপরিবহন, রোববার থেকে লঞ্চ

  • করোনায় বিশ্বে প্রাণহানি ছাড়িয়েছে ৩ লাখ ৬৪ হাজার, সুস্থ ২৫ লাখ

  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা ট্রাম্পের

  • জিয়াউর রহমানের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • বিচারপতিদের শপথ ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে; ফুল কোর্ট সভা বাতিল

  • লিবিয়ায় নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের পরিচয় মিলেছে

  • 'আদালতের অনুমতি ছাড়া মোরশেদ খানের বিদেশ যাওয়া আইন সিদ্ধ হয়নি'

  • ছেলে সন্তানের বাবা হয়েছেন আশরাফুল

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি মাজেদের অজানা ঘটনা

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি মাজেদের অজানা ঘটনা

বঙ্গবন্ধু স্বঘোষিত খুনি বরখাস্ত হওয়া ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ হাতে নিহত হন তোফায়েল আহমেদের এপিএস শফিকুল আলম মিন্টুও। ভয়াবহ সেই নির্মমতা নিয়ে কথা বলেছেন, তার ছেলে তৌফিকুল আলম শওকত।

মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল আলম মিন্টু। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব তোফায়েল আহমেদের এপিএস ছিলেন। এর বাইরে ঢাকা সদরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টরেট ছিলেন।

সরকারের উচ্চপদস্থ এই কর্মকর্তাকে ১৯৭৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। আর ফিরে আসেন তিনি।

তৌফিকুল আলম শওকত শিশু বয়স থাকলেও বাবাকে তুলে নেয়ার সেই দৃশ্য এখনও স্পষ্ট মনে আছে তার। তিনি বলেন, এই ক্যাপ্টেন মাজেদ বলেছিল, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে ধরে নিয়ে গেলাম, আমরা আবার তাঁকে ছেড়ে দিব।

স্কলারশিপ পেয়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও মাটির টানে দেশেই থেকে যান, মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল আলম মিন্টু। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি ক্যাপ্টেন মাজেদ ও তার সহযোগীদের হাত থেকে।

এভাবে বাবাকে হারানো এখনও ভুলতে পারছেন না, ভুলতে পারছেন না বাবার স্মৃতিও। কান্নায় ভেঙ্গে পরে তৌফিকুল আলম শওকত বলেন, বাবাকে শেষ দেখাটাও দেখতে পারি নাই। জানাজা তো নাই, তাঁর কবরটা পর্যন্ত আজ পর্যন্ত পাইনি আমরা। তাঁকে কি করেছে, কোথায় ফেলে দিয়েছে আমরা আজও জানি না।

শফিকুল আলম মিন্টুর সবশেষ পরিণতি নিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা তোফায়েল আহমেদও কথা বলেছেন। তিনি বলেন, খুনি মাজেদ আমারই পিএস শফিকুল আলম মিন্টুকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন করে হত্যা করে তাঁর লাশটি বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দিয়েছে।

প্রায় ৪৫ বছর পর বঙ্গবন্ধুর স্বঘোষিত খুনি ক্যাপ্টেন মাজেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর খুশি পরিবার। তবে
রাষ্ট্রের কাছে একটি দাবি আছে তাদের। ছেলে তৌফিকুল আলম শওকত বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার একটি আর্জি, আমার বাবার কমর কোথায়, তাঁকে কিভাবে সমাধি করা হয়েছে, নাকি কি করা হয়েছে এই জিনিসটাই আমরা জানতে চাই। এটি আমাদের শেষ দাবি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর