channel 24

সর্বশেষ

  • সোমবার শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচল

  • কাল শুরু হচ্ছে সীমিত আকারে ট্রেন চলাচল

  • চট্টগ্রামে ১০ দিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুন

  • চলে গেলেন সাবেক তারকা ফুটবলার গোলাম রব্বানী হেলাল

  • করোনায় দেশে আরও ২৮ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৭৬৪

  • সম্প্রচার কর্মীদের এ্যাম্বুলেন্স সুবিধা দেবে পাথওয়ে

  • বাংলাদেশকে ৬ হাজার ২২২ কোটি টাকা সহায়তার ঘোষণা আইএমএফের

  • ঝিনাইদহে শিশু সন্তানকে হত্যার পর মার আত্মহত্যা

  • পদ্মা সেতুতে বসলো ৩০তম স্প‌্যান, দৃশ্যমান সাড়ে চার কিলোমিটার

  • রোববার থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে মসজিদে নববী

  • মাগুরায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত ধর্ষক গ্রেপ্তার

  • করোনায় শান্ত-মারিয়াম ও সুন্দরবন কুরিয়ারের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যু

  • বাড়ছে না ভাড়া; সব টিকিট বিক্রি হবে অনলাইনে: রেলমন্ত্রী

  • বাস-মিনিবাসের ভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ

  • করোনায় আক্রান্ত বৃদ্ধির সময়ে সব কিছু খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত ভুল: ফখরুল

মহামারির ইতিহাস

মহামারির ইতিহাস

ভাইরাস। সম্প্রতি কভিড নাইনটিন বা করোনাভাইরাসের কারণে, সবার কাছেই এখন নিত্য ব্যবহার্য শব্দ। কিন্তু ভাইরাসের এই উত্থান কি এতই আকস্মিক? না, শতাব্দীর পর শতাব্দী, এমনকি মানুষেরও আগে থেকেই পৃথিবীতে রাজত্ব করছে ভাইরাস।

সৃষ্টির শুরু থেকেই ভাইরাসের সাথে বসবাস মানবজাতির। আর সভ্যতার বিকাশের সাথে সাথে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে বিশ্বের নানা প্রান্তে। মাঝে মাঝে এই ভাইরাস হয়েছে প্রাণঘাতী। আক্রান্ত হয়েছেন কয়েককোটি মানুষ। আর এইসব ভাইরাসের কারণেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কয়েক কোটি।

কমবেশি ৪ থেকে ৫ কোটি বছর আগে থেকে পৃথিবীতে ভাইরাসের বাস। মানবজাতি বিকাশের বহু আগে থেকেই, এই ধরণীতে বিচরণ অণুজীবের। এদের কিছু মানবজাতির জন্য যেমন উপকারি, তেমনি ভুগিয়েছে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে। কখনও লাখো কোটি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বিশ্বজুড়ে।

বণিক, নাবিক আর সৈনিকরা মূলত অতীতে এক জায়গা থেকে ভাইরাস আরেক জায়গায় ছড়িয়েছে। উপযুক্ত পরিবেশ আর বাহক পেয়ে ভাইরাস দেখিয়েছে তার ভয়ঙ্কর রূপ। পৃথিবীর ইতিহাসে ম্যালেরিয়া, যক্ষা, কুষ্ঠ, প্লেগের মতো কুখ্যাত সব রোগ ভাইরাসেরই সৃষ্টি।

কিন্তু ভাইরাসের সাথে এই যুদ্ধে জয় পেয়েছে মানুষই। ভাইরাস রুখতে নিরলস গবেষণায়, ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছেন চিকিৎসক-বিজ্ঞানীরা। প্রাণ বেঁচেছে শুধু মানুষ নয়, অন্য প্রাণীরও।

এখন যে কভিড নাইনটিন ভাইরাস মানুষের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেটি মূলত ইনফ্লুয়েঞ্জা গ্রুপের সবশেষ সংস্করণ। এই গ্রুপের বাকিসব ভাইরাসের ভ্যাকসিন মানুষের হাতে আছে। গবেষণা চলছে কভিড নাইনটিন নিয়েও। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে এটিরও ভ্যাকসিন আবিষ্কারের আশা বিজ্ঞানীদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর