channel 24

সর্বশেষ

  • সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম করোনায় আক্রান্ত

  • মোরশেদ খানের দেশত্যাগে নানা প্রশ্ন; ঘটনার তদন্ত চায় দুদক

  • প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত সুদ ছাড়ের প্রণোদনা পাবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো

  • করোনাকালে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ

  • লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে হত্যা: বাচ্চু মিলিটারি ৫ দিনের রিমান্ডে

  • পঞ্চগড়ে বজ্রপাতে বাবা ছেলেসহ ৩ জনের মৃত্যু

  • বাস-লঞ্চে উধাও স্বাস্থ্যবিধি

  • স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় এমভি প্রিন্স লঞ্চ জব্দ

  • লকডাউন শেষে মুক্ত হলো আকাশপথ, চলছে উড়োজাহাজ

  • লিবিয়ায় নিহতদের স্বজনরা মুক্তিপণের টাকা হাজী কামালকে দিয়েছিলেন

  • হিলি রেলপথ দিয়ে ভারত থেকে দ্বিতীয় দফায় পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে

  • না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলমের বাবা

  • লেনদেন বাড়লেও দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বড় দরপতন

  • ২৬ বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কঠোর নিন্দা জানিয়েছে লিবিয়ার সরকার

  • 'আমেরিকায় বর্ণবৈষম্য করোনা ভাইরাসের চাইতেও ভয়ংকর'

করোনায় ক্ষতির মুখে ছাপা অক্ষরের গণমাধ্যম

করোনায় ক্ষতির মুখে ছাপা অক্ষরের গণমাধ্যম

করোনার থাবা পত্রিকা শিল্পে। প্রকাশক থেকে সার্কুলেশন, সবস্তরে আতঙ্ক। সব কিছু মোটামুটি বন্ধ থাকায় পত্রিকার সার্কুলেশন নেমে এসেছে এক তৃতীয়াংশে। সম্পাদকরা বলছেন, করোনার মত মহামারী মোকাবেলায় সাধারণ মানুষের তথ্য শক্তি হিসেবে কাজ করবে পত্রিকা। তারা বলছেন, গুজব আর দুঃসময় কাটিয়ে সুদিন ফিরবেই।

সকাল মানেই যেন এক কাপ গরম চা আর সাথে পত্রিকার শিরোনাম। কর্মজীবি কিংবা ব্যবসায়ী প্রতিটি মানুষেরই দিনের শুরু হয় পত্রিকা হাতে নিয়ে। শুধু রাজনীতি কিংবা অর্থনীতি নয়, পত্রিকার প্রভাব আছে মানুষের প্রতিদিনের জীবনেও। হোক না তা তথ্য ভান্ডার কিংবা বিনোদেনর খোরাক হিসেবে। শত সংকট, যুদ্ধ কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, প্রতিদিনই সকালেই চাই টাটকা খবর। তাই থেমে থাকেননা কলম সৈনিকরা। বিশ্ব অর্থনীতির যত মন্দাবস্থাই হোক না কেন, বন্ধ হয়নি পত্রিকার প্রচার ও প্রকাশ। কিন্তু করোনা আতঙ্ক ছাড় দেয়নি পত্রিকাকেও।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, সারা পৃথিবীতে মিডীয়ার জন্যে এমন কঠিন সময় কখনও আসে নাই। যুদ্ধ-বিগ্রহ, মহামারি ছিলো কিন্তু এমন একটা অবস্থা কখনও কাউকে মোকাবেলা করতে হয়নি। এই মুহুর্তে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাথে সকল খাতেই এর প্রভাব পড়েছে। খুব স্বাভাবিক ভাবেই আমরা এই প্রভাবের বাইরে নই।

শুধু সাংবাদিক, প্রকাশ কিংবা পত্রিকার মালিক নয়, এই শিল্পের সাথে জড়িত হকাররাও। করোনা আতঙ্ক গ্রাস করেছে তাদেরকেও। কারণ গেল কয়েকদিনে বেশিরভাগ পত্রিকার সার্কুলেশন কমে এসেছে এক তৃতীয়াংশে। তার সাথে সাথে আছে গুজব।

ঢাকা সংবাদপত্র হকার্স সমিতি লি: এর সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, পত্রিকার মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ছড়ায়, এটা যখন প্রচার হল তখনই পত্রিকার গ্রাহক কমে যায়। পরে যখন বলা হলো যে না পত্রিকার মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ছড়ায় না তখন কিন্তু আগের গ্রাহকরা কেউই আর ফিরে আসেননি। আর ঢাকা থেকে যেহারে মানুষ গ্রামে চলে গেছে আবার বিভিন্ন অফিসগুলো বন্ধ করে দিয়েছে এতে করে আমাদের বিক্রি তিন ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন পত্রিকার মাধ্যমে করোনা ছড়ানো সম্ভব নয়। প্রিভেন্টিভ মেডিসন বিশেষজ্ঞ লেলিন চৌধুরী বলেন, পত্রিকাটি যে মানুষটি বহন করে, সে যদি করোনা আক্রান্ত হয় বা তাঁর যদি হাঁচি কাশি থাকে তবে তাঁর মাধ্যমে করোনার জীবাণু ওই পত্রিকায় চলে আসবে এবং কিছুক্ষন বেঁচে থাকবে। কিন্তু ঐ পত্রিকাটি যখন একজন সুস্থ মানুষে কাছে যায় তখন সেটা মানুষের শরীরে প্রবেশ করার একটি সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই সম্ভাবনাটা তেমন জোড়ালো না।

দৈনিক সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক যে ব্যক্তিটি সংবাদপত্র বাসায় পৌছে দিচ্ছেন তাঁকে কিন্তু আমরা স্যানিটাইজার দিচ্ছি। তাঁর হাতে গ্লাপ্স থাকছে, এবং প্রেসে যারা কাজ করছেন তাঁরাও যেন তাঁদের হাতের মাধ্যমে যেন কিছু না ছড়ায়, যেন সুরক্ষিত থাকে সেটা আমরা ব্যবস্থা করেছি।

তবে পত্রিকার খবর প্রকাশিত না হলে এমন মহামারীর সময় গুজব ছড়িয়ে পরবে। যা আতঙ্কিত করবে পুরো সমাজকে।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব গুজোব ছড়িয়ে দেওয়া হয় তা থেকে যদি পরিত্রাণ পেতে চাই তবে সংবাদমাধ্যম প্রকাশ অব্যাহত রাখতে হবে। এবং মানুষের কাছে সেই খবরটুকু পৌছে দিতে হবে।

করোনার কারণে সাধারন ছুটি ঘোষণায় পত্রিকা শিল্প মুখোমুখি হবে আর্থিক ক্ষতির। তা সামনে উঠা বেশ কঠিন হবে আগামীতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর