channel 24

সর্বশেষ

  • ১০ হাজার দুস্থ মানুষকে খাওয়াচ্ছেন সৌরভ গাঙ্গুলী

  • জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা

  • আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের নিষেধাজ্ঞা বাড়লো ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত

  • ভিডিও কনফারেন্সে সুপ্রিম কোর্ট শিশু অধিকার কমিটির বৈঠক

  • রাজস্ব আদায়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ বেশ সফল: অর্থমন্ত্রী

  • ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়লো সাধারণ ছুটি

  • দেশে করোনায় আরো ১ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৮: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • করোনায় বিধ্বস্ত বিশ্ব; প্রাণহানি ছাড়ালো ৬৪ হাজার, আক্রান্ত ১২ লাখের বেশি

  • পাইকার সংকটে দাম পাচ্ছে না যশোরের সবজি চাষীরা

  • করোনার প্রভাবে কেমন আছে পথে অবাধে বিচরণ করা কুকুর ?

  • হবিগঞ্জের রেমা কালেঙ্গা বনাঞ্চলে চলছে গাছ কাটার মহোৎসব

  • যুক্তরাষ্ট্রে করোনা মোকাবিলায় ২ লাখ কোটি ডলারের তহবিল ঘোষণা

  • করোনা মোকাবিলায় প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

  • চাহিদা কমায় দুধ সংগ্রহ কমিয়েছে মিল্কভিটাসহ অনেক প্রতিষ্ঠান

  • বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কাজ করছেন কর্মীরা

যেভাবে থাকবেন হোম কোয়ারেন্টিনে

যেভাবে থাকবেন হোম কোয়ারেন্টিনে

করোনার ঝুঁকি এড়াতে থাকতে হবে নিরাপদে। হোম কোয়ারেন্টিন বা নিজেকে আলাদা করতে হবে, সবার কাছ থেকে। মেনে চলতে হবে নিয়ম-কানুন। চিকিৎসকরা বলছেন, তাতেই কমে আসবে আক্রান্তের হার। এজন্য যে শুধু প্রবাসীদেরই সচেতন হতে হবে তা নয় চাইলে যে কেউ থাকতে পারবেন হোম কোয়ারেন্টিনে।

হোম কোয়ারেন্টিন। সহজ ভাষায় যাকে বলা যায়, সবার কাছ থেকে নিজেকে আলাদা রাখা। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে অন্যের সংস্পর্শে না যাওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, কারো কাপড়, প্লেট, গ্লাস ব্যবহার না করা, এমনকি ব্যবহার করতে হবে আলাদা টয়লেট।

করোনার সংক্রমণ রোধে শুধু যে প্রবাসীরা হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন বিষয়টি এমন নয়। চাইলে যে কেউ হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে পারেন।

রংপুরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. কানিজা সাবিহা বলেন, কারও যদি সর্দি কাশি থাকে তাহলে যেকোন ব্যক্তি, বিদেশ ফেরত হতে হবে না, আমরা তাঁদের বলেছি আপনারা হোম কোয়ারেন্টিনে থাকেন। এবং যারা অসুস্থ হয়েছেন বা সর্দি-কাশিতে ভুগছেন তাহলেই যে করোনায় আক্রান্ত হবেন তা নয়। তবে সর্দি-কাশির সকল রুগীদের আমার পরামর্শ আপনারা ঘরে থাকেন।

করোনা মোকাবেলায় প্রশাসনের সাথে কাজ করছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

স্বেচ্ছাসেবক রাকিব জুয়েল বলেন, এই সময়ে আমাদের সবচেয়ে জরুরি যেটি সেটা হচ্ছে মানুষের ভিতরে সচেতনতা। আর এটিরই সব থেকে বেশি অভাব বোধ করছি আমরা সব স্তরেই।

নিজেকে ও অন্যকে সুরক্ষায় আপাতত যেকোন ধরণের গণজমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ চিকিৎসকদের। বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শফিক আমিন কাজল বলেন, আপনি জনসমাগমে গেলে কে আক্রান্ত আর কে আক্রান্ত নয় সেটা বুঝতে পারবেন না। অতএব জনসমাগম পরিহার করুন। একান্ত জরুরি কাজ ছাড়া বাসা থেকে বের হবার দরকার নেই।

বগুড়ার কারবালা মাদরাসা ও মসজিদের শায়খুল হাদীস ও খতিব মাওলানা কাজী ফজলুল করিম বলেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে গণজমায়েতে নিরুতসাহিত করা হচ্ছে। আমরাও মসজিদের ইমাম, হিসেবে আলেম হিসেবে গণজমায়েত না হবার জন্যে পরামর্শ দিচ্ছি।

করোনার ঝুঁকি এড়িয়ে চলতে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হওয়ার তাগিদ চিকিৎসকদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর