channel 24

সর্বশেষ

  • নারায়ণগঞ্জ জেলা সম্পূর্ণরূপে লকডাউন

  • বিশ্বে প্রাণহানি ৭৮ হাজার ছাড়ালো, জাপানে জরুরি অবস্থা জারি

  • অভিনব কায়দায় মাস্ক চুরি করলো যুক্তরাষ্ট্র!

  • করোনা আতঙ্কের মাঝে সুখবর দিলেন সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ

  • ২২০টি করোনা শনাক্তের কিট দিলেন সাবেক এমপি রুহী

  • করোনায় আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি

  • জামালপুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুটি বিশেষ বাজার চালু

  • ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত নারায়ণগঞ্জবাসী, টাঙ্গাইল লকডাউন

  • করোনা উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪ জনের মৃত্যু

  • চিকিৎসা না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়ায় রাস্তায় নবজাতক প্রসব

  • কর্মহীন হয়ে পড়া খেটে খাওয়া মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন অনেকেই

  • বান্দরবানে নিজস্ব উদ্যোগে সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে ম্রো জনগোষ্ঠি

  • বঙ্গবন্ধুর খুনি আব্দুল মাজেদ গ্রেপ্তারের পর কারাগারে

  • লকডাউনের মাঝেই জার্মানিতে বায়ার্ন মিউনিখের অনুশীলন শুরু

  • মারা গেলেন ফুটবল কোচ রাদোমির অ্যান্টিচ

করোনা: নিজেদের সুরক্ষা নিয়ে শঙ্কায় চিকিৎসকরা

করোনা: নিজেদের সুরক্ষা নিয়ে শঙ্কায় চিকিৎসকরা

দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ায় বাতিল করা হয়েছে, স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট সবার ছুটি। যদিও নিজেদের সুরক্ষা নিয়ে শঙ্কায় চিকিৎসকরা। আড়াই মাসেও সরকার নিশ্চিত করতে পারেনি তাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা। চিকিৎসকদের দাবির প্রেক্ষিতে পর্যায়ক্রমে দেশের সব হাসাপাতালে পাঠানো হচ্ছে সুরক্ষার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম।

গেলো ডিসেম্বরেরর শেষ দিকে চীনে যখন প্রথম ঘোষনা হলো করোনার মতো ভাইরাস গ্রাস করছে বিশ্বকে তার আড়াই তিন মাস পরে বাংলাদেশে প্রানঘাতি এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধটা ঢাল তলোয়ার ছাড়া অনেকটা নিধিরাম সরকারের মতো।

কারণ যে চিকিৎসকেরা সম্মুখে লড়বেন এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে তাদের প্রান বাচানোর জন্য নেই ন্যুনতম কোন সুরক্ষা ব্যবস্থা। বহুল আলোচিত হাত ধোয়ার স্যানিটাইজার আর মাস্ক দিয়েই চলছে এখনো এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ার প্রস্তুতি। ফলে সাধারণ সর্দি কাশি জ্বর নিয়ে হাসপাতালে গেলে আতঙ্কিত খোদ চিকিৎসকরাই।

জাতীয় হৃদ্রোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতেলের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আমরা যেহেতু সার্বক্ষনিক রোগীদের সাথে থাকছি তাই সব থেকে বেশি ঝুঁকিতে তো আছি আমরাই। আরেক সহকারী সার্জন ডা. মো. ইশরাত কাইয়ুম বলেন, আমাকে তো বাঁচতে হবে, ডাক্তার এর পাশিপাশি আমিও একজন মানুষ, আমারও পরিবার আছে। তো আমি এখান থেকে ভাইরাস নিয়ে যাব আমার পরিবারের কাছে এটা তো আমরা কেউই চাই না।

যেখানে আমরা টেলিভিশনে ছবি দেখছি প্রতিনিয়ত সারা শরীর ঢেকে প্রানঘাতী এ ব্যাধির বিরুদ্ধে চিকিৎসকরা লড়ছেন অবিরত। সেখানে শুধুমাত্র সাদা এপ্রোন আর মাস্কে মুখ ঢেকে এ ভয়ঙ্কর ব্যাধির বিরুদ্ধে  দেশের চিকিৎসকরা কি করবেন, কিভাবে লড়বেন, তা বুঝে উঠতে পারছেন না।

ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ধরেন একজন করোনা আক্রান্ত রোগী আসলো কিন্তু আমি জানি না। সে আমার টেবিলে হাত রাখলো সেখানে আমিও হাত রাখলাম সেখান থেকে আমিও আক্রান্ত হয়ে গেলাম। তাই আমাদের মনে হয় মাস্কের থেকে আমার মনে হয় জরুরি বেশি পুরো শরীরটা যদি ঢেকে দিতে পারি তবে ভালো হয়।

সহকারী সার্জন ডা. মো. ইশরাত কাইয়ুম বলেন, আমি তো রুগী না দেখে থাকতে পারবো না। আমরা ডাক্তাররা যদি তাঁদের না দেখি তবে তাঁরা কোথায় যাবে। কিন্তু আমরা আসলে এখন প্রস্তুত না কারণ শুধু একটা মাস্কেই এটার পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়া যায় না।

জাতীয় হৃদ্রোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতেলের পরিচালক ডা. মীর জামাল উদ্দিন বলেন, প্রস্তুতি ছাড়া যদি করোনায় আক্রান্ত কোন রোগীকে একজন ডাক্তার চিকিৎসা দেন তবে অবশ্যই তাঁর ঝুঁকি থাকবে। কিন্তু এই সুরক্ষার জন্যে যে পরিমাণ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দরকার সেই পরিমাণ তো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই, তাহলে কোথা থেকে দিবে সরকার।

ঘটনার সূত্রপাতের আড়াই থেকে তিন মাসের পরেও কেন চিকিৎসকদের ন্যূন্যতম সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা গেলো না। তার কোন সদুত্তর নেই কতৃপক্ষের কাছে। এতদিন পরে যখন মিললো চিকিৎসকের পারসোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট আসার অনুমতিপত্র। সেটি কখন দেশে এসে পৌঁছুবে, আর কখনই বা নিজেদের সুরক্ষিত করে রোগীদের সেবা দিতে পারবেন তারা, শঙ্কায় চিকিৎসকরা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর