channel 24

সর্বশেষ

  • খাগড়াছড়িতে হামের প্রকোপ, আক্রান্ত ২ শতাধিক শিশু

  • অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

  • লকডাউনের পরও রাজধানীতে মানুষকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না

  • ব্যক্তিগত-প্রাতিষ্ঠানিক ত্রাণের তালিকায় নেই শিশু খাদ্য

  • নারায়ণগঞ্জে ডিসি, সিভিল সার্জনসহ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা হোম কোয়ারেন্টিনে

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ৫ টাকায় সবজি বাজার

  • নাটোরের সিংড়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পুরো গ্রাম লকডাউন

  • চট্টগ্রামে আরো তিনজন করোনারোগী সনাক্ত

  • বগুড়ায় গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী পলাতক

  • চাঁদপুর অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন

  • ঠাকুরগাঁওয়ে ওএমএস’র ৬৩০ বস্তা চাল জব্দ, আটক ১

  • নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ঠাকুরগাঁওয়ে আসায় ৯০ জন আটক

  • করোনা উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু

  • ২৪ ঘন্টা সেবা দিতে প্রস্তুত ৬৪টি বেসরকারি হাসপাতাল

  • করোনায় বিশ্বে প্রাণহানি ৮৮ হাজার ৫৬৭; আক্রান্ত প্রায় ১৫ লাখ

করোনায় প্রশংসনীয় উদ্যোগ বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের

করোনায় প্রশংসনীয় উদ্যোগ বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের

সময়টা সচেতন থাকার। তাই বিনামূল্যে গণপরিবহনে জীবাণুনাশক ছিটানো, ছিন্নমূল মানুষের কোয়ারেন্টিনের জন্য অস্থায়ী তাবু তৈরি করছে, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। শুধু তাই নয়, রাস্তার ধারে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থাসহ নানা ধরনের কাজ করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। এ ধরনের সহায়তা পেয়ে খুশি সামর্থ্যহীন মানুষগুলো।

রাষ্ট্রীয় সংস্থার পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মতো দেখালেও এই সদস্যরা একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের। বাসে বাসে ছিটিয়ে দিচ্ছেন জীবাণুনাশক। ভোরের দিকে বাসের প্রথম ট্রিপ শুরুর আগেই তারা শুরু করেন জীবাণুমুক্ত করার কাজ।  চালকরাও একটু থামছেন বিনামূল্যের সেবা পেতে।

করোনা ঠেকাতে সিএনজি অটোরিক্সা ও রিক্সায় ছিটানো হচ্ছে তরল প্রতিরোধক।

স্বেচ্ছাসেবীরা বলছেন, মানুষের সাড়া পাচ্ছি কাজগুলোতে। তবে আমরা মনে করি যার যার জায়গা থেকে যদি আমরা ছোট ছোট করে কাজগুলি করি তবে এটা সম্ভব। আমরা গণপরিবহনে যে জীবাণুনাশক দিচ্ছি মালিকসমিতি এই কাজটা করতে পারতো।

পথচারীদের বিলি করছেন করোনা প্রতিরোধ বিষয়ক লিফলেট। অভ্যাস করাচ্ছেন হাত পরিস্কারের।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের যে প্রাদুর্ভাব তা ঠ্যাকাতে শুধু নিজে ভাল থাকলেই হবে না ভাল থাকতে হবে সবাইকে সাথে নিয়ে। সেজন্যই কাজ করছে এই বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। তাঁরা চান তাঁদের মতই যেন সবাই এগিয়ে আসেন যেন সব মানুষ একসাথে ভাল থাকতে পারে এই ভাইরাসের কবল থেকে।

সেবার উদ্দেশ্য রাস্তার পাশে হাত ধোয়ার বেসিন, সেনিটাইজার আর পানিভরা ড্রামও রেখে দিয়েছেন তাঁরা। দিব্যি সেবা নিচ্ছেন পথচারীরাও।  

করোনার প্রকোপ বাড়লে মানুষকে আলাদা জায়গায় কোয়ারেন্টিনের স্থান সংকট হলে কি করা হবে? সেই চিন্তায় অস্থায়ী ডর্মহাউজের ব্যবস্থাও করবে সংগঠনটি।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের এক সেচ্ছাসেবক ফারুক আহমেদ বলেন, পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে এর ঘরগুলো তৈরি করা। এটা অনেকটা ডর্মহাউজের মত। মেটাল দিতে আমরা এটা তৈরি করেছি।

এধরণের উদ্যোগ নিতে নানান ঝুট-ঝামেলায় পড়ার কথাও জানান মানবতার এই সেবকরা। তাঁরা বলছেন, নিরাপত্তার কথা ভেবে যদিও আমাদের বাইরে যাওয়া উচিত না তবুও মানবতার খাতিরে আমরা বের হচ্ছি। তবে আমরা চেষ্টা করছি রাতের বেলা বা ভোর বেলা কাজ করতে যখন মানুষের সমাগম কিছুটা কম থাকে। অনেক সময় কাজ করা যাচ্ছেও না কারণ অনেকেই চায় না যে তাদের বাড়ীর সামনে এভাবে হাত ধোয়ার বেসিনের সেটাপ দেয়া হোক।

করোনার মতো এমন দুর্যোগে যেন পরিবার-সমাজ- রাষ্ট্র সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যার শুরু করেছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর