channel 24

সর্বশেষ

  • ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে করোনার হানা, কলম্বিয়ায় ৪১ ফুটবলার আক্রান্ত

  • দুই আসনের উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা জয়ী

  • এখনো জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন আশরাফুলের

  • ৩ সপ্তাহ পর করোনা মুক্ত হলেন মাশরাফী

  • রিজেন্ট গ্রুপের এমডি মাসুদ পারভেজ গ্রেপ্তার

  • স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করলেন মশিউর রহমান রাঙা

  • সাতক্ষীরায় কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিদের মানববন্ধন

  • বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে, ছড়াবে ২৩ জেলায়

  • বেরিয়ে আসছে সাবরিনার অপকর্মের নানা নজির

  • এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

  • ভুয়া চিকিৎসক দম্পতির নৃশংসতা

  • বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

  • অধিদপ্তরের ডিজির অনুরোধেই রিজেন্টের সাথে চুক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনা প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ কোম্পানি গঠনে চুক্তি

  • জামরুলের পুষ্টিগুণ

করোনায় প্রশংসনীয় উদ্যোগ বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের

করোনায় প্রশংসনীয় উদ্যোগ বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের

সময়টা সচেতন থাকার। তাই বিনামূল্যে গণপরিবহনে জীবাণুনাশক ছিটানো, ছিন্নমূল মানুষের কোয়ারেন্টিনের জন্য অস্থায়ী তাবু তৈরি করছে, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। শুধু তাই নয়, রাস্তার ধারে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থাসহ নানা ধরনের কাজ করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। এ ধরনের সহায়তা পেয়ে খুশি সামর্থ্যহীন মানুষগুলো।

রাষ্ট্রীয় সংস্থার পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মতো দেখালেও এই সদস্যরা একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের। বাসে বাসে ছিটিয়ে দিচ্ছেন জীবাণুনাশক। ভোরের দিকে বাসের প্রথম ট্রিপ শুরুর আগেই তারা শুরু করেন জীবাণুমুক্ত করার কাজ।  চালকরাও একটু থামছেন বিনামূল্যের সেবা পেতে।

করোনা ঠেকাতে সিএনজি অটোরিক্সা ও রিক্সায় ছিটানো হচ্ছে তরল প্রতিরোধক।

স্বেচ্ছাসেবীরা বলছেন, মানুষের সাড়া পাচ্ছি কাজগুলোতে। তবে আমরা মনে করি যার যার জায়গা থেকে যদি আমরা ছোট ছোট করে কাজগুলি করি তবে এটা সম্ভব। আমরা গণপরিবহনে যে জীবাণুনাশক দিচ্ছি মালিকসমিতি এই কাজটা করতে পারতো।

পথচারীদের বিলি করছেন করোনা প্রতিরোধ বিষয়ক লিফলেট। অভ্যাস করাচ্ছেন হাত পরিস্কারের।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের যে প্রাদুর্ভাব তা ঠ্যাকাতে শুধু নিজে ভাল থাকলেই হবে না ভাল থাকতে হবে সবাইকে সাথে নিয়ে। সেজন্যই কাজ করছে এই বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। তাঁরা চান তাঁদের মতই যেন সবাই এগিয়ে আসেন যেন সব মানুষ একসাথে ভাল থাকতে পারে এই ভাইরাসের কবল থেকে।

সেবার উদ্দেশ্য রাস্তার পাশে হাত ধোয়ার বেসিন, সেনিটাইজার আর পানিভরা ড্রামও রেখে দিয়েছেন তাঁরা। দিব্যি সেবা নিচ্ছেন পথচারীরাও।  

করোনার প্রকোপ বাড়লে মানুষকে আলাদা জায়গায় কোয়ারেন্টিনের স্থান সংকট হলে কি করা হবে? সেই চিন্তায় অস্থায়ী ডর্মহাউজের ব্যবস্থাও করবে সংগঠনটি।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের এক সেচ্ছাসেবক ফারুক আহমেদ বলেন, পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে এর ঘরগুলো তৈরি করা। এটা অনেকটা ডর্মহাউজের মত। মেটাল দিতে আমরা এটা তৈরি করেছি।

এধরণের উদ্যোগ নিতে নানান ঝুট-ঝামেলায় পড়ার কথাও জানান মানবতার এই সেবকরা। তাঁরা বলছেন, নিরাপত্তার কথা ভেবে যদিও আমাদের বাইরে যাওয়া উচিত না তবুও মানবতার খাতিরে আমরা বের হচ্ছি। তবে আমরা চেষ্টা করছি রাতের বেলা বা ভোর বেলা কাজ করতে যখন মানুষের সমাগম কিছুটা কম থাকে। অনেক সময় কাজ করা যাচ্ছেও না কারণ অনেকেই চায় না যে তাদের বাড়ীর সামনে এভাবে হাত ধোয়ার বেসিনের সেটাপ দেয়া হোক।

করোনার মতো এমন দুর্যোগে যেন পরিবার-সমাজ- রাষ্ট্র সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যার শুরু করেছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর