channel 24

সর্বশেষ

  • ছায়াঢাকা সবুজ সীমান্ত গ্রাম মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকানন

  • ভিজিএফের চাল বিতরণে জেলেদের সাথে অনিয়ম- দুর্নীতি

  • স্থবির ঢাকায় শর্তসাপেক্ষে খাবারের দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত

  • নো কিট, নো টেস্ট, নো পেশেন্ট, নো করোনা: রিজভী

  • কোচ হয়ে বার্সেলোনায় ফিরতে চান জাভি

  • জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে শেরপুর, কুষ্টিয়া ও বিরামপুরে ৩ জনের মৃত্যু

  • করোনাভাইরাস নিয়ে গুজব: ২০টি ফেসবুক আইডি, পেজ বন্ধ; শনাক্ত ৫০

  • বিনামূল্যে পিপিই সরবরাহ করবে ইউএস-বাংলা

  • দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত এক, সুস্থ ৪ জন

  • গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৭৯০ জন নতুন কোয়ারেন্টিনে: আইইডিসিআর

  • নিজেরাই লকডাউন পালন করছে রাঙ্গামাটির কয়েক এলাকার মানুষ

  • সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা গ্রামে মানছেন কজন?

  • করোনায় মারা গেলেন জাপানিজ কমেডিয়ান 'কাইশ্যা'

  • অর্থনীতির স্বাভাবিক অবস্থায় আর ফিরবে না বিশ্ব

  • করোনার প্রভাবে প্রতিদিন দুগ্ধ খামারের লোকসান ৫৭ কোটি টাকা

হোম কোয়ারেন্টিনে করণীয় কি?

হোম কোয়ারেন্টিনে করণীয় কি?

হোম কোয়ারেন্টিন। করোনার প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে এই পদ্ধতিকে। কিন্তু, হোম কোয়ারেন্টিনে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেই অনেকেরই। আর, আন্তর্জাতিকভাবে এর যে মানদন্ড দেয়া হয়েছে, এ দেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় তা প্রত্যেকের ক্ষেত্রে মানাও কঠিন।

কোয়ারেন্টিন বা আলাদাকরণ। অর্থাৎ কোনো ভাইরাস রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি এড়াতে, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিজেকে আলাদা করে রাখা। করোনা প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর হিসেবে দেখা হচ্ছে এই পদ্ধতিকে।

আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. এম মুস্তাক হুসাইন বলেন, সুস্থ্য মানুষদের জন্যই কোয়ারেন্টিন। যিনি করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে আসছেন বা করোনা আক্রান্ত কোন রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন তাঁদের সবাইকে নিজ ঘরে কোয়ারেন্টিন থাকবেন।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা ও বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতার আলোকে বিশেষজ্ঞরা হোম কোয়ারেন্টিন-এর ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন দিচ্ছেন।

১. প্রথমত, বাসায় ঢুকে কারো সাথে হ্যান্ডশেক কিংবা স্পর্শ না করা যাবে না।
২. থাকার ঘরটি হতে হবে বাথরুম ও আলো বাতাসযুক্ত।
৩. ব্যবহার করা কাপড় ধোয়ার আগ পর্যন্ত প্লাস্টিকের ব্যাগে আবদ্ধ রাখতে হবে।
৪. ২০ সেকেন্ড ধরে ধোয়ার পর টিস্যু দিয়ে হাত ও পানির কল শুকনো করতে হবে।  
৫. হাঁচি দেয়ার সময় টিস্যু অথবা বাহু ব্যবহার করতে হবে।
৬. খাবারের জন্য পারিবারিক ডাইনিং নয়, নিজ ঘরে খেতে হবে।
৭. ঘরের আসবাবপত্র পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে নিয়মিত। এবং
৮. ব্যবহার করতে হবে সঠিক মাস্ক।

ডা. এম মুস্তাক হুসাইন বলেন, কোয়ারেন্টিন থাকা অবস্থায় যদি কোন লক্ষণ দেখা যায় তবে সাথে সাথে আইইডিসিআরের হটলাইনে ফোন করলে পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে তা বলে দিবে। খুব জরুরি প্রয়োজনে যদি তাঁকে বাইরে আসতে হয় তবে সে মাস্ক পরে আসবে এবগ খেয়াল রাখতে হবে তাঁর ১ মিটারের মধ্যে যেন কোন সুস্থ্য মানুষ না আসে। কোয়ারেন্টিন শেষ হবার পরে যদি তাঁরা আবারা বিদেশে যান বা করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসে তবে তাঁকে আবার কোয়ারেন্টিনে যেতে হবে।

বক্ষ্যব্যাধী বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আব্দুস সাকুর খান বলেন, ব্যক্তির জন্যে আলাদা বিছানার ব্যবস্থা রেখে এবং আলাদে গোসলখানা বা আলাদা বাথরুম না থাকলেও সীমিত ব্যবহার হয় সেসব জায়গায় তাঁদের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। যদিও এটা সম্পূর্ন বিপদমুক্ত নয়। আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে বেশ বড় জনগোষ্ঠীর এমন ব্যবস্থা করার সুযোগ নেই। স্কুল বা কমিউনিটি সেন্টারকে আমরা এইগুলো বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারি। এটাকে বলা হয় মাস কোরেনটিন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেউ হোম কোয়ারেন্টিন-এর সঠিক নিয়ম মেনে না চললে, ওই ব্যক্তি তার পরিবারেরই ক্ষতি ডেকে আনবেন, সঙ্গে সমাজেরও।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর