channel 24

সর্বশেষ

  • অ্যালকোহল কারখানার বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে নদীর পানি; হুমকিতে মাছসহ জলজ প্রাণী

  • অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রধান পিআরও কর্মকর্তার ইন্তেকাল

  • জ্বর ও সর্দি-কাশি নিয়ে আজও প্রাণ গেলো ৯ জনের

  • যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের মনোনয়ন নিশ্চিত

  • 'পোশাক কারখানার শ্রমিক ছাঁটাইয়ের কথা বলেননি বিজিএমইএ সভাপতি'

  • সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসকসহ ২৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী বেতন পান না দু'মাস

  • ঢাকাতে করোনা নিয়ে 'দ্য ইকোনমিস্টের' তথ্য সঠিক নয়: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

  • শ'খানেক কর্মহীন পরিবার রাঁধেন এক হাঁড়িতে, পতিত জমিতে ফলান সবজি

  • ডিপ কোমায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম

  • পাবনায় ২ জনকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা

  • গণপরিবহন চালুর ষষ্ঠ দিনেও তুলনামূলক যাত্রী কম রাজধানীতে

  • কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে এখনও অগ্নিগর্ভ যুক্তরাষ্ট্র

  • ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলনের অনুমতি

  • পাকিস্তানি নারী ক্রিকেট দলের কোচ বরখাস্ত

  • জার্মান লিগে রাতে আলাদা ম্যাচে নামছে বায়ার্ন-ডর্টমুন্ড

দেশের নতুন প্রজন্ম কতোটা ধারণ করছে বঙ্গবন্ধুকে?

দেশের নতুন প্রজন্ম কতোটা ধারণ করছে বঙ্গবন্ধুকে?

'বঙ্গবন্ধু' এই শব্দটি উচ্চারণ করতেই মানসপটে ভেসে ওঠে কালো ফ্রেমের চশমায় তর্জনী উঁচু করে ভাষণরত একটি ছবি। যে কণ্ঠে ছিলো মুক্তির কথা, সংগ্রামের কথা। আজ স্বাধীনতার পঞ্চাশে, দেশের নতুন প্রজন্ম কতোটা ধারণ করছে শতবর্ষী এই বটবৃক্ষকে? কতোটাইবা লালন করছে, আর কতোটুকুইবা পালন?

কালো ফ্রেমের মোটা চশমার আড়ালে থাকা একজোড়া চোখের গল্প। স্বপ্নাতুর যে চোখ সবসময়ই ধারন করতো একটি পতাকার রঙে একটি মানচিত্র।

গল্পটা একটি দরাজ কণ্ঠেরও। যে কণ্ঠে ছিলো হুঁশিয়ারী, ছিলো প্রতিবাদ, রণ-হুংকার ছিলো ভাষার প্রতি গভীর টানও। কণ্ঠের তালে একটি তর্জনীর তরজমাও আছে এইখানে। শাসন আর ভাষণের রঙে যে আঙুলে ছিলো পরাধীনতার শেকল ভাঙার গান।

শুধুই কি তাই একজোড়া পায়ের পদচিহ্ণও ছিলো এই ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের গল্পে যে পথচলা থামাতে পারেনি কারাগারের রোজনামচাও।

সবকিছু মিলিয়ে গল্পটা আদতে আপাদমস্তক একজন মানুষের একজন নেতার একজন পিতার। যাকে ভালোবাসা যায় শ্রদ্ধা করা যায় কল্পনার প্রতিটি রঙে যাকে আলিঙ্গন করা যায়।

যদিও সেই চোখ এখন চিরদিনের ঘুমে নিস্প্রাণ ঝুলছে সাদাকালো পঙ্তিমালা পাদুকার শূণ্যস্থানেও নেই পূর্ণতার পদযুগল। কান্নার বিষাদে এক ১৫-ই আগষ্ট যে কেড়ে নিয়েছিলো ১৭ মার্চের আনন্দের কান্না।

তাই বলে থেমে নেই সেই গল্পের চলন, থেমে নেই সেই স্বপ্নের উড়ানও। বরং ৫০ বছরের ইতিহাসে মৃত্যুঞ্জয়ী সেই প্রাণ হয়ে উঠেছেন শতবর্ষী বটবৃক্ষ।

তবে জিজ্ঞাসা প্রজন্মের আঙুলে কতোটা মিশে আছে সেই আঙুল? কিংবা সেই চোখের দেখা স্বপ্নের অসম্পূর্ণ রঙ কি ছুঁয়েছে প্রজন্মের চোখ? আর নতুনের কণ্ঠ কতোটাইবা হয়ে উঠেছে সেই সোচ্চার কণ্ঠ?

নতুন এই প্রজন্ম বলছে, সেই দয়ারজ কন্ঠস্বর আসলে এখনকার প্রজন্মের মধ্যে নেই। আমাদের প্রজন্ম তাঁকে ধারন করছে, লালন করছে তবে পালনের ক্ষেত্রটা নেই বললেই চলে। যদিও আমরা আশাবাদী যে আমাদের এই প্রজন্মের কাছে সেই ক্ষমতাটুকু আছে যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে সোনার বাংলা গড়ে তোলা।

শুধু শতবছর পেরিয়ে নয় হাজার বছর পেরিয়েও বঙ্গবন্ধু বেঁচে রইবেন তাঁর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতেই। কারণ বঙ্গবন্ধু যে তাঁর স্বপ্নের চেয়েও বড়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর