channel 24

সর্বশেষ

  • জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড পেলো ভূমি মন্ত্রণালয়

  • পুলিশ-চিকিৎসকসহ দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল

  • করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা যাবে ১ মিনিটেই!

  • করোনা থেকে বাঁচতে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম: প্রধানমন্ত্রী

  • সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও রেল ও নৌপথে যাত্রী কম

  • বরিশালে ইমামকে জুতার মালা পরিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা

  • করোনায় অনিশ্চিত এ বছরের হজযাত্রা

  • করোনায় মারা গেছেন রানা প্লাজার মালিক আব্দুল খালেক

  • যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা: ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ গঠন

  • অর্থ সহায়তায় ও চাল বিক্রিতে অনিয়ম: এ পর্যন্ত ৮৭ ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য বরখাস্ত

  • করোনায় প্রাণ গেল আরও এক পুলিশ সদস্যের

  • এএসপির বিরুদ্ধে নির্যাতন আর যৌতুকের অভিযোগ স্ত্রীর

  • পায়ের পেশির ইনজুরিতে লিওনেল মেসি

  • আম্পানে পটুয়াখালীতে ক্ষতিগ্রস্থ ৬ হাজার মাছের ঘের

  • সব বাধা পেরিয়ে চিকিৎসক হতে চায় হতদরিদ্র পরিবারের ছেলে মাসুদ

মায়ের কাছেও কতোটা নিরাপদ সন্তান?

মায়ের কাছেও কতোটা নিরাপদ সন্তান?

মায়ের কাছে কতোটা নিরাপদ সন্তান? সাম্প্রতিক ডজনখানেক লোহমর্ষক ঘটনায় অবান্তর এই প্রশ্নই এখন, বাস্তবতা। যাতে পারিবারিক কলহের বলি হচ্ছেন, শিশুরা। মনোবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষকরা বলছেন, পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয় আর গৃহিনীর নিষঙ্গতায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে এই অপরাধ।

সন্তানের কাছে মায়ের কোল পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ স্থান।

তবে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা আর পরিসংখ্যান যেন বলছে, উল্টো কথা। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গেল দুই বছরে দুই ডজনের বেশি শিশু হত্যার শিকার হয়েছেন, নিজ মায়ের হাতে।

এই যেমন, ২০১৭ সালের ৪ নভেম্বর, রাজধানীর বাড্ডায় প্রেমিককে সাথে নিয়ে, শিশু সন্তান নূসরাত ও তার বাবা জামিলকে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করেন, মা আরজিনা। এর কিছুদিন পর মিরপুরের পাইকপাড়ায় দুই সন্তান হিমি ও হামিকে প্রথমে বিষ দিয়ে, পরে নির্মমভাবে হত্যা করেন, মা জেসমিন।

শুধু সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুঃচিন্তায় বনশ্রীতে অরনী ও আলভী নামে দুই সন্তানকে নিজ হাতে শ্বাসরোধে হত্যা করেন মা। উত্তরায় এক বছরের শিশু নেহালকে হত্যার পর, মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা কিংবা সবশেষ গোড়ানে দুই সন্তান হত্যা করে নিজের শরীরেই আগুন দেন মা পপি।

কেন এমন নিষ্ঠুরতা? উত্তরে মনোবিজ্ঞানের এই অধ্যাপক বলছেন, যৌথ পরিবারের জায়গা নিয়েছে একক পরিবার। যাতে নিষঙ্গতা কুড়ে কুড়ে খায় গৃহিনীদের।

সমাজকর্মী নেহাল করিম বলেন, এমন একটি মানসিক চাপে ছিল যে কারণে সন্তানদেরকে মেরে প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছে মনে করছে। সেটা স্বামী-শাশুরির ক্ষেত্রেও হতে পারে।

মানবাধিকারকর্মী নূর খানের মতে, সামাজিক মূল্যবোধের জায়গাটিও আগের চেয়ে এখন অনেকটাই দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। যাতে বাড়ছে পরকীয়ার মতো ব্যাধি।

জীবন যতই ব্যস্ত হোক, পরিবারকে যথোপযুক্ত সময় দেয়া, পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থা বাড়ানো এবং সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা বাড়ালে, এই সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্ত থাকা সম্ভব বলে মনে করেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর