channel 24

সর্বশেষ

  • জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড পেলো ভূমি মন্ত্রণালয়

  • পুলিশ-চিকিৎসকসহ দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল

  • করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা যাবে ১ মিনিটেই!

  • করোনা থেকে বাঁচতে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম: প্রধানমন্ত্রী

  • সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও রেল ও নৌপথে যাত্রী কম

  • বরিশালে ইমামকে জুতার মালা পরিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় মামলা

  • করোনায় অনিশ্চিত এ বছরের হজযাত্রা

  • করোনায় মারা গেছেন রানা প্লাজার মালিক আব্দুল খালেক

  • যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা: ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ গঠন

  • অর্থ সহায়তায় ও চাল বিক্রিতে অনিয়ম: এ পর্যন্ত ৮৭ ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য বরখাস্ত

  • করোনায় প্রাণ গেল আরও এক পুলিশ সদস্যের

  • এএসপির বিরুদ্ধে নির্যাতন আর যৌতুকের অভিযোগ স্ত্রীর

  • পায়ের পেশির ইনজুরিতে লিওনেল মেসি

  • আম্পানে পটুয়াখালীতে ক্ষতিগ্রস্থ ৬ হাজার মাছের ঘের

  • সব বাধা পেরিয়ে চিকিৎসক হতে চায় হতদরিদ্র পরিবারের ছেলে মাসুদ

পয়োঃবর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট বসানোর উদ্যোগ

পয়োঃবর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট বসানোর উদ্যোগ

ঢাকার পয়োঃবর্জ্যের বেশিরভাগই ফেলা হয় নদীতে। যাতে বাড়ছে দূষণ। তাই পয়োঃবর্জ্য পরিশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নদীগুলোর সাথে যুক্ত সুয়ারেজ ও ড্রেনেজ লাইনগুলোর মুখে বসানো হচ্ছে, ওয়েস্ট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। প্রাথমিকভাবে এটি চালু হবে, ১৭ মার্চ। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে সফলতা মিললে, আগামীতে সব লাইনের মুখে বসানো হবে এটি।

ঢাকা। নদীবেষ্টিত এই জনপদকে ভৌগলিক অবস্থানের কারণেই বাংলার রাজধানী বানিয়েছিলো মোঘল সাম্রাজ্য।

প্রকৃতির এই অপার দান দখল দূষণে এখন ময়লার ভাগাড়। ঘুটঘুটে কালো পানির উৎকট গন্ধই যেন নিয়তি রাজধানীবাসীর।

মানুষকে এই কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে অনেক দেরিতে হলেও নতুন একটি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় প্রাথমিকভাবে দুটি পাইপের মুখে বসানো হচ্ছে ওয়েস্ট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট।

বলা হচ্ছে, এটি হবে সম্পূর্ণ বায়োলজিক্যাল পরিশোধন ছাকনি। লাগবে না বাড়তি কোনো জ্বালানিও। বছরে এর পরিচালন ব্যয় খুবই কম। প্রতিটি নির্মাণে খরচ হবে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার মতো।

বর্তমানে বুড়িগঙ্গার পানিতে কোনো জলজ প্রাণের অস্তিত্ব নেই। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পদ্ধতিতে পরিশোধিত পানি হবে পরিষ্কার, বাঁচবে জলজ প্রাণও।

প্রধান গবেষক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, এই মডেলটা যদি আমরা সমগ্র ঢাকাতে কাজে লাগাই তবে ২বছরের মাথাতেই আমরা ঢাকাতে এমন পানি পাব যেখানে মাছ থাকবে, থাকবে জলজ উদ্ভিদও। মানুষ গোসল করতে পারবে, সাথে নিত্য প্রয়োজনেও ব্যবহার করতে পারবে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা যদি এই পাইলট প্রকল্পে সফলতা পাই তাহলে আমাদের প্রায় ২০০টির মত উৎসমুখ আছে সেগুলোতেও আমরা এই ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

গবেষণার তথ্য বলছে, প্রতিদিন প্রায় দেড় মিলিয়ন কিউবিক লিটার পয়োবর্জ্য উৎপন্ন হয় রাজধানীতে। যার মধ্যে ১ দশমিক ৩ মিলিয়ন পয়োবর্জ্য যায় নদীতে।

গেলো দেড় বছরে ঢাকার নদীর জায়গা হয়তো ফেরত আসছে তবে ঢাকার নদীর যে কালো পানি সেই কালো পানি আসলে কবে পরিষ্কার হবে। এরমধ্যে সরকার একটি উদ্যোগ নিয়েছে দুটি সুয়ারেজ লাইনের মধ্যে ট্রিট্মেন্ট প্লান্ট বসানো হচ্ছে যেখানে দেখানো হয়েছে যে নদীর কালো পানি যা পরিষ্কার হচ্ছে পরিশোধনের ফলে। এবং এটি যদি সত্যি বাস্তবায়ন করা যায় তাহলে নদীর যে চিত্র সে চিত্র পাল্টে যাবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর