channel 24

সর্বশেষ

  • কাজ না থাকায় বিপাকে সুনামগঞ্জের ৩ শতাধিক ভিডিওগ্রাফার

  • 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ভারতের গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে

  • করোনার চেয়ে বেশি মানুষ মারা যেতে পারে অনাহারে: অক্সফামের সতর্কতা

  • রংপুরে ৯৩ হাজার হতদরিদ্র পরিবার পায়নি প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার

  • করোনাকালে স্বাস্থ্যখাতের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি রিজেন্ট কাণ্ড

  • বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের ওপর ইতালির নতুন নিষেধাজ্ঞা

  • নেপালে বন্ধ ভারতের সব টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার

  • চট্টগ্রামে হাসপাতাল বিমুখ রোগীরা

  • দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে বাবা-ছেলেসহ ৮ জনের মৃত্যু

  • কোয়ারেন্টিনে ইতালি ফেরত ১৪৭ বাংলাদেশি, রাখা হয়েছে হজ ক্যাম্পে

  • করোনায় মারা গেছেন সাহেদের বাবা

  • সাহারা খাতুন মারা গেছেন

  • পশ্চিমবঙ্গের ক্যান্টনমেন্টে কড়া লকডাউন শুরু

  • ভেঙে ফেলা হচ্ছে স্মৃতি বিজড়িত এফডিসির ৩ ও ৪ নম্বর ফ্লোর

  • ইংল্যান্ডের সাথে টেস্ট সিরিজ বাতিল করতে যাচ্ছে বিসিসিআই

মানবপাচারে ধরাছোঁয়ার বাইরে রাঘববোয়ালরা

মানবপাচারে ধরাছোঁয়ার বাইরে রাঘববোয়ালরা

কাজের জন্য বিদেশে গিয়ে অথবা যাওয়ার আগেই প্রতারিত হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, বিভিন্ন সময় দালাল চক্রকে ধরা হলেও, বিদেশে বসে যারা কলকাঠি নাড়ে, তারা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। আর বিশ্লেষকরা বলছেন, মানুষের অসচেতনতা ও বিদেশ যেতে আগ্রাসী মনোভাবের সুযোগ নিচ্ছে মানবপাচারকারীরা।

ঠিকঠাক চলছিল সবকিছু, হঠাৎ সব পাল্টে গেলো পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে। বেঁচে ফিরতে বাড়ি থেকে যে টাকার যোগান দেয়া হয়েছিল, দেশে ফিরে সেই ঋণ শোধ করতে বেঁচতে হয়েছে কিডনি। বলছি ইলিয়াস হাওলাদারের কথা, পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে কি অমানবিক নির্যাতন তাঁকে সহ্য করতে হয়েছিল সেই বিবরণীতে তিনি বলেন, মারতে মারতে পিঠে ঘা হয়ে গেল। এরপরে তাঁরা ইস্ত্রি গরম করে ছ্যাকা দিয়ে বাড়িতে ফোন দিত।

সমুদ্রপথে বিদেশ যাবার গল্পটাও কম ভয়ঙ্কর নয়। মেহেরপুর থেকে মালয়েশিয়া যাবার পথে বিক্রি হতে হয় কমপক্ষে ১০ বার। পদে পদে বেড়ে যায় টাকার অংকটাও।

২০১৮ সালের এক প্রতিবেদন বলছে, দুই কোটিরও বেশি মানুষ পাচারের শিকার হয়েছে, এতে পাচার চক্রের আয় ১১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদেশ যেতে আগ্রাসী মনোভাব ও অসচেতনতাসহ বেশ কিছু কারণে বাংলাদেশ থেকে এই পাচার থামানো যাচ্ছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের সবশেষ টিআইপি প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান বেশ শঙ্কাজনক। এর মাঝে যোগ হয়েছে রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ছেড়ে পালিয়ে যাবার প্রবণতা; তাই, বর্তমানে মানব পাচার রোধ বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

ব্রাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, নতুন করে যে আতঙ্কটা আমাদের যুক্ত হয়েছে সেটা হল ২০১৭ সালে মায়ানমার থেকে প্রাউ ৭লাখ রোহিঙ্গা আমাদের দেশে চলে আসে, আমাদের সমুদ্রের উপর দিয়ে মালয়শিয়ে যেতে গিয়ে ১৫জন মারা গিয়েছে। তো এটা একটা নতুন আতঙ্ক।

পাচারকারীদের বিচারের আওতায় আনতে রয়েছে নানা বাধা বিপত্তিও। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মেলে না সহযোগিতা, তেমনি চক্রের মূল হোতারা বিদেশ থাকায়, রয়ে যায় ধরাছোয়ার বাইরে।

সিআইডির ওর্গানাইজ ক্রাইমের ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, আমরা ইনভেস্টিগেশনের এক পর্যায়ে গিয়ে দেখি যে, দেশে যারা আছেন, তাঁরা মূলত দালাল। আর যারা গডফাদার তাঁরা কিন্তু থাকে দেশের বাইরে। তো দেশের বাইরে থেকে তাঁদের ফিরিয়ে আনাটা একটা জটিল প্রক্রিয়া। যদিও সেখান থেকেও তাঁদের ধরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করি আমরা।

তবে এরই মধ্যে প্রায় ৫০০ পাচারকারীর তালিকা প্রস্তুত করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। চলছে বিস্তারিত অনুসন্ধান। সেইসাথে মানব পাচার রোধে বাংলাদেশের সাথে কাজ করছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাও।

আইওএমের মিশন প্রধান বলেন, সরকারের সাথে মিলে আমরা সাধারণ মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করছি মানব পাচার কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে একটি মানুষের জন্য। শিশু পাচার, নারীকে যোন কর্মী হিসেবে ব্যবহার, এবং অভিবাসনের নামে শ্রমিকদের উপর অত্যাচার সব কিছুই করে থাকে মানবপাচারকারীরা।

মানবপাচার রোধে সব থেকে বেশি ব্যবহৃত হয় সমুদ্র পথ। তাই সেদিকেই নজর বাড়ানোর পরামর্শ বিদেশী এই বন্ধুর।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর