channel 24

সর্বশেষ

  • দিল্লির বেশকিছু এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

  • শনিবার নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশ নারী দল

  • ওয়ানডে সিরিজের জন্য প্রস্তুত সিলেট, বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের অনুশীলন

  • ফুটবল ফেডারেশন নির্বাচন ২০ এপ্রিল

  • চসিক নির্বাচনের দিন অফিস খোলার রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে: ইসি রফিকুল

  • মগবাজার দিলু রোডে আগুনে দগ্ধ দুজনের অবস্থা সংকটাপন্ন

  • রক্তপাত না বাড়িয়ে সমস্যার দ্রুত সমাধান করবে ভারত; আশা কাদেরের

  • কক্সবাজারে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ নিয়ে ভোগান্তিতে ক্ষতিগ্রস্তরা

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে দুশ্চিন্তায় আম চাষীরা

  • দোষারোপের রাজনীতিতে মেতে আছেন ভারতের রাজনীতিকরা

  • ব্রেক্সিট বাণিজ্য চুক্তি আলোচনায় যুক্তরাজ্যের প্রস্তাবে ইইউ'র সম্মতি

  • করোনাভাইরাসের প্রভাবে ধস নেমেছে বিশ্ব পুঁজিবাজারে

  • প্রযুক্তি পণ্যের বাজারেও করোনাভাইরাসের প্রভাব

  • রাজধানীতে ১২তম এশিয়া ফার্মা এক্সপো শুরু

  • শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন নিয়ে সরকার ভাবছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

যার টাকা চুরি তার নামেই দুদকের মামলা!

যার টাকা চুরি তার নামেই দুদকের মামলা!

লক্ষ্মী রানী দাস, মাসিক ১ হাজার টাকা করে ১০ বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা সঞ্চয় করেছিলেন সোনালী ব্যাংক বাগেরহাট শাখায়। মেয়াদ শেষে লাভসহ পাওয়ার কথা ২ লাখ। সেই আমানত ভাঙার আগে ১ লাখ টাকা লোন তুলে সেটা পরিশোধও করেছেন। তারপরও ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে।

অনুসন্ধান বলেছে, ছেলেকে বিদেশে পাঠাতে ব্যাংক থকে  ১ লাখ টাকা লোন নিলেও কাগজে দেখানো হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এই ঘটনা ঘটেছে সোনালী ব্যাংক বাগেরহগাট শাখায়।

সফ্টওয়ারে নাম পরিবর্তন করে সঞ্চয়ী হিসাবে আমানতের স্থিতি বেশি দেখিয়ে অভিনব কায়দায় এই লোন করা হয়েছে। ২০১২ থেকে ২১০৫ সাল পর্যন্ত তিন বছরে প্রায় ২শ একাউন্টের বিপরীতে জালিয়াতির মাধ্যমে ওডি লোন তৈরি করে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

পুরো জালিয়াতির মুল হোতা ছিলেন সোনালী ব্যাংক বাগেরহাটের ঋণ শাখার প্রধান মাহফুজুর রহমান। এর বাইরে ৩ ম্যানেজার- মাহতাব উদ্দিন, মজিবুর রহমান এবং দেবব্রত বিশ্বাসসহ ঋণ সংশ্লিষ্ট অফিসারদের কর্তব্যে অবহেলার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে ব্যাংকের তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে।
 
সোনালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ২টি মামলা করেছে দুদক। একটির তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা অফিসের সহকারী পরিচালক আবুল হাসেম কাজি। যার তদন্তে ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তা এবং ১২ জন সাধারণ গ্রাহক আসামি হয়েছেন এবং অন্য মামলার বাদি উপপরিচাল নাজমুল হাসান। যার মামলার আসামি ২ ব্যাংক কর্মকর্তা।

সোনালী ব্যাংকের এই অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় দুদকের মামলার কারণে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরও ৪ বছর ধরে জব্দ রয়েছে প্রায় ২শ সঞ্চয়ী একাউন্ট আর আদালতের বারান্দায় দিন কাটছে সাধারণ গ্রাহকরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর