channel 24

সর্বশেষ

  • ঈদের তৃতীয় দিনেও বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ছিল লোকসমাগম

  • মুগদা হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকার ব্যয়ের বিষয়ে জানতে চায় দুদক

  • করোনার সমাধান সহজে নাও মিলতে পারে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

  • কষ্টে বেঁচে আছেন বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষ, বাড়ছে পানিবাহিত রোগ

  • সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিএনপির বিবৃতি

  • কক্সবাজারে সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহত: তদন্ত কমিটি কাল থেকে কাজ শুরু করবে

  • নিদিষ্ট সময়ে কোরবানির পশুর বর্জ্য পরিষ্কারে খুশি নগরবাসী

  • দাম না পেয়ে রাস্তায় চামড়া ফেলে দিলেন ব্যবসায়ীরা

  • ঈদ যাত্রায় করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে; আশঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

  • চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ হয়েছে তিনলাখ

  • বর্জ্য অপসারণে এবার স্বস্তি মিলেছে চট্টগ্রাম মহানগরীতে

  • মেধা আর অদম্য শক্তিতে সংসারের হাল ধরলেন বিরল রোগে আক্রান্ত ফাহিমুল

  • নতুন মৌসুমে নেইমার ও মার্তিনেজকে কিনবে না বার্সেলোনা

  • ডিএনসিসির প্রতিটি এলাকা, শতভাগ বর্জ্যমুক্ত ঘোষণা

  • করোনায় দেশে আরও ৩০ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৩৫৬

যার টাকা চুরি তার নামেই দুদকের মামলা!

যার টাকা চুরি তার নামেই দুদকের মামলা!

লক্ষ্মী রানী দাস, মাসিক ১ হাজার টাকা করে ১০ বছরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা সঞ্চয় করেছিলেন সোনালী ব্যাংক বাগেরহাট শাখায়। মেয়াদ শেষে লাভসহ পাওয়ার কথা ২ লাখ। সেই আমানত ভাঙার আগে ১ লাখ টাকা লোন তুলে সেটা পরিশোধও করেছেন। তারপরও ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে।

অনুসন্ধান বলেছে, ছেলেকে বিদেশে পাঠাতে ব্যাংক থকে  ১ লাখ টাকা লোন নিলেও কাগজে দেখানো হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এই ঘটনা ঘটেছে সোনালী ব্যাংক বাগেরহগাট শাখায়।

সফ্টওয়ারে নাম পরিবর্তন করে সঞ্চয়ী হিসাবে আমানতের স্থিতি বেশি দেখিয়ে অভিনব কায়দায় এই লোন করা হয়েছে। ২০১২ থেকে ২১০৫ সাল পর্যন্ত তিন বছরে প্রায় ২শ একাউন্টের বিপরীতে জালিয়াতির মাধ্যমে ওডি লোন তৈরি করে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

পুরো জালিয়াতির মুল হোতা ছিলেন সোনালী ব্যাংক বাগেরহাটের ঋণ শাখার প্রধান মাহফুজুর রহমান। এর বাইরে ৩ ম্যানেজার- মাহতাব উদ্দিন, মজিবুর রহমান এবং দেবব্রত বিশ্বাসসহ ঋণ সংশ্লিষ্ট অফিসারদের কর্তব্যে অবহেলার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে ব্যাংকের তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে।
 
সোনালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ২টি মামলা করেছে দুদক। একটির তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা অফিসের সহকারী পরিচালক আবুল হাসেম কাজি। যার তদন্তে ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তা এবং ১২ জন সাধারণ গ্রাহক আসামি হয়েছেন এবং অন্য মামলার বাদি উপপরিচাল নাজমুল হাসান। যার মামলার আসামি ২ ব্যাংক কর্মকর্তা।

সোনালী ব্যাংকের এই অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় দুদকের মামলার কারণে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরও ৪ বছর ধরে জব্দ রয়েছে প্রায় ২শ সঞ্চয়ী একাউন্ট আর আদালতের বারান্দায় দিন কাটছে সাধারণ গ্রাহকরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর