channel 24

সর্বশেষ

  • আজ থেকে খোলাবাজারে চলছে টিসিবির পণ্য বিক্রি

  • স্বর্ণ আমদানি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

  • ৮৭ দিন পরে সীমিত পরিসরে চালু রাইড শেয়ারিং সার্ভিস

  • করোনায় অসহায় জীবন কাটাচ্ছেন দেশে ফেরা প্রবাসী কর্মীরা

  • বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার সিদ্ধান্তে বিপাকে লাখো শিক্ষার্থী

  • ফেসবুক কথোপকথনে ভরসা করে প্রায় আট লাখ টাকা খোয়ালেন ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি

  • করোনায় বিশ্বে আক্রান্ত এক কোটি ২৬ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি

  • শেষ পর্যন্ত জনসম্মুখে মাস্ক পরলেন ট্রাম্প

  • উত্তরাঞ্চলে পানিবন্দি লাখো মানুষ

  • পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জ

  • করোনায় আক্রান্ত অমিতাভ বচ্চন

  • পাপুলকাণ্ডে গ্রেপ্তার কুয়েতের সেনা কর্মকর্তা

  • রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি সম্পর্কে জানা ছিল না: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ

  • লাভের আশায় গরু পালন করে দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারীরা

নামের মিলে মামলার বেড়াজালে মাদ্রাসাছাত্র খোরশেদ

নামের মিলে মামলার বেড়াজালে মাদ্রাসাছাত্র খোরশেদ

দুজনের নামই খোরশেদ। একজন নারায়ণগঞ্জ শহর ছাত্রশিবিরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। আরেকজন জেলার রামনগরের মাদ্রাসাছাত্র। নামের মিল থাকায়, ৭/৮ বছর আগে, আটটি মামলা হয়, মাদ্রাসাছাত্র খোরশেদের বিরুদ্ধে। সেসময় গ্রেপ্তার খোরশেদ যে, শিবিরের খোরশেদ নয়, আদালতে দেয়া হয় সে প্রতিবেদনও। তারপরও মামলার বেড়াজাল থেকে মুক্তি মিলছে না খোরশেদ আলমের। আর সাত বছরেও প্রকৃত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

নামে নামে যমে টানে। কেবল নামের মিল থাকায় নারায়ণগঞ্জে এক খোরশেদের বদলে, মামলার বেড়াজালে আরেক খোরশেদ।

২০১৩ সালের জেলার বক্তাবলী আলিম মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন খোরশেদ আলম। বাবার নাম আসাদুল্লাহ। নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্র শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মনে করে ওই বছর তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এখন জামিনে থাকলেও রেহাই মেলেনি মামলা থেকে।

খোরশেদ আলম বলছেন, দায় সাড়া কাজের কারণে আজকে আমাকে জেল খাঁটতে হল। অথচ পুলিশ সুপার তখনই প্রতিবেদন দিয়েছিলেন যে এই খোরশেদ সেই খোরশেদ না।

এই খোরশেদ শিবির নেতা খোরশেদ নন, এমন প্রত্যায়নপত্র দিয়েছেন ফতুল্লা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকও।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নামের মিলের কারণে সাতবছর ধরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন নিরীহ খোরশেদ। তাঁরা বলেন, নামের মিলের কারণে তাঁর এই হয়রানি, জীবনটাই তাঁর নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এভাবে।

মামলার এজাহার ও চার্জশিটেও আসামির ঠিকানা হিসেবে দেয়া হয়েছে, নিরাপরাধ দাবি করা খোরশেদ আলমের ঠিকানা। পরিচয় দেয়া হয়েছে মহানগর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক। তার আইনজীবী আওলাদ হোসেন বলছেন, প্রকৃত রহস্য উন্মোচন না করেই অভিযোগপত্র দেয়ায় ভুগতে হচ্ছে তার মক্কেলকে।

মানবাধিকার কর্মীরাও দুষছেন পুলিশের দুর্বল তদন্ত আর গাফিলতিকেই। অ্যাডভোকেট এলিনা খান, চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেন, যখন আপনি তদন্তে যাচ্ছেন, এতগুলো কাগজপত্র দেখছেন তখন আর চার্জশীট দেওয়ার কতা আসে না, তাহলে তাঁরা কিসের তদন্ত করলেন।

ভবিষ্যতে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, এজন্য সতর্ক থাকার কথা বলছেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মনিরুল ইসলাম বলছে, আদালতের বিচারাধীন হওয়ায় এ বিষয়ে এখন আর তাদের কিছু করার নেই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর