channel 24

সর্বশেষ

  • গোল উৎসবে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করলো ম্যানসিটি

  • ৪০ দিনে ভার্চুয়াল আদালতে ৫৪ হাজার ৬৭৭ জনের জামিন

  • কুমিল্লা মেডিকেলে জ্বর-সর্দি ও শ্বাসকষ্টে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু

  • টেকনাফে বিজিবির সাথে 'বন্দুকযুদ্ধে' ১ রোহিঙ্গা নিহত

  • আজ থেকে খোলাবাজারে চলছে টিসিবির পণ্য বিক্রি

  • স্বর্ণ আমদানি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

  • ৮৭ দিন পরে সীমিত পরিসরে চালু রাইড শেয়ারিং সার্ভিস

  • করোনায় অসহায় জীবন কাটাচ্ছেন দেশে ফেরা প্রবাসী কর্মীরা

  • বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার সিদ্ধান্তে বিপাকে লাখো শিক্ষার্থী

  • ফেসবুক কথোপকথনে ভরসা করে আট লাখ টাকা খোয়ালেন ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি

  • করোনায় বিশ্বে আক্রান্ত এক কোটি ২৬ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি

  • শেষ পর্যন্ত জনসম্মুখে মাস্ক পরলেন ট্রাম্প

  • উত্তরাঞ্চলে পানিবন্দি লাখো মানুষ

  • পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জ

  • করোনায় আক্রান্ত অমিতাভ বচ্চন

বিদেশে পদে পদে প্রতারিত বাংলাদেশি শ্রমিকরা, সঠিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার তাগিদ

বিদেশে পদে পদে প্রতারিত বাংলাদেশি শ্রমিকরা, সঠিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার তাগিদ

মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া অনৈতিক ও অস্বচ্ছ হওয়ায়, একদিকে যেমন খরচ বাড়ছে, তেমনি প্রতারিত হচ্ছেন শ্রমিকরা। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং নৈতিক মান বজায় রাখার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

দুবাই-এ প্রথমবারের অভিজ্ঞতা থেকে দ্বিতীয়বার ওমানে কাজ করতে গিয়েছিলেন মুন্সিগঞ্জের শিবপুরের তুহিন কবির। কিন্তু বিধিবাম। অতীতের দুবাই-এর সুখকর অভিজ্ঞতার সাথে মিল তো নেই, বরং প্রতি পদে পদে বঞ্চনার শিকার হন তিনি।

ছয় মাস কাজ করার পরও বেতন জুটেনি, নিয়মিত যোগাযোগ ছিলো না পরিবারের সাথে, সব মিলিয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়েন তুহিন কবির। তিনি বলেন, চুক্তি অনুযায়ী কোনকিছুই ছিল না, বেতন ছিল না। ইলিক্ট্রিকাল কাজে নিয়ে আমাকে অন্যান্য অনেক কাজ করিয়েছে। বেতন দিত ৩-৪মাস পরে পরে।

তুহিনের বড় ভাই বলেন, ঋণের বোঝা নিয়ে তুহিন দেশেও আসতে পারছিল না, পরে বলে আগে ঋণ পরিশোধ করে নেই তারপর দেশে আসবো।

শুধু তুহিন কবির নয়, গেল প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে যারাই বিদেশে কাজ করতে গিয়েছেন, প্রায় সবারই নিয়োগ নিয়ে জটিলতার মুখে পড়তে হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনের চেয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের নিয়োগে খরচ হয় তিন থেকে চার গুণ বেশি।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, বাংলেদেশ থেকে বিদেশে কাজ নিয়ে যাওয়ার খরচ পৃথিবীর মধ্যে সব থেকে বেশি। এবং তাঁর আয় পৃথিবীর মধ্যে সব থেকে কম। ভিসা কেনা বেচা যে আমাদের হয় সেটার ক্ষেত্রে এখানে আসার আগেই সৌদি-আরব বা কাতারে ভিসা কেনাবেচা হয়ে গেছে, যার কারণে একজন ভারতীয় বা শ্রীলঙ্কান যেখানে যাচ্ছেন ৫০-৬০হাজার টাকায় সেখানে একজন বাংলাদেশী ৩ থেকে ১০ লাখ পর্যন্ত যাচ্ছে।

অভিবাসন ও শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির বলেন, ২০১৩এর যে অভিবাসন আইন সেখানে একটু বিবেচনা করা, আমি যদি মনে করি একজন দালালকে আমি রেজিষ্টেশনের আওতায় আনবো না, কিন্তু তাদেরকে আমরা কি করে নিয়ন্ত্রন করবো। নিয়ন্ত্রণের একটা প্রক্রিয়া তো নিষচিত করতে হবে। নইলে দেখা যাচ্ছে মানুষ সরকারের কাছে আস্থা না পেয়ে ঐ দালালের কাছেই চলে যাবে।

বিদেশে কাজ করতে যাওয়া কর্মীদের নৈতিক নিয়োগ নিয়ে কাজ করছে, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা। এরই মধ্যে ঢাকার দুটি রিক্রটিং এজেন্সির সাথে শুরু করেছে পাইলট প্রকল্পও।

আইওএম এর ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার নির্ভানা মুজতবা বলেন, বিদেশে কাজ করতে যাওয়া কর্মীরা কোন একটা জায়গায় গিয়ে তাঁর কথা বলা বা কোন অভিযোগ নিরাপদভাবে করতে পারবে সেই জায়গাটা আমাদের নেই। ঐটার জন্য আমরা প্রাইভেট সেকটরের সাথে কথা বলছি যাতে এই সমস্যার সমাধান করতে পারি।

অভিসান খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু সরকার, রিক্রটিং এজেন্সি কিংবা উন্নয়ন বেসরকারি সংস্থার একার পক্ষে সম্ভব নয় এই দুর্দশার চিত্র বদলানো। এ জন্য যারা বিদেশ যেতে চান, তাদের সচেতন হতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর