channel 24

সর্বশেষ

  • এইচপি দলের শ্রীলঙ্কা সফর বাতিল হওয়ায় বিকল্প পথে বিসিবি

  • ব্যাটিং পরামর্শকের দায়িত্ব নিচ্ছেন না ম্যাকমিলান

  • আমদানির খবরে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম

  • আজ শুরু আইপিএলের ১৩তম আসর

  • নড়াইলে কিশোরীদের মনোজগতের পরিবর্তনে কাজ করছে আত্মশুদ্ধি কেন্দ্র

  • ভারতে আল-কায়েদার ৯ সদস্য আটক

  • চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের দাম নিন্মমুখী

  • গত সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ১১'শ কোটি টাকার বেশি

  • মহামারিতে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ক্ষতি প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা

  • করোনায় জামদানি ব্যবসায়ীদের নাকাল অবস্থা

  • মানবসম্পদ সূচকে ১২৩তম অবস্থানে বাংলাদেশ

  • অসাধারণ জয়ে আসর শুরু করলো বায়ার্ন মিউনিখ

  • আল্লামা আহমদ শফীর জানাজা সম্পন্ন

  • নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ: তিতাসের বরখাস্ত আট কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

  • সীমান্তে পাঁচ দিন আটকে থাকার পর ঢুকছে ভারতীয় পেঁয়াজ

গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে দরকার সমন্বিত ব্যবস্থা

গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে দরকার সমন্বিত ব্যবস্থা

গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তাদের মূল বাজার ব্যবস্থায় সম্পৃক্ত করতে, নেয়া হয়েছে সরকারি-বেসরকারি নানা উদ্যোগ। কিন্তু বাস্তবতা হলো প্রকল্প নির্ভর এসব উদ্যোগ, দীর্ঘমেয়াদে তেমন ফল বয়ে আনে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া হলে, নিশ্চিত করা যাবে নারীবান্ধব বিপনন ব্যবস্থা।

কৃষিনির্ভর অর্থনীতির এ দেশে, কৃষিকে যেমন উপেক্ষা করা যায় না, তেমনি অস্বীকারের  উপায় নেই এ খাতে নারীর অবদানও। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার ২০১৬ সালের জরিপ বলছে, দেশের ১ কোটি ২০ লাখ নারী শ্রমিকের, ৭৪ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে কৃষি সঙ্গে সম্পৃক্ত।

তবে বাস্তবতা হলো, বিদ্যমান বাজারব্যবস্থায় নারীর অংশগ্রহণ এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই, বাজারে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে ২০০১ সালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে, ৮ বছর মেয়াদী একটি প্রকল্প হাতে নেয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কিন্তু নানা কারণে তা দেখেনি, সাফল্যের মুখ।

কৃষিবিদ হামিদুর রহমান বলেন, প্রকল্পটির নাম ছিল নর্থ-ওয়েস্ট ক্রপ ডাইভারসিফিচাশন প্রজেক্ট। নারী-পুরুষ মিলিয়ে আমাদের যে প্রায় ৭টি গ্রোথ সেন্টারে ক্ররষকের বাজার একটা কর্ণার তৈরি করা হয় এবং সেখানে একটি দোকান মেয়েদের দ্বারা পরিচালিত হবে, সেই ধারণাটাও সেখানে পরীক্ষা করা হয়।

নারীবান্ধব বাজার নিশ্চিতে বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নিয়েছে নানা পদক্ষেপ। সম্প্রতি শেষ হয়েছে, অ্যাকশন এইডের তেমনই একটি প্রকল্প। দীর্ঘ মেয়াদে কতটা কাজে আসছে এসব উদ্যোগ?

কৃষিবিদ হামিদুর রহমান বলছেন, যখন এনজিওর সাপোর্ট থাকে তখন কর্মকান্ড থাকে প্রকল্প চলে। কিন্তু যখনই
এনজিওর সাপোর্ট চলে যায় তখন আর ওগুলো ওভাবে চলে না। আমরা চারটি এগরিমল করেছিলাম যা ছিল নারী বান্ধব। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত যখন প্রকল্প সহায়তা চলে গেছে সেগুলো আর তাঁর উদ্দেশ অনুযায়ি চলছে না।

অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান মনে করেন, সার্বিক বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নয়নই নিশ্চিত করতে পারে, একটি নারীবান্ধব বিপনন ব্যবস্থা।  

কৃষিভিত্তিক গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নিরাপদ বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে, সমন্বিত পরিকল্পনার তাগিদ দেন বিশ্লেষকরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর