channel 24

সর্বশেষ

  • নির্ধারিত সময়ে শ্রীলঙ্কা যাওয়া হচ্ছে না বাংলাদেশের

  • মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দর নির্মাণ প্রকল্পে জাপানি পরামর্শক নিয়োগ

  • চালের দাম বৃদ্ধিতে মিলারদের সিন্ডিকেট দায়ী, দাবি পাইকারি বিক্রেতাদের

  • গোপন বৈঠক ও ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই্, বিএনপিকে কাদের

  • দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছে জাবি'র দোকান মালিকরা

  • ঢাবি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নতুন নতুন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে: এ কে আজাদ

  • হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে চালু হল হিমঘর

  • ১ অক্টোবর থেকে সৌদি ও ওমান প্রবাসীরা দেশে ফিরতে পারবেন

  • 'মৃত কিশোরী'র জীবিত ফিরে আসার ঘটনা বিচারিক তদন্তের নির্দেশ

  • বান্দরবান পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে বাড়ছে পর্যটক, মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

  • আতঙ্ক নয়, সচেতনতাই করোনা প্রতিরোধে মুখ্য ভূমিকা রাখবে: তাপস

  • নির্বাচনে হারলেও শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চান না ট্রাম্প

  • টানা বৃষ্টিতে তিস্তাসহ কয়েকটি নদীর পানি বৃদ্ধি

  • প্রতি ভরিতে স্বর্ণের দাম কমলো ২৪৪৯ টাকা

  • নানা সংস্কারের ফলে পুঁজিবাজার নিয়ে সবার প্রত্যাশা বেড়েছে

এক নজরে ই-পাসপোর্ট

এক নজরে ই-পাসপোর্ট

বাংলাদেশে ‘ই-পাসপোর্ট বাস্তবায়ন ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় চার হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা। প্রকল্পমূল্যের মধ্যে জার্মানির ভেরিডোস জিএমবিএইচ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি তিন হাজার ৩৩৮ কোটি টাকার। কাস্টম ডিউটি, ভ্যাট ও এআইটি এক হাজার ২৪ কোটি টাকা। প্রকল্পের অন্যান্য খরচ ধরা হয় ২০৭ কোটি টাকা।

ভেরিডোস জিএমবিএইচ কোম্পানি তিন কোটি ই-পাসপোর্ট বুকলেট সরবরাহ করবে। সফটওয়্যার, হাডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক ১০ বছরের জন্য রক্ষণাবেক্ষণও করবে ভেরিডোস।

পাশাপাশি ঢাকায় নতুন স্বয়ংসম্পূর্ণ ডাটা সেন্টার, ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টার এবং অত্যাধুনিক পার্সোনালাইজেশন সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে। পার্সোনালাইজেশন সেন্টারে আটটি প্রিন্টিং মেশিন পুরোদমে কাজ করলে দিনে প্রায় ২৫ হাজারের বেশি পাসপোর্ট প্রিন্ট করা যাবে।

মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) প্রথম দুই পাতায় পাসপোর্টধারীর তথ্য থাকলেও ই-পাসপোর্টের দ্বিতীয় পাতাটি থাকবে একটি পালিমারের তৈরি কার্ডের মতো (এটিএম কার্ড-সদৃশ)। কার্ডে পাসপোর্ট বাহকের নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখসহ নানা মৌলিক তথ্য থাকবে। এছাড়া সেই কার্ডের ভেতরে একটি মাইক্রো চিপ থাকবে। যেখানে পাসপোর্ট বাহকের সব গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য ও ডাটাবেজ সংরক্ষিত (কিন্তু অদৃশ্যমান) থাকবে। ডাটাবেজে থাকবে পাসপোর্টধারীর তিন ধরনের ছবি, ১০ আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ।

দেশের ৭২টি পাসপোর্ট অফিস, বিদেশে ৮০টি মিশন, ৭২টি এসবি-ডিএসবি অফিস, ২২টি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টসহ সব অফিসে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে।

ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে একজন বিদেশগামী কারও সাহায্য ছাড়া নিজেই নিজের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন। পুরো প্রক্রিয়াটি এক মিনিটেরও কম সময়ে সম্পন্ন হবে। পৃথিবীতে এর চেয়ে নিরাপদ ও অত্যাধুনিক পাসপোর্ট এখন পর্যন্ত উদ্ভাবন হয়নি। বিশ্বের ১১৮টি দেশে এই পাসপোর্টের ব্যবহার রয়েছে।

বাংলাদেশের ১০০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জার্মানিতে নিয়ে সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে প্রকল্পে। প্রথম পর্যায়ে ২০ লাখ পাসপোর্ট দেয়া হবে।

পাসপোর্ট ও বহির্গমন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ বলছেন, নতুন এই পাসপোর্টে কমে আসবে দুর্নীতি কেন না ই-পাসপোর্ট জাল করা সম্ভব নয়।

২৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে ঢাকা শহরের বাসিন্দারা ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

বাংলাদেশে দুই ধরনের ই-পাসপোর্ট দেয়া হবে। একটি ৪৮ পাতার, অন্যটি ৬৪ পাতার। সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরির জন্য তিন ধরনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ পাসপোর্টের ফি ৩৫০০ টাকা, জরুরি পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা এবং অতি জরুরি সাড়ে সাত হাজার টাকা ফি দিতে হবে। এছাড়া ৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদের ক্ষেত্রে সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরি ফি যথাক্রমে পাঁচ হাজার, সাত হাজার ও নয় হাজার টাকা।

একইভাবে ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ পাসপোর্টের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, জরুরি সাত হাজার ৫০০ এবং অতি জরুরি বাবদ ১০ হাজার ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদের ক্ষেত্রে সাধারণ, জরুরি ও অতি জরুরি ফি যথাক্রমে সাত হাজার, নয় হাজার ও ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর