channel 24

সর্বশেষ

  • করোনাভাইরাসে প্রাণ গেছে আরো ১১৪ জনের, মোট ২১১৮

  • জার্মানিতে দুটি শিশা বারে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৮

  • ওয়েস্ট হ্যামকে ২-০ গোলে হারিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির জয়

  • ইউরোপা লিগে আজকের খেলা

  • চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন: আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী যারা

  • দিনাজপুরে গোলাগুলিতে ২ ডাকাত নিহত, আহত ৪ পুলিশ

  • টটেনহ্যামের মাঠে জয় লাইপজিগের

  • ভ্যালেন্সিয়াকে বিধ্বস্ত করলো আটালান্টা

  • কাল শুরু হচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

  • ফের স্বর্ণের দাম বাড়ায় হতাশ ক্রেতা-বিক্রেতারা

  • চট্টগ্রাম সিটিতে কাউন্সিলর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে আ.লীগ

  • অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

  • করোনা ভাইরাসে প্রাণহানি কিছুটা বেড়েছে, তবে কমেছে আক্রান্তের হার

  • 'বর্ণবাদের' অভিযোগ তিন সাংবাদিককে বহিষ্কার করলো চীন

  • ডাকঘর সঞ্চয়ের সুদহার পুনঃমূল্যায়নের চিন্তা করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

শখের বশে মেয়র প্রার্থী, প্রচারণায় হাসির খোরাক

শখের বশে মেয়র প্রার্থী, প্রচারণায় হাসির খোরাক

প্রচারণা আর নির্বাচনের মাঠ জুড়ে চোখে পড়ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ। সেই সাথে কাউন্সিলরও। অথচ দুই সিটিতে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন মোট ১৩ জন মেয়র প্রার্থী। কেউ কেউ ভোট আসলেই লড়াইয়ে নামেন, অথচ মাঠে তাদের দেখা নেই। তবুও নামের পাশে মেয়র পদের প্রার্থী।

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র পদে লড়ছেন ১৩ প্রার্থী। প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা যখন বিরামহীন প্রচারণায় ব্যস্ত তখন কি করছেন অন্য প্রার্থীরা।

এমনই এক মেয়র প্রার্থী- ঢাকা দক্ষিণের জাতীয় পার্টির সাইফুদ্দিন মিলন। মেয়র হিসেবে লড়েছেন এর আগেও ভোটে সাড়া পাননি তেমন, কিন্তু ঢাকা শহরে পোস্টারে তার মুখ দেখেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে যখন আওয়ামী লীগ- বিএনপির প্রার্থীরা ব্যস্ত নগরীর প্রধান সড়ক থেকে অলিগলি তখন সাইফুদ্দিন মিলনের দেখা মিললো লালবাগের নিজ বাসায়। ক্যামেরা নিয়ে হাজির হওয়াতেই যেন তার মনে পড়লো- প্রচারণায় নামতে হবে।

তিনি বলেন, আমার তো নির্বাচন করার কথা না। আমরা মহাজনের সাথে আলাপ আলোচনা করতেছিলাম, গতবার আমাদেরকে নির্বাচনের মাঝপথে বলছে বসে যাও কিন্তু আমি বসি নাই, কিন্তু এবার বসতে বলছে তাই বসলাম।
   
ছুটির দিনে সুনশান নীরব সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গণ। কিন্তু এই শূন্যতায়ও একজন মেয়রপ্রার্থী আকতারুজ্জামান ওরফে আয়তুল্লাহ হাত নাড়িয়ে দিচ্ছেন নানা আশ্বাস। গতবারের তার প্রতীক ছিলো লাউ। এবার ডাব। নতুন দল বাংলাদেশ কংগ্রেসের মেয়র প্রার্থী তিনি। মাঠের প্রচারণায় হয়তো নেই তবে স্বপ্ন তার এক মানবিক ঢাকার।  

তিনি বলেন, আপনাদের সেবার যে প্রাপ্তি তা শতভাগ পূরণ করতে হয়তো পারবো না তবে আমরা মনে হয় অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করতে সক্ষম হব।
 
মিলন আর আয়াতুল্লাহ মতো মেয়র নির্বাচনে অংশ নেয়া অনেকটা যাদের শখে পরিনত হয়েছে তাদের মতোই আরেকজন মেয়র প্রার্থী বাহারাইনে সুলতান বাহারকে পাওয়া গেলো দক্ষিণ সিটির তোপখানা রোডে। সকাল গড়িয়ে দুপুর, তবুও যেন মন টানে না গণসংযোগে। আক্ষেপ, গণমাধ্যম পাশে নেই, এই প্রচারণা মুল্যহীন।

তিনি বলেন, মিডিয়ের প্রচারণারও দরকার আছে।

আরেক মেয়রপ্রার্থী শাহীন খান জানেনই না তার নির্বাচনী এলাকার সীমানা। মুঠোফোনে যোগাযোগের পর রাজধানীর মৌচাক এলাকায় দেখা মিললো উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থী শাহীন খানের সাথে। ক্যামেরার সামনে যখন তিনি নিঃসঙ্গ নিজ প্রচারণায় ব্যস্ত হলেন, ততক্ষণে জানা গেলো এই এলাকাটি পড়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে।

তিনি বলেন, জনপ্রিয় হবার জন্যেই তো মেয়র নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। আমি শতভাগ আশাবাদী কারণ মানুষ পরিবর্তন চায়।

এই টানা তিন বার ঢাকা সিটিতে মেয়র পদে লড়ছেন আনিসুর রহমান দেওয়ান। এক সপ্তাহ পার হলেও এখনো তিনি শুরু করেননি নির্বাচনী প্রচার কাজ। তিনি বলছেন, নির্বাচন এগিয়ে আসার পরে যদি আমি মানুষের কাছে যায় তাহলে মানুষ আমাকে মনে রাখবে, তাইতো ২০ তারিখের পরে আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবো।

ব্যালটে নিজের নাম আর প্রতীক থাকবে- এটাই যেন পরম পাওয়া কোন কোন মেয়রপ্রার্থীর ক্ষেত্রে। কিন্তু সত্যিকার গণতন্ত্র চর্চায় কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারছেন তাঁরা?

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর