channel 24

সর্বশেষ

  • করোনা চিকিৎসায় 'হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন' দেওয়া বন্ধের পরামর্শ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

  • করোনার সম্মুখ যোদ্ধা গণমাধ্যমকর্মী ও পুলিশের ঈদ

  • বিষাদের ঈদ: নিম্নআয়ের অনেকের ঘরেই জ্বলেনি চুলা

  • একটু স্বস্তির খোঁজে শেষ বিকেলে রাজধানীর হাতিরঝিলে মানুষের ভিড়

  • করোনায় চিকিৎসক আর স্বাস্থ্যসেবীদের ঈদ কাটছে পরিবার ছাড়াই

  • হাঁটুপানিতে ঈদের নামাজ আদায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের

  • বৈশাখী টেলিভিশনের সিনিয়র সাংবাদিক অশোক চৌধুরী সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত

  • করোনা ভয় উপেক্ষা করেই সাবেক সংসদ সদস্য মকবুলের জানাজায় হাজারো মানুষ

  • খবর পেলেই করোনায় মৃতদের দাফন বা সৎকারে ছুটে যান কাউন্সিলর খোরশেদ

  • পবিত্র ঈদুল ফিতরে দুঃসময় কাটিয়ে সুদিন ফেরার প্রার্থনা

  • দেশে করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৯৭৫

  • কাজী নজরুল ইসলামের ১২১তম জন্মবার্ষিকী আজ

  • ঈদ আনন্দে বেদনার ছাপ; জামাতে মানা হয়নি শারীরিক দূরত্ব

  • ঈদেও কর্মব্যস্ত করোনার সম্মুখ যোদ্ধারা; স্বজনহারাদের হৃদয়ে বিষাদের সুর

  • ঈদের নামাজে সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু

শখের বশে মেয়র প্রার্থী, প্রচারণায় হাসির খোরাক

শখের বশে মেয়র প্রার্থী, প্রচারণায় হাসির খোরাক

প্রচারণা আর নির্বাচনের মাঠ জুড়ে চোখে পড়ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ। সেই সাথে কাউন্সিলরও। অথচ দুই সিটিতে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন মোট ১৩ জন মেয়র প্রার্থী। কেউ কেউ ভোট আসলেই লড়াইয়ে নামেন, অথচ মাঠে তাদের দেখা নেই। তবুও নামের পাশে মেয়র পদের প্রার্থী।

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র পদে লড়ছেন ১৩ প্রার্থী। প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা যখন বিরামহীন প্রচারণায় ব্যস্ত তখন কি করছেন অন্য প্রার্থীরা।

এমনই এক মেয়র প্রার্থী- ঢাকা দক্ষিণের জাতীয় পার্টির সাইফুদ্দিন মিলন। মেয়র হিসেবে লড়েছেন এর আগেও ভোটে সাড়া পাননি তেমন, কিন্তু ঢাকা শহরে পোস্টারে তার মুখ দেখেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে যখন আওয়ামী লীগ- বিএনপির প্রার্থীরা ব্যস্ত নগরীর প্রধান সড়ক থেকে অলিগলি তখন সাইফুদ্দিন মিলনের দেখা মিললো লালবাগের নিজ বাসায়। ক্যামেরা নিয়ে হাজির হওয়াতেই যেন তার মনে পড়লো- প্রচারণায় নামতে হবে।

তিনি বলেন, আমার তো নির্বাচন করার কথা না। আমরা মহাজনের সাথে আলাপ আলোচনা করতেছিলাম, গতবার আমাদেরকে নির্বাচনের মাঝপথে বলছে বসে যাও কিন্তু আমি বসি নাই, কিন্তু এবার বসতে বলছে তাই বসলাম।
   
ছুটির দিনে সুনশান নীরব সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গণ। কিন্তু এই শূন্যতায়ও একজন মেয়রপ্রার্থী আকতারুজ্জামান ওরফে আয়তুল্লাহ হাত নাড়িয়ে দিচ্ছেন নানা আশ্বাস। গতবারের তার প্রতীক ছিলো লাউ। এবার ডাব। নতুন দল বাংলাদেশ কংগ্রেসের মেয়র প্রার্থী তিনি। মাঠের প্রচারণায় হয়তো নেই তবে স্বপ্ন তার এক মানবিক ঢাকার।  

তিনি বলেন, আপনাদের সেবার যে প্রাপ্তি তা শতভাগ পূরণ করতে হয়তো পারবো না তবে আমরা মনে হয় অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করতে সক্ষম হব।
 
মিলন আর আয়াতুল্লাহ মতো মেয়র নির্বাচনে অংশ নেয়া অনেকটা যাদের শখে পরিনত হয়েছে তাদের মতোই আরেকজন মেয়র প্রার্থী বাহারাইনে সুলতান বাহারকে পাওয়া গেলো দক্ষিণ সিটির তোপখানা রোডে। সকাল গড়িয়ে দুপুর, তবুও যেন মন টানে না গণসংযোগে। আক্ষেপ, গণমাধ্যম পাশে নেই, এই প্রচারণা মুল্যহীন।

তিনি বলেন, মিডিয়ের প্রচারণারও দরকার আছে।

আরেক মেয়রপ্রার্থী শাহীন খান জানেনই না তার নির্বাচনী এলাকার সীমানা। মুঠোফোনে যোগাযোগের পর রাজধানীর মৌচাক এলাকায় দেখা মিললো উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থী শাহীন খানের সাথে। ক্যামেরার সামনে যখন তিনি নিঃসঙ্গ নিজ প্রচারণায় ব্যস্ত হলেন, ততক্ষণে জানা গেলো এই এলাকাটি পড়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে।

তিনি বলেন, জনপ্রিয় হবার জন্যেই তো মেয়র নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। আমি শতভাগ আশাবাদী কারণ মানুষ পরিবর্তন চায়।

এই টানা তিন বার ঢাকা সিটিতে মেয়র পদে লড়ছেন আনিসুর রহমান দেওয়ান। এক সপ্তাহ পার হলেও এখনো তিনি শুরু করেননি নির্বাচনী প্রচার কাজ। তিনি বলছেন, নির্বাচন এগিয়ে আসার পরে যদি আমি মানুষের কাছে যায় তাহলে মানুষ আমাকে মনে রাখবে, তাইতো ২০ তারিখের পরে আমি আমার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবো।

ব্যালটে নিজের নাম আর প্রতীক থাকবে- এটাই যেন পরম পাওয়া কোন কোন মেয়রপ্রার্থীর ক্ষেত্রে। কিন্তু সত্যিকার গণতন্ত্র চর্চায় কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারছেন তাঁরা?

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর