channel 24

সর্বশেষ

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খোলার সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা

  • ট্রেনে কিছুটা মানলেও লঞ্চে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

  • দীর্ঘতম ছুটি শেষে স্বরূপে রাজধানী

  • সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ১ জনের মৃত্যু, আহত ২ শিশু

  • খুলনায় প্লাজমা থেরাপি দেয়া করোনা রোগীর মৃত্যু

  • বিদ্যুতের বাড়তি বিল হলে পরবর্তীতে সমন্বয় করা হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

  • ২ মাস পর চালু হল পুঁজিবাজারে লেনদেন; সূচকে ইতিবাচক ধারা

  • কুষ্টিয়ায় নিজে রান্না করে অসহায় মানুষকে খাবার দিচ্ছেন কলেজ ছাত্রী

  • জিপিএ-৫ না পাওয়ায় ছাত্রীর আত্মহত্যা

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলাচল শুরু

  • এসএসসির ফলাফল এসএমএস ও অনলাইনে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই উল্লাসের রঙ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিভলবার ও গুলিসহ যুবলীগ নেতা আটক

  • চট্টগ্রামে রাস্তায় নেমেছে বাস; বাড়তি ভাড়া আদায়

  • ঝিনাইদহে পুকুর থেকে দুই ভাই বোনের মৃতদেহ উদ্ধার

  • চট্টগ্রামে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

কেঁচো কম্পোস্টের প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী ঝিনাইদহের ফাতেমা

কেঁচো কম্পোস্টের প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী ঝিনাইদহের ফাতেমা

ঝিনাইদহের ফাতেমা। একজন স্বাবলম্বী নারী। একসময় অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটতো। এখন তার অধীনে কাজ করেন অনেকে। ফাতেমা বলছেন, আত্মবিশ্বাস আর পরিশ্রম তার ভাগ্য বদলে দিয়েছে।

এক সময় খেয়ে, না খেয়ে দিন যেত ঝিনাইদহের বলাকান্দর গ্রামের ফাতেমার। কঠোর পরিশ্রমে এখন তার দিন ফিরেছে।

অভাবের সংসারে বেড়ে ওঠা ফাতেমার বিয়ে হয় মাত্র ১১ বছর বয়সে। বছর দশেকের মাথায় দুরারোগ্য ব্যাধিতে মারা যান তার স্বামী। দুই সন্তানকে নিয়ে পড়েন অথৈ সাগরে। অনাহারে, অর্ধাহারে কেটেছে অনেকদিন। ২০০৫ সালে সরকারি সহায়তায় কেঁচো কম্পোসটের প্রশিক্ষণ নেন। এরপরই ফিরতে শুরু করে ভাগ্য।

ফাতেমা বলেন, পরের বাড়িতে ভাত চাইচি দেই নাই, আমি রস চুরি করেও খাইছি, অনাহারে দিন কাটাইছি দু-চার দিন। বাচ্চারা খাওয়ার জন্য খুব কষ্ট করতো, ক্ষুধার যন্ত্রনা সহ্য করতে পারতো না, কান্নাকাটিও করতো'

এখন ৩৫০টি চাড়িতে কেঁচো কম্পোস্ট রয়েছে ফাতেমার। সেখান থেকে উৎপাদিত জৈব সার ও কেঁচো বিক্রি করে হয়েছেন এক বিঘা জমির মালিক। এছাড়া প্রায় ৯ বিঘা জমি লিজ নিয়ে করছেন ধান, গমসহ বিভিন্ন শষ্য চাষ। তার এ সফলতা দেখে এখন গ্রামের অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন কম্পোস্ট সার উৎপাদনে।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  জানান, তার দেখাদেখি গ্রামের অন্যান্য লোকজনও কৃষি কাজ ও কম্পোস্ট সার উৎপাদনে এগিয়ে এসেছে।

ফাতেমা বলছেন, নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে একগ্রতার সাথে কোনো কাজ করলে সে কাজে সফলা আসবেই। দূর হবে অভাব-অনটন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর