channel 24

সর্বশেষ

  • বঙ্গবাজার ও বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

  • সাবমেরিন পাওয়ার ক্যাবল কাটা পড়ায় ইন্টারনেটে ধীরগতি

  • 'নেক ক্যাচেস এন্ড থ্রো'তে এখন বিশ্বসেরা ঝালকাঠির আশিক

  • সীমান্তে সন্ত্রাসবাদের মোহেই পাকিস্তানের নতুন মানচিত্র: ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

  • ৫ ভেন্যুতে চলছে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলন

  • সিনহা হত্যা: খুব কাছ থেকে ৪টি গুলি করায় ক্ষত সৃষ্টি হয় ৬টি

  • কুষ্টিয়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙা সড়ক মেরামত করলেন শিক্ষার্থীরা

  • করোনায় দেশে আরও ৩৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৪৮৭

  • ওসি প্রদীপ ও স্ত্রীর অবৈধ সম্পদের প্রমাণ দুদকে

  • রাজনৈতিক পরিচয় কোন অপরাধীর আত্মরক্ষার ঢাল হতে পারে না: কাদের

  • শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজে বিলম্ব হবে না: বিমান প্রতিমন্ত্রী

  • ডিএনসিসির মার্কেটটি স্থায়ী হাসপাতাল করার পরিকল্পনা নিয়েছে সিটি করপোরেশন

  • সিনহা হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য স্বাধীন কমিশন গঠনের আহ্বান ডা. জাফরুল্লাহর

  • এবারের ঈদযাত্রায় ২৩৮ দুর্ঘটনায় নিহত ৩১৭, আহত ৩৭০

  • জুবায়ের মনিরের জামিন বাতিল

কমছে না নারীর প্রতি সহিংসতা; বিচারহীনতাকে দায়ী করছেন মানবাধিকার কর্মীরা

কমছে না নারীর প্রতি সহিংসতা; বিচারহীনতাকে দায়ী করছেন মানবাধিকার কর্মীরা

নারী কারো না কারো মমতাময়ী মা, কারো স্নেহের আধার বোন, কারো লাবন্যময়ী স্ত্রী-প্রেমিকা, আবার কখনো জান্নাতের টুকরা মেয়ে। তবে নারীর প্রতি সহিংসতা এমনভাবে বাড়ছে কেনো! এজন্য বিচারহীনতাকেই দায়ী করছেন মানবাধিকার কর্মীরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আইন আর শাস্তির মাধ্যমে অপরাধ কমানো সম্ভব না। ধর্ষণের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিহত করতে পরিবারকে এগিয়ে আসতে হবে সবার আগে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল সারা দেশ। যার ফলশ্রুতিতে ধর্ষণের ৫৭ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারও করা হয় অভিযুক্ত মজনু মিয়াকে। অথচ বেশিরভাগ ঘটনাই থেকে যায় অন্তরালে।

পুলিশের হিসাব বলছে, ২০১৯ সালে ৫ হাজার ৪'শ জন নারী ধর্ষণের শিকার হন। এর আগের বছর ধর্ষণের শিকার হন ৩ হাজার ৯'শ জন।

নারীর প্রতি সহিংসতার অন্য চিত্রগুলোও ভয়াবহ। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য, ২০১৯ সালে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন ২'শ ৫৮ জন নারী। ২০১৮ সালে এ সংখ্যা ছিল ১৭০ জনে।

পুলিশের হিসাবে দেখা গেছে, গেল বছর দেশে নারী নির্যাতনের ৯৩ হাজার ৯'শ মামলা বিচারাধীন ছিল। আর সাজা হয়েছে মাত্র ১ হাজার ১'শ ৩৩টি মামলার আসামির। নারীর প্রতি সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে বিচারহীনতাকেই দায়ী করছেন তরুণরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আইন আর শাস্তির মাধ্যমে অপরাধ কমানো সম্ভব নয়। ধর্ষণের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিহত করতে হবে সামাজিকভাবে।

নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর গুলজার আহমেদ জুয়েল বলেন, সামাজিক অবক্ষয়ের বিষয় আছে, কিছু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিষয় আছে, আবার কিছু গ্রাম্য রাজনীতি যেমন প্রতিপক্ষকে গায়েল করার জন্য মিথ্যা মামলা সাজানো ইত্যাদি।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, বিচার হয়েছে শুধু আলোচিত দু-একটি ঘটনার। বাকী ঘটনাগুলোর দিকেও গুরুত্ব দেয়ার তাগিদ তাদের।

বগুড়া নারী ও শিশু বিকাশকেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক নিভা রানী সরকার বলেন, আইনের শাসন দিয়ে কখনও অবক্ষয় রোধ করা যায় না। আমাদের অবক্ষয় রোধ করতে হবে পারিবারিক অনুশাসন, পারিবারিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ দিয়ে।

নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে পরিবারকে অগ্রণী ভূমিকা রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর