channel 24

সর্বশেষ

  • সিনহা হত্যা মামলায় নতুন মোড়, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে নতুন তথ্য

  • প্রথমবারের মত চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিতে লাইপজিগ

  • সিনহা হত্যা: অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য ও সাক্ষিদের র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু

  • দেশে ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • ১৫ আগস্টের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে ছিল নানা ষড়যন্ত্র

  • কর্তৃপক্ষের মারধরে যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে ৩ কিশোর নিহত

  • মহাখালী থেকে বশেমুরবিপ্রবি'র চুরি হওয়া ৩৪টি কম্পিউটার উদ্ধার

  • বদলে যাচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের নাম

  • রাজধানীতে লাইসেন্সবিহীন গ্লোবাল গেইনে র‍্যাবের অভিযান, আটক ৮

  • সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনসহ ৬ জন নিহত

  • ফেসবুক এজেন্ট এইচটিটিপুলের বিরুদ্ধে ভ্যাট আইনে মামলা

  • যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে দু'গ্রুপের সংঘর্ষে ৩ কিশোর নিহত

  • দুটি পেশাদার বাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা অপ্রত্যাশিত: পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন

  • শ্রীলঙ্কা সফর ঘিরে সেরা প্রস্তুতি নিতে চান সৌম্য

  • ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বার্সেলোনায় যাবার গুঞ্জন

ব্লাড ক্যানসার জয় করে সফল মৎস্য খামারি অঞ্জন সমাদ্দার

ব্লাড ক্যানসার জয় করে সফল মৎস্য খামারি অঞ্জন সমাদ্দার

মিঠাপানিতে গলদা চিংড়ি চাষ করে সফল নড়াইলের মৎস্য খামারি অঞ্জন সমাদ্দার। ১৬ বছর বয়েসে বাবাকে হারিয়ে সংসারের হাল ধরতে শুরু করেছিলেন মাছের চাষ। মাঝে ব্লাড ক্যানসার আক্রান্ত হয়েও পিছিয়ে যাননি। একটি পুকুরে মাছের চাষ শুরু করলেও এখন তার রয়েছে ৬টি ঘের। সফল মৎস্য খামারি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় পদক।

অঞ্জন সমদ্দার। নড়াইল সদরের মালিয়াট গ্রামের বাসিন্দা। ছোট বেলায় বাবাকে হারিয়ে হাল ধরেন সংসারের।

কাজলা নদীতে ট্রলার চালিয়ে কোনো রকম চলতো সংসার। কিন্তু কিছুতেই পিছু ছাড়ছিলো না দারিদ্রতা। উপায়ন্ত না পেয়ে অল্প পুঁজিতে শুরু করেন চিংড়ি চাষ। বছর না ঘুরতেই স্বচ্ছলতা ফেরে সংসারে। কিন্তু দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়ে না তার।

২০১০ সালে ধরা পড়ে ব্লাড ক্যান্সার। তিন বছর ধরে চলে মরণব্যাধীর সঙ্গে যুদ্ধ। অবশেষে সেই যুদ্ধেও জয়ী হন অঞ্জন। ফিরে এসে গলদা চিংড়ির পাশাপাশি শুরু করেন অন্য মাছের চাষও। বর্তমান অঞ্জনের মাছের ঘেরের সংখ্যা ৬টি।

অঞ্জন সমাদ্দার বলেন, বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে অগ্রসর হয়ে মাছ চাষে এখন লাভ সম্ভব। সনাতন পদ্ধতিতে মাছ চাষ  করলে টিকে থাকা সম্ভব নয়।

মৃত্যুঞ্জয়ী অঞ্জন শুধু নিজের ভাগ্যই পাল্টাননি, গ্রামের অন্য যুবকদেরকেও সুযোগ করে দিয়েছেন কাজের।

এলাকাবাসী জানান, অধিকাংশ লোকজন অঞ্জনকে অনুসরণ করে মাছ চাষ শুরু করেছে। আমাদের এলাকায় যত চাষী আছে গলদা চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ চাষ করে অঞ্জন তাদের মধ্যে অন্যতম। এতে করে এলাকার অনেক লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।

নড়াইল সদর উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মো. এনামুল হক জানান, তার দেখাদেখি অলাকার অনেকেই মাছ চাষে এগিয়ে এসেছে। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে আমরা তাকে সহযোগিতা দিয়ে আসছি।

২০১৮ সালে জেলার শ্রেষ্ঠ মৎস খামারির খেতাব পান অঞ্জন। আর ২০১৯ সালে গলদা চিংড়ি উৎপাদনে পেয়েছেন জাতীয় পদক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর