channel 24

সর্বশেষ

  • রংপুরে শত কিলোমিটার সড়কজুড়ে খানাখন্দ, ভাঙাচোরা

  • বাণিজ্যমেলায় কিস্তি এবং ব্যাংকের ইএমআই সুবিধা

  • রাজস্ব আহরণে গতি বাড়াতে প্রয়োজন জনবান্ধব রাজস্ব আইন: ড. মসিউর

  • নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অর্জনেও হোঁচট খাওয়ার শঙ্কা

  • ব্যাংক ঋণের সুদহার পরিবর্তন করতে যাচ্ছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড

  • ঢাকাকে পরিবারবান্ধব করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাবিথের ইশতেহার

  • ইইউ প্রতিনিধির বাসায় লালনগীতির আসর

  • ঠিকাদার শাহীনের পরিবর্তে কারাগারে শিক্ষার্থী শাহীন!

  • কমছে পাবলিক পরীক্ষার সময়সীমা, এসএসসি শেষ হবে ২৩ দিনে

  • বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে রকেট হামলায় নিহত ৩

  • স্প্যানিশ লিগে শীর্ষে রিয়াল, ইতালিয়ান লিগে জুভেন্টাসের হার

  • চীনে করোনা ভাইরাসে মৃত্যের সংখ্যা বেড়ে ৮০

  • করোনা ভাইরাস শনাক্তে স্থলবন্দরে সতর্কতা জারি

  • ইশরাকের প্রচারণায় সংঘর্ষের ঘটনায় আ.লীগ নেতার মামলা

  • কিবরিয়া হত্যা: ১৫ বছর ধরে ঝুলে আছে বিচার কাজ

সড়ক উন্নত হলেও নেই বাতি, আছে গ্যাসের সংকট আর মশার উপদ্রব

সড়ক উন্নত হলেও নেই বাতি, আছে গ্যাসের সংকট আর মশার উপদ্রব

পাঁচ বছরেরও বেশি সময় হলো সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে রাজধানীর কামরাঙ্গীর চর। দক্ষিণের তিনটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই অঞ্চলের মানুষ পাওয়া না পাওয়ার মিশেলেই প্রত্যাশার পসরা সাজিয়েছেন আসছে নির্বাচনকে মাথায় নিয়ে। রাস্তাঘাট নিয়ে সন্তুষ্টি থাকলেও, সন্ধ্যার পর বাতি জ্বলে না প্রায়ই। মশার কামড় নিত্যসঙ্গী। গ্যাস সংকটে জ্বলে না চুলাও।

প্রায় পাঁচ বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ডে পনেরো লাখ মানুষের বাস। কালের বিবর্তনে বুড়িগঙ্গার বুকের কামরাঙ্গীর চর এখন মূল ভূখণ্ডেরই অংশ।

বেড়িবাঁধ সড়কে জলহীন নদীর ওপর থাকা সরু ব্রিজ দিয়ে ঢুকতে হয়। চরের এই প্রবেশদ্বারের আশপাশ দেখলে এক মুহূর্তেই মনে হবে ময়লার ভাগাড় বুঝি। আদতে নানা জায়গা থেকে ময়লা ফেলায় ক্রমেই এটি হয়ে উঠছে অলিখিত ডাম্পিং স্টেশন। খানিক প্রাপ্তি ধূসর হয়ে ওঠে এখানেই।

এলাকাবাসী জানায়, ১৯বছর আগে যখন এখানে আসতাম তখন নৌকার উত্তাল ঢেউ পার হয়ে আসতে হতো। আর আজকে ময়লার ভাগারে যে অবস্থা। মানুষ অনেকটা নিলজ্জের মতই এখানে ময়লা ফেলে। আমার মনে হয় সিটি কর্পোরেশনের এই দিকে একটু নজর দেওয়া উচিত। কারণ নদী বাঁচলেই মানুষ বাচবে, মানুষ বাঁচলে সিটি আর সিটি বাঁচলেই দেশ বাঁচবে।

ভেতরের রাস্তাগুলো সরু বটে, তবে ভাঙ্গাচোরা নেই খুব একটা। কিন্তু জনবহুল এলাকা হওয়ায় আছে যানজটের ধকল। যাতে গোড়ের ওপর বিষফোঁড়া ইজিবাইক। কিন্তু রাতের বেলা রাস্তা আলোকিত হয় ভবনের বাতির আলোতেই।

এলাকাবাসী বলছে, অনেকদিন ধরেই রাস্তায় লাইট জ্বলে না। রাস্তাঘাট অন্ধকার হয়ে থাকে, ফজরের নামাজ পরতে যেতে সমস্যা হয়। দিন দিন বাসা ভাড়া বাড়লেও অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না।

যে পাশে নদী বহমান সেদিকটায় বসেছে নদীর নতুন সীমানা পিলার। এখানকার ভবিষ্যত নিয়ে আশাবাদী বাসিন্দারা। কিন্তু পাতে ভাত ওঠে না সময়মতো, কারণ গ্যাস সংকট চরমে। নতুন অভিভাবকের কাছ তাই অগ্রিম অভিযোগ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সিটি কর্পোরেশনে ঢোকার পরে আমরা খাজনা, ট্যাক্স দিচ্ছি ঠিকই কিন্তু আমরা কোন সুবিধা ভোগ করতে পারছি না। আমাদের এখানে এখনও ওয়াসার লাই ঢুকে নাই, পর্যাপ্ত গ্যাস নেই। যেই ব্রিজ দিয়ে আসি তারপর রাস্তাগুলো ওগুলো যদি বড় করা যায় তাহলে মানুষের যাতায়াতে অনেক সুবিধা হবে।

পুরো চরে স্কুল কলেজ থাকলেও, শিশুদের খেলার মাঠ নেই। দাবি আছে তাদেরও। তাঁরা তাঁদের মেয়র, কাউন্সিলরের কাছে খেলার মাঠের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

এমন আরো অনেক প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্বই পাবেন এই দক্ষিণ সিটি ৫৫, ৫৬, ৫৭ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা। ভোটারাও তাই বেছে নিতে চান যোগ্য অভিভাবককেই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর