channel 24

সর্বশেষ

  • রাঙ্গামাটিতে জীবাণুনাশক ছিটিয়েছে সেনাবাহিনী

  • ফাঁকা ঢাকা; মানুষের সচেতনতায় কাজ করছে সেনা সদস্যরা

  • শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে স্বাবলম্বী লালমনিরহাটের হাফিজুর

  • 'অর্থনীতি পুনরুদ্ধার প্যাকেজ' বিলে সই করেছেন ট্রাম্প

  • মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাগরিকের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করার নির্দেশ

  • বন্ধ হচ্ছে কারখানা; চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে ২০ লাখ শ্রমিক

  • চট্টগ্রামে করোনা প্রতিরোধে সেনাবাহিনী ও জেলা প্রশাসনের অভিযান

  • টেকনাফে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ৪

  • বগুড়ায় জ্বরে রোগীর মৃত্যু, করোনা সন্দেহে ১৫টি বাড়ি লকডাউন

  • সরকারের ঘরে থাকার নির্দেশ কতটুকু মানছে নগরবাসী

  • করোনা সংক্রমণ রোধে সেনাবাহিনীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

  • এ মুহুর্তে মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পিপিই

  • মশার কয়েল থেকে আগুন লেগে মা ও ২ শিশুর মৃত্যু

  • প্রিন্সের পর এবার ব্রিটেনের রানি করোনায় আক্রান্ত

  • দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত কেউ শনাক্ত হয়নি: আইইডিসিআর

প্রথম এক্সকেভেটেড ও বেসিন পদ্ধতির বন্দর হবে কক্সবাজারের মাতারবাড়ি

প্রথম এক্সকেভেটেড ও বেসিন পদ্ধতির বন্দর হবে কক্সবাজারের মাতারবাড়ি

দেশের প্রথম এক্সকেভেটেড ও বেসিন পদ্ধতির বন্দর হতে যাচ্ছে কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে। অনুমোদনের জন্য গত সপ্তাহে যার প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে সরকারের কাছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের অবকাঠামো সুবিধা কাজে লাগিয়েই এই বন্দর তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। যা পরিবহন ব্যয় কমাবে ১৫ শতাংশ।

কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে তৈরি হচ্ছে ১২শ মেগাওয়াট কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যার জেটি নির্মাণ করতে গিয়েই সেখানে বাণিজ্যিক বন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা খুঁজে পায় জাইকা।

এরইমধ্যে শেষ যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া। গেল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ অনুমোদনের জন্য চূড়ান্তভাবে মাতারবাড়ি বন্দরের প্রকল্প প্রস্তাব পাঠায় সরকারের কাছে।

মাতারাবাড়ি বন্দরের প্রকল্প পরিচালক মো. জাফর আলম বলেন, মাতারবাড়িতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য জেটি এবং ব্রেক ওয়াটার তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। যাকে ভিত্তি ধরেই পরিকল্পনা হয়েছে বন্দরের ৪শ ৬০ মিটার দীর্ঘ কন্টেইনার আর ৩শ মিটার দীর্ঘ মাল্টিপারপাস জেটি নির্মাণের। যা হবে দেশের প্রথম খনন করা এবং বেসিন পদ্ধতির বন্দর।

চট্টগ্রাম বন্দরে এখন সাড়ে ৯ মিটার গভীরতা আর ১৯০ মিটার লম্বা জাহাজ ভিড়তে পারে। কিন্তু মাতারবাড়িতে ভিড়তে পারবে ১৬ মিটার গভীরতার জাহাজ। ফলে বিদেশের পরিবর্তে মাতারবাড়িকেই ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট হিসেবে ব্যবহারের আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।  

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের সহ-সভাপতি নাসির উদ্দীন চৌধুরী বলেন, দেশের বন্দরের ইতিহাসে এটি একটি বড় ধরণের সম্ভাবনা হিসেবে দেখা দিবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মাতারবাড়ি বন্দর হলে পণ্য পরিবহন ব্যয় কমবে ১৫ শতাংশ। ২০৪১ সালে মাতারবাড়িতে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হবে ৪ দশমিক ২ মিলিয়ন। এটি তৈরিতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। সংযোগ সড়কসহ পুরো প্রকল্প শেষ হতে পারে ২০২৬ সালে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর