channel 24

সর্বশেষ

  • শনিবার নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশ নারী দল

  • ওয়ানডে সিরিজের জন্য প্রস্তুত সিলেট, বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের অনুশীলন

  • ফুটবল ফেডারেশন নির্বাচন ২০ এপ্রিল

  • চসিক নির্বাচনের দিন অফিস খোলার রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে: ইসি রফিকুল

  • মগবাজার দিলু রোডে আগুনে দগ্ধ দুজনের অবস্থা সংকটাপন্ন

  • রক্তপাত না বাড়িয়ে সমস্যার দ্রুত সমাধান করবে ভারত; আশা কাদেরের

  • কক্সবাজারে ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ নিয়ে ভোগান্তিতে ক্ষতিগ্রস্তরা

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে দুশ্চিন্তায় আম চাষীরা

  • দোষারোপের রাজনীতিতে মেতে আছেন ভারতের রাজনীতিকরা

  • ব্রেক্সিট বাণিজ্য চুক্তি আলোচনায় যুক্তরাজ্যের প্রস্তাবে ইইউ'র সম্মতি

  • করোনাভাইরাসের প্রভাবে ধস নেমেছে বিশ্ব পুঁজিবাজারে

  • প্রযুক্তি পণ্যের বাজারেও করোনাভাইরাসের প্রভাব

  • রাজধানীতে ১২তম এশিয়া ফার্মা এক্সপো শুরু

  • শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন নিয়ে সরকার ভাবছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

  • দিল্লিতে সহিংসতা আঞ্চলিক শান্তি-সৌহার্দ্যের অন্তরায়: ফখরুল

রোগীরা ভারতমুখী কেন?

রোগীরা ভারতমুখী কেন?

সেবায় সন্তুষ্ট না হয়ে বাংলাদেশ থেকে অনেক রোগীই চলে যাচ্ছেন পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে। পরিসংখ্যান বলছে, এই সংখ্যাটা প্রতিদিন গড়ে অন্তত ২০০ জন। চিকিৎসকরা বলছেন, দুই দেশের চিকিৎসকদের মান এক হলেও পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে সেবার ধরণ আর প্রযুক্তির ব্যবহার। এই পরিস্তিতিতে দেশে মানসম্মত হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

চিকিৎসার জন্য অনেক বাংলাদেশি যান, প্রতিবেশি দেশ ভারতে।

দেশটির একটি হাসপাতালের করা পরিসংখ্যান বলছে, প্রতিদিন গড়ে এই হার, প্রায় ২শ' জন। এর মধ্যে ৮০-১শ' জনই যান, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার অ্যাপোলো গ্ল্যানিক্যালস হসপিটালে। পুরো ভারতে এই হাসপাতালের শাখা আছে, ৭২টি।

এই হাসপাতালেই কথা হলো বাংলাদেশ থেকে আসা দু জনের সাথে। জানালেন, কেন তারা ভারতে আসেন চিকিৎসার জন্য।

তাঁরা বলেন, ক্যানসার রোগীর চিকিৎসার জন্য আমরা এসেছি। এখন আমাদের রোগী ভাল আছেন। এখানে ডাক্তাররা আমাদের অনেক সময় দিচ্ছেন, ভালভাবে কথা বলছেন। সেবাও তুলনামূলক অনেক ভাল পাচ্ছি।

অ্যাপোলো হাসপাতালের বিজনেস ডেভেলপমেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলছেন, রোগীদের মাঝে বিশ্বাসযোগ্যতা স্থাপন করতে পেরেছেন তারা। এছাড়া, চিকিৎসা হয় সমন্বিতভাবে।

অ্যাপোলো গ্ল্যানিগেলস হাসপাতালের ক্যানসার সার্জন শুভদীপ চক্রবর্তী বলেন, সব টিমে সবসময় একজন মেডিকেল, একজন সার্জিক্যাল ও একজন রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট সবসময় থাকে। যার ফলে যেকোন ডিসিশনের ক্ষেত্রে ওরা একত্রে সমন্বিতভাবে ডিসিশন নিতে পারে। বাংলাদেশেও ট্রিটমেন্ট ভুল হচ্ছে না তবে তাঁরা নিজেদের মধ্যে ডিসকাস করছে না।

অ্যাপোলো হাসপাতালের ইনস্টিটিউট অব গ্যাসট্রোএনট্রোলজির পরিচালক মহেশ কুমার  জানালেন, বাংলাদেশের চিকিৎসকরাও দক্ষ এবং ভারতের ডাক্তারদের মতোই একই মানের। কিন্তু আমার মনে হয় কোয়ালিফাই ডাক্রারের কাছে সময় কম। তার জন্যেই রোগীদের বিশ্বাসযোগ্যতা, আস্থা স্থাপন করতে পারেন না তাঁরা।

সম্প্রতি একটি কনফারেন্সে যোগ দিতে কলকাতা সফর করেন বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ডাক্তার। তারা বললেন, দেশে সেবার মানে ঘাটতির কারণেই ভারতমুখি হন রোগীরা।

বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনসালটেন্ট এম. এস. আরফিন বলেন, রোগীদের আস্থা আমরা আসলে বিভিন্ন ভাবে হারিয়ে ফেলেছি আর এজন্যই ভারতমুখি হন রোগীরা।

এই চিকিৎসকরা মনে করেন, বিশ্বমানের হাসপাতাল গড়তে সরকারের চেয়ে বেশি এগিয়ে আসাতে হবে, বেসরকারি খাতকে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর