channel 24

সর্বশেষ

  • মাশরাফী পরিবারের চার সদস্য করোনায় আক্রান্ত

  • ২০২১ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে ভারতে

  • সোমবার আবারো সব ফুটবলারদের করোনা পরীক্ষা

  • ওসি প্রদীপের কুকর্ম নিয়ে একে একে মুখ খুলছেন অনেকে

  • যে কারও রক্ত লাগলেই ছুটে যাচ্ছেন চট্টগ্রামের একদল তরুণ

  • আলাউদ্দিন আলী লাইফ সাপোর্টে

  • করোনায় দেশে আরও ৩২ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৬১১

  • দুর্নীতি ছোট হোক বা বড়, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না: সুজন

  • জন্মাষ্টমী পালনে সমাবেশ, শোভাযাত্রা বা মিছিল করা যাবে না

  • বঙ্গমাতার সাহসিকতা ও অনুপ্রেরণাতেই ৬ দফা সফল হয়েছিল: কাদের

  • বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হিসেবে প্রেরণা যুগিয়েছেন বঙ্গমাতা: প্রধানমন্ত্রী

  • কাশিমপুর কারগারে উধাও কয়েদির খোঁজ মেলেনি এখনও

  • ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্যদ্বন্দ্বের বলি চীনা প্রতিষ্ঠান টিকটক

  • করোনাকালেও দিন-রাত কাজ চলছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে

  • বিশ্বজুড়ে করোনায় প্রাণহানি ৭ লাখ ১৯ হাজার

স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও জানা যায়নি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সঠিক সংখ্যা

স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও জানা যায়নি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সঠিক সংখ্যা

ক্যালেন্ডারের পাতায় একটি কালো দিন ১৪ই ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এইদিনে জাতি হারিয়েছিল তার সূর্য সন্তানদের। যদিও স্বাধীনতার আটচল্লিশ বছরে এসেও নিরুপণ করা যায়নি, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সঠিক সংখ্যা। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক আফসান চৌধুরীর মতে, এর পেছনে রয়েছে সামাজিক নানা কারণ। বললেন, কজনের কথাইবা উঠে এসেছে বইয়ের কালো হরফে? এক্ষেত্রে ভালো পাণ্ডুলিপির সংকটকে দায়ী করছেন প্রকাশকরা।

"আজ এই ঘোর রক্ত গোধুলিতে দাঁড়িয়ে
আমি অভিশাপ দিচ্ছি তাদের
যারা আমার কলিজায় সেঁটে দিয়েছে
একখানা ভয়ানক কৃষ্ণপক্ষ।"

বিজয়ের মাত্র কদিন আগে যারা কেড়ে নিয়েছিলো এ দেশের সূর্য সন্তানদের, তাদের অভিশাপেই ছিলো প্রয়াত কবি শামসুর রাহমানের এই পঙ্তিমালা।

বছর ঘুরে আজ সেই ট্রাজিক ১৪ ডিসেম্বর, ক্যালেন্ডারের পাতায় নিকষ কালো অন্ধকারে ঢাকা বেদনা বিধূর একটি দিন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক আফসান চৌধুরী বলেন, এটি একটি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড। গোটা ৭১ এ এরকম ঘটনা অনেক ঘটেছে।

বিজয় যখন চূড়ান্ত লগ্নে, ঠিক তখনই চূড়ান্তভাবে এই নীল নকশার ছক কার্যকর করে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি। এরপর সময় গড়িয়েছে ঠিকই তবে স্বাধীন বাংলাদেশে এই ৪৮ বছরে আজও প্রকৃত সংখ্যা নিরূপন করা যায়নি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক আফসান চৌধুরী বলেন, সরকারী একটী হিসেবে সরকার হিসেব করেছে রাজাকারদের সংখ্যা। তাহলে তো জরিপ করে তাদের সংখ্যাটা বের করেছে, তবে শহীদের সংখ্যাটা কেন বের করেনি। আমার মনে হয় এটার কারণ হচ্ছে, সমাজ এটার প্রয়োজন বোধ করছে না। সমাজ যেটার প্রয়োজন বোধ করে সরকার সেটাই তো করে।

এই গবেষক বলছেন একটি জাতিকে মেধাশূণ্য করার পরিকল্পিত এই ছকে মৃত্যুর স্তুপে ছিলো সাধারন মানুষের নিথর প্রাণও তবে ইতিহাসের পাতায়, হয়নি তাদের ঠাঁই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দায়বদ্ধতা কমানোর বড় একটা জায়গা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।

শুধুই কি তাই কালো হরফের বইয়ে কতোটাইবা লিপিবদ্ধ হয়েছে এই কালো অধ্যায়ের হাজারো গল্প? যা পড়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রজন্ম ফোটাবে আলোর ফুল।

অন্বেষা প্রকাশনার প্রকাশক মো. শাহাদাত হোসাইন বলেন, যে ধরণের পান্ডুলিপি আমাদের প্রয়োজন সেইধরণের পান্ডুলিপি আমরা পাচ্ছি না। এটা ২ ভাবে হতে পারে, বেসরকারি ভাবে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, তবে সরকারি উদ্যেগে এই ধরণে কাজগুলি আরও বেশি বেশি করা দরকার। কারণ আমাদের চেতনাকে যদি আমরা তুলে ধরতে না পারি, শুধু মুখে মুখে বলি তাহলে হবে না।

তাঁর অভিমত, শুধু এই একটি দিন নয়, প্রতিটিদিন প্রতিটি প্রাণেই বাজুক জেগে উঠবার সুর হয়তো তবেই মিলবে সব প্রশ্নের উত্তর।

স্বাধীনতার ৪৮ বছরে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক সংখ্যা শুধু নিরূপণ করা যায়নি তা কিন্তু না। বইয়ের রঙ্গিন মলাটেও সেইভাবে উঠে আসে নি বুদ্ধিজীবীতো বটেই এই যুদ্ধজয়ের পিছনে যারা যুদ্ধ জয়ের মূল নায়ক সি সাধারণ মানুষদের কথাও। তাই মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্টদের অভিমত ১৪ই ডিসেম্বরকে জানতে হলে জানতে হবে পুরো ৭১কে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর