channel 24

সর্বশেষ

  • আর কত সিরিজ হারলে টি-টোয়েন্টি শিখবে টিম বাংলাদেশ?

  • দুই সপ্তাহ পেছালো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল দুই সপ্তাহ পেছালো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল

  • চট্টগ্রামে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা: নেই কাঙ্ক্ষিত সেবা, বিদেশেমুখি হচ্ছে মানুষ

  • বাজারে নতুন চারটি ল্যাপটপ আনলো ডেল

  • জুয়া, জমির অর্থের যোগান দিচ্ছে ব্যাংকের ভল্ট, হদিস নেই সাড়ে ৩ কোটি টাকা

  • দেশে ডিজেলের কোনো সংকট নেই: বিপিসি চেয়ারম্যান

  • বান্দরবানে বন্য হাতির আক্রমণে নিহত ১

  • অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ: অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত

  • খুলনার আলমগীরের ব্যতিক্রমী ৫ উদ্যোগ সাড়া ফেলেছে ব্যাপক

  • বাণিজ্য মেলাকে আন্তর্জাতিক অবয়ব দেয়া কিছু প্রতিষ্ঠান

  • চাঁদপুরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে লবণের মিল, বেকার কয়েক হাজার শ্রমিক

  • ব্যাংক থেকে পৌনে দুই লাখ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছেন পরিচালকরাই

  • ভারতের নাগরিকত্ব আইনকে 'বৈষম্যমূলক ও বিপজ্জনক' আখ্যা দিলেন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট

  • শীত-বৃষ্টি উপেক্ষা করে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় প্রার্থীরা

  • ঝিনাইদহে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা

মানসিক ভারসাম্যহীনদের কাছে আশীর্বাদ ব্যাংকার শামীম

মানসিক ভারসাম্যহীনদের কাছে আশীর্বাদ ব্যাংকার শামীম

মানসিক ভারসাম্যহীন বলে যখন এড়িয়ে যান অন্যরা তখন তাদের কাছে আশীর্বাদ হয়ে ছুটে যান শামীম আহমেদ। যমুনা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা। সারাদিনের কর্মব্যস্তার মাঝেও সমাজের অবহেলিত এই মানুষগুলোর জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। তাদের ভরনপোষন থেকে চিকিৎসা সব কিছুই করেন নিজ খরচে। শামীম আহমেদের এমন মহৎ উদারতায় মুগ্ধ অনেকেই। আরও জানাচ্ছেন শারমিন মৃত্তিকা। ছবি তুলেছেন রিপু আহমেদ মামুন।

মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী নিজের নামটাও ঠিকমতো বলতে পারেন না। কখনও বলেন নূরনাহার, কখনও তানজিলা। ভুলেছেন ঠিকানাও।

অসংলগ্ন অবস্থায় রাস্তা থেকে তাকে উদ্ধার করে, জাতীয় মনসিক স্বাস্থ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রেখে যায় বনানী থানা পুলিশ। দেখভালের লোক না থাকায়, শামীম আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকে তার চিকিৎসার ভার এই ব্যাংক কর্মকর্তার।

২০১৪ সালে পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন এক অসহায় নারীকে দেখে, তার পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন ব্যাংক কর্মকর্তা শামীম। অবহেলিত এসব মানুষকে অন্যরা যখন এড়িয়ে চলেন, তখন পরম মমতায় তাদের সুস্থ করে পরিবারের কাছে তুলে দেন তিনি। দায়িত্ব নেন পরবর্তী চিকিৎসারও।

শামীম আহমেদ বলেন, খোলা আকাশের নিচে দেখি যে একটা মেয়ে বসে আছে, চুলগুলো জটবাঁধা। সাড়ে তিন মাস পরে আমরা তিন বন্ধু মিলে যেয়ে ওই মেয়েটাকে বান্দরবানের থানচি থেকেনিয়ে আসি এবং এই মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করাই।

কর্মব্যস্ত জীবনে পরিবারকে সময় দেয়াই যেখানে দায়, সেখানে নিয়মিত হাসপাতালে গিয়ে মানসিক রোগীদের সেবা দেন শামীম। শুরুতে নানাজন নানা কথা বললেও, এখন সহযোগিতা পান সহকর্মীদেরও।

শামীম আহমেদ বলেন, আমি আমার জীবনটাকে ৩টা ভাগে ভাগ করে নিয়েছি। আমার চাকরি, আমার সংসার আর আমার এই মানসিক ভারসাম্যহীনদের নিয়ে কাজ।

নারী-পুরুষ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১৪ জনকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠিয়েছেন শামীম আহমেদ।

কি নির্মল হাসি, কি নিশ্চিন্ত। এইসব অসহায় ছিন্নমূল মানুষগুলো হয়তো জানেনা জীবন আজ কোথায় দাড়িয়েছে। তবে সমাজের বিত্তবানদের একটু সহানুভূতিই পারে মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষগুলোকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দিতে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর