channel 24

সর্বশেষ

  • নতুন মেয়াদে সভাপতি হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা

  • বিজয় রুখতে বিএনপি প্রার্থীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে আ.লীগ: ফখরুল

  • হবিগঞ্জে গাছের সাথে বাসের ধাক্কায় ৩ জনের প্রাণহানি

  • সৌদিতে নবেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত

  • আইসিজের আদেশ: মেনে নেওয়ার আহবান গাম্বিয়ার; মায়নমারের প্রত্যাখ্যান

  • পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের শুভ সূচনা

রোহিঙ্গা গণহত্যা: মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক আদালতে সব প্রশ্নের জবাব দেবে সু চি

রোহিঙ্গা গণহত্যা: মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক আদালতে সব প্রশ্নের জবাব দেবে সু চি

কেন রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর জাতিগত নিধন চালিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী, প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক আদালতে সেই প্রশ্নের মুখোমুখি দেশটি। এনিয়ে মঙ্গলবারের শুনানিতে সব প্রশ্নের জবাব দেবে দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি। এর মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হবে বলে মনে করছেন শুনানি পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে অংশ নেওয়া, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মফিদুল হক।

অবশেষে মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) শুরু হচ্ছে রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা চালানোর জণ্য শুনানি। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে গাম্বিয়ার মামলায় প্রথমবারের মতন রোহিঙ্গাদের উপর চালানো গণহত্যা, ধর্ষণ সর্বপরি জাতিগত নিধনের জন্য যা করেছে মিয়ানমার, সে সংক্রান্ত উঠা সকল প্রশ্নের জবাব দিতে হবে দেশটিকে। যেই শুনানিতে অংশ নিতে যাচ্ছে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অন সান সুচি। ১৯৫৬ সালের জাতিসংঘের গণহত্যা সনদে স্বাক্ষর সকল দেশই এমন শুনানি হলে কিংবা অভিযোগ দায়ের করা হলে তাতে অংশ নিতে বাধ্য।

পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের নেতৃত্বে এই শুনানি পর্যবেক্ষণে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলও। সেখানে থাকছেন তিন রোহিঙ্গা নারী ও পুরুষ। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিও।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, পুরো বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সাথে নিয়েছে বিশ্ব। শুনানিতে অংশ নিত এর মধ্যেই বিভিন্ন দেশের সুশীল সমাজ ও নীতি নির্ধারকা্ও থাকছেন। ফলে মিয়ানমার চাইলেও কোন কিছু লুকাতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না যে এটা কোনদিকে যাবে, তবে এটি ন্যায়ের পথে যাবে এমনটা আমরা আশা করতেই পারি। এটি একটি জাস্টিস প্রসেস এবং এটার অনেক নিয়মকানুন আছে। আবার এই জাস্টিস প্রসেসে ভিক্টিমের একটি অধিকার আছে।

তার মতে, বজনিয় হার্জাগভিনার ক্ষেত্রে শুধু মাত্র অভিযোগ গঠনই যেখানে লেগেছে ৮-১০ বছর সেখানে মাত্র দুই বছরে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন দুই বছরে করা গিয়েছে কারণ বিষয়টি এখনও চলমান।

তিনি বলেন, এই বিচারের ফলে সিকিউরিটি কাউন্সিলকে এটাকে বিবেচনায় নিতে হবে, কারণ আমরা এতদিন পর্যন্ত দেখেছি যে কয়েকটি বড় দেশের কারণে সিকিউরিটি কাউন্সিল এতদিন কোন অ্যাকশন নেয়নি।

আর শরণার্থী বিশেষজ্ঞ ও ঢাকার পশ্চিমা কূটনীতিকদের মতে, মিয়ানমারকে আদালতে দাড় করাবার মানেই হচ্ছে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা। এই চেষ্টা যেন ভাবেই যেন বৃথা না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখবার আহবান জানান তারা।

শরণার্থী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির বলেন, কোর্ট অফ জাস্টিসে তাঁরা আর্সা থেকে শুরু করে অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনী যেগুলো ছিলো যারা জননিরাপত্তার হুমকি তৈরি করছে সেই জায়গাটিতে থাকবে। আর বাংলাদেশের অবস্থা হবে ব্যালেন্স করা। আর্সা এবং অন্যান্যরা যা করছে এবং সেই হিসেবে সরকারি যে উদ্যোগ সেখানে সিভিলিয়ান পপুলেশ কতটা এফেক্টেড হচ্ছে।

মঙ্গলবার থেকে টানা তিন দিন চলবে শুনানি। এরপর আতালত যে রায় কিংবা পর্যবেক্ষণ দেবে তা শুনতে বাধ্য মিয়ানমার। যদি তার বরখেলাপ ঘটে তবে তা চলে যাবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের হাতে। তখন পরিষদ যা বলবে তা অক্ষরে অক্ষরে করতে বাধ্য থাকবে মিয়ানমার।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর