channel 24

সর্বশেষ

  • পণ্টনে নব্য জেএমবির সিলেট সেক্টর কমান্ডারসহ আটক ৫

  • গেল অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সন্তোষ প্রকাশ

  • বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিপুল কর্মসংস্থান কমেছে যুক্তরাজ্যে

  • বাজে ভাষার জেরে জরিমানার মুখে স্টুয়ার্ট ব্রড

  • সাকিবের শ্রীলঙ্কা সফরে থাকা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

  • ফুটবল ফেডারেশনের আলোচিত নির্বাচন ৩ অক্টোবর

  • 'সিনহাকে গুলি করা ব্যক্তিরা ছিলেন সিভিল পোশাকে'

  • অ্যাজমা ও ব্রংকাইটিস প্রতিরোধ করে চুইঝাল

  • ঝিনাইদহে বেড়েছে প্লাস্টিকের তৈরী ওয়ান টাইম প্লেট ও গ্লাসের ব্যবহার

  • কুড়িয়ানার শত বছরের ভাসমান পেয়ারার হাট

  • যশোরে কাভার্ডভ্যান চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত

  • ইয়াবাসহ আটক ৪ জনকে ঘুষ দিয়ে ছাড়াতে এসে যুবলীগ নেতাসহ আটক ২

  • করোনার ভ্যাকসিন আবিস্কার হলে বাংলাদেশও পাবে: ডা. খুরশীদ আলম

  • গোপালগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলায় যুবলীগ নেতা নিহত

  • সিনহা হত্যা: পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব

৩ যুগ আগে থেকেই ফেনী নদীর পানি নিচ্ছে ভারত

৩ যুগ আগে থেকেই ফেনী নদীর পানি নিচ্ছে ভারত

ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্মতিপত্র সইয়ের আগে থেকেই ফেনী নদীর পানি নিচ্ছে ভারত। বাংলাদেশ অংশে নদী তীরবর্তী স্থানীয়রা বলেছেন, আশির দশক থেকেই নেয়া হচ্ছে পানি। এতে মুহুরী প্রকল্প সংকটে পড়বে বলে শঙ্কা তাদের। তবে যৌথ নদী কমিশন জানায়, পানি প্রত্যাহারে বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হবে না।

ফেনী নদীর মাঝ বরাবর শূন্যরেখা। এপাড়ে খাগড়াছড়ির রামগড়। ওপাড়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবরুম শহর। এই শহরে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বাস। তাদের চাহিদা মেটাতে ফেনী নদীতে পানির পাম্প বসিয়েছে ভারত।

গত ৫ অক্টোবর দু'দেশের মধ্যে একটি সম্মতিপত্র সই হয়। যেখানে বলা আছে, ফেনী নদী থেকে ১.৮২ কিউসেক পানি নিতে পারবে ভারত।

কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, সম্মতিপত্র সইয়ের অনেক আগ থেকেই পানি নিচ্ছে ভারত। তারা বলেন, 'স্বাধীনের পড়ে বসাইছে (পাম্প)। পানি নিয়ে যায় তাদের ব্যবহারের জন্য।' তারা আরও বলেন, 'পানি কমে যাওয়ার সময়েও তারা (ভারত) পানি নিয়ে যায়।'

স্থানীয় সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন বলেন, '১৫০ গজের মধ্যে ৮০ দশকের পরে নোম্যন্স ল্যান্ডে যে সমস্ত অবৈধ পাম্প তারা বসিয়ে বেআইনীভাবে পানি নিয়ে যাচ্ছে, সে পানি নেয়ার পথ বন্ধ করাই আমাদের দাবি। চুক্তি মোতাবেক ১.৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহারের আগে যেন ৩৭টি পাম্প হাউসের মাধ্যমে যে পানি প্রত্যাহার করা হচ্ছে সেটি বন্ধ করা।'

ফেনী নদীর ভাটিতে ১৯৮৫ সালে সোনাগাজীতে নেয়া হয় মুহুরী সেচ প্রকল্প। যার লক্ষ্য ছিলো বর্ষা মৌসুমে বন্যার প্রকোপ রোধ এবং ফসল চাষে সেচ সুবিধা।

স্থানীয়রা বলেছেন, নদী থেকে ভারত পানি নিলে, সংকটে পড়বে মুহুরী প্রকল্প। এতে ব্যাহত হবে তাদের জীবনযাত্রা।

বিষয়টি নিয়ে যৌথ নদী কমিশনের সদস্য কে এম আনোয়ার হোসেন জানান, ৭টি শর্ত মেনেই ১.৮২ কিউসেক পানি নিতে হবে ভারতকে। এর মধ্যে অন্যতম পানি তোলার পরিমাণ ১.৮২ কিউসেকের বেশি হবে না।

শর্তগুলোর মধ্যে আছে- লঞ্চিং অ্যাপ্রোন এর প্রশস্ততা ৭.৬৫ মিটারের পরিবর্তে ৪.৫০ মিটার হবে, পাম্পের বৈশিষ্ট্য চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশকে সরবরাহ করতে হবে, পাম্প স্থাপনের পর উভয় দেশ পাম্পের সক্ষমতা যাচাই করবে, পানি সরবরাহের পাইপ একটি বেশি হবে না, ইনটেক ওয়েলে স্থান দুই দেশ যৌথভাবে নির্ধারণ করবে, এর বিপরীতে কোনো ভাঙন দেখা দিলে ভারত সেই অংশের নদীতীর সংরক্ষণমূলক কাজ বাস্তবায়ন করবে।

এসব জানালেও ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চাননি কে এম আনোয়ার হোসেন।

যৌথ নদী কমিশন বলেছে, শুষ্ক মৌসুমে ফেনী নদীতে পানি থাকে ৪০০ কিউসেক। তাই ভারত ১.৮২ কিউসেক পানি নিলে বাংলাদেশের ক্ষতি হবে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর