channel 24

সর্বশেষ

  • জন্মদিনে চেতনা নাশক ওষুধ খাইয়ে কিশোরিকে গণধর্ষণের ঘটনায় আটক ৪

  • পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

  • নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার অজুহাত খুঁজছে বিএনপি: কাদের

  • এবার সাইকেল চালিয়ে প্রচারণায় আতিক

  • বিএসএফের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত আনতে কাজ করেছে বিজিবি

  • রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ ডাকাত আটক

  • নির্বাচিত হলে কোনো বস্তি উচ্ছেদ করবো না: তাবিথ

  • শেষ সপ্তাহের প্রচার-প্রচারণায় তুঙ্গে ঢাকার উত্তর

  • ইভিএমে কারচুপির যথেষ্ট সুযোগ আছে: সুজন সম্পাদক

  • বরগুনায় বাসচাপায় মা-ছেলেসহ নিহত ৩

  • ফরিদপুর-ভাঙ্গা রুটে ট্রেনের উদ্বোধন রোববার

  • অবশেষে উদ্বোধন হচ্ছে চট্টগ্রামের শেখ রাসেল পানি শোধনাগার

  • গ্রামীণ নারী উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে দরকার সমন্বিত ব্যবস্থা

  • নির্বাচনি ইশতেহারে ওয়ার্ডভিত্তিক পরিকল্পনা চান নগরবিদরা

  • বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ: ফাইনালে আজ মুখোমুখি ফিলিস্তিন-বুরুন্ডি

৩ যুগ আগে থেকেই ফেনী নদীর পানি নিচ্ছে ভারত

৩ যুগ আগে থেকেই ফেনী নদীর পানি নিচ্ছে ভারত

ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্মতিপত্র সইয়ের আগে থেকেই ফেনী নদীর পানি নিচ্ছে ভারত। বাংলাদেশ অংশে নদী তীরবর্তী স্থানীয়রা বলেছেন, আশির দশক থেকেই নেয়া হচ্ছে পানি। এতে মুহুরী প্রকল্প সংকটে পড়বে বলে শঙ্কা তাদের। তবে যৌথ নদী কমিশন জানায়, পানি প্রত্যাহারে বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হবে না।

ফেনী নদীর মাঝ বরাবর শূন্যরেখা। এপাড়ে খাগড়াছড়ির রামগড়। ওপাড়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাবরুম শহর। এই শহরে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বাস। তাদের চাহিদা মেটাতে ফেনী নদীতে পানির পাম্প বসিয়েছে ভারত।

গত ৫ অক্টোবর দু'দেশের মধ্যে একটি সম্মতিপত্র সই হয়। যেখানে বলা আছে, ফেনী নদী থেকে ১.৮২ কিউসেক পানি নিতে পারবে ভারত।

কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, সম্মতিপত্র সইয়ের অনেক আগ থেকেই পানি নিচ্ছে ভারত। তারা বলেন, 'স্বাধীনের পড়ে বসাইছে (পাম্প)। পানি নিয়ে যায় তাদের ব্যবহারের জন্য।' তারা আরও বলেন, 'পানি কমে যাওয়ার সময়েও তারা (ভারত) পানি নিয়ে যায়।'

স্থানীয় সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন বলেন, '১৫০ গজের মধ্যে ৮০ দশকের পরে নোম্যন্স ল্যান্ডে যে সমস্ত অবৈধ পাম্প তারা বসিয়ে বেআইনীভাবে পানি নিয়ে যাচ্ছে, সে পানি নেয়ার পথ বন্ধ করাই আমাদের দাবি। চুক্তি মোতাবেক ১.৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহারের আগে যেন ৩৭টি পাম্প হাউসের মাধ্যমে যে পানি প্রত্যাহার করা হচ্ছে সেটি বন্ধ করা।'

ফেনী নদীর ভাটিতে ১৯৮৫ সালে সোনাগাজীতে নেয়া হয় মুহুরী সেচ প্রকল্প। যার লক্ষ্য ছিলো বর্ষা মৌসুমে বন্যার প্রকোপ রোধ এবং ফসল চাষে সেচ সুবিধা।

স্থানীয়রা বলেছেন, নদী থেকে ভারত পানি নিলে, সংকটে পড়বে মুহুরী প্রকল্প। এতে ব্যাহত হবে তাদের জীবনযাত্রা।

বিষয়টি নিয়ে যৌথ নদী কমিশনের সদস্য কে এম আনোয়ার হোসেন জানান, ৭টি শর্ত মেনেই ১.৮২ কিউসেক পানি নিতে হবে ভারতকে। এর মধ্যে অন্যতম পানি তোলার পরিমাণ ১.৮২ কিউসেকের বেশি হবে না।

শর্তগুলোর মধ্যে আছে- লঞ্চিং অ্যাপ্রোন এর প্রশস্ততা ৭.৬৫ মিটারের পরিবর্তে ৪.৫০ মিটার হবে, পাম্পের বৈশিষ্ট্য চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশকে সরবরাহ করতে হবে, পাম্প স্থাপনের পর উভয় দেশ পাম্পের সক্ষমতা যাচাই করবে, পানি সরবরাহের পাইপ একটি বেশি হবে না, ইনটেক ওয়েলে স্থান দুই দেশ যৌথভাবে নির্ধারণ করবে, এর বিপরীতে কোনো ভাঙন দেখা দিলে ভারত সেই অংশের নদীতীর সংরক্ষণমূলক কাজ বাস্তবায়ন করবে।

এসব জানালেও ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চাননি কে এম আনোয়ার হোসেন।

যৌথ নদী কমিশন বলেছে, শুষ্ক মৌসুমে ফেনী নদীতে পানি থাকে ৪০০ কিউসেক। তাই ভারত ১.৮২ কিউসেক পানি নিলে বাংলাদেশের ক্ষতি হবে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর