channel 24

সর্বশেষ

  • রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণেই ভারত যাননি স্বরাষ্ট্র-পররাষ্ট্রমন্ত্রী: কাদের

  • খালেদা জিয়াকে জামিন না দেয়ার সিদ্ধান্ত আদালতের নয়, সরকারের: রিজভী

  • কেরাণীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানার অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরও ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

  • ব্রিটেনের নির্বাচনে টিউলিপসহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৪ নারীর জয়

  • যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল কনজারভেটিভ পার্টি

কোন্দলের চোরাবালিতে ডুবে আছে পাহাড়ের রাজনীতি

কোন্দলের চোরাবালিতে ডুবে আছে পাহাড়ের রাজনীতি

কোন্দলের চোরাবালিতে ডুবে আছে পাহাড়ের রাজনীতি। সন্ত্রাসী দলগুলোর তান্ডবে হুমকিতে মূলধারার রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। ভয়ে থানায় মামলাও করছেন না ভুক্তভোগীরা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি দুষছেন আঞ্চলিক দল জেএসএসকে।

দিন মাস পেরিয়েছে বছর। ২২ বছর শান্তিচুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৪৮টি বাস্তবায়ন হয়েছে। আংশিক বাস্তবায়ন ১৫টি। ৯টি ধরার কাজ প্রক্রিয়াধীন।

তবে এলাকার জনপ্রতিনিধি এমপি দীপংকর তালুকদারের দাবি, আঞ্চলিক দল জেএসএস এর কারনে  শান্তি এখনো অধরা পাহাড়ে। চুক্তির শর্তমেনে অনেকে অস্ত্র জমা দিলেও জে এসএস হাটছে উল্টোপথে। অস্ত্রের মুখে চাদাবাজি, মানুষ খুন সহ বাধা গ্রস্থ  করছে উন্নয়ন কর্মকান্ডও। আর এসব কারণে আতংকে রয়েছে পার্বত্য অঞ্চলের সরকার দলীয় নেতাকর্মীরাও।

দীপংকর তালুকদার বলেন, 'শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের যে পরিবেশটা ছিলো তা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে গেছে। সন্ত্রাসীদের হুমকি ছিলো মেডিকেল কলেজ করতে দেওয়া হবে না। কলেজ শুরু হওয়ার পড় যেদিন ক্লাস শুরু হলো সেদিন প্রশাসনকে কারফিউ জারি করতে হয়েছিল এবং একজন মারাও গিয়েছিল।'

জেএসএসের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বলি বিলাইছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সুরেশ কান্তি তংচংগ্যা। সুরেশ কান্তি বাড়িতে কথা হয় তার ছেলে ও স্ত্রী সাথে। ঘটনার দিন নিজ চোখের সামনে বাবার হত্যার বর্ননা দেন তার ছেলে।

সুরেশ কান্তির ছেলে তংচংগ্যার বলেন, বাবাকে টেনে নিয়ে গেলো। টেনে নিয়ে যাওয়ার পরে মাকে লাথি মারলো। আমাদেরকে দুজনে আটকিয়ে রাখলো। তিনিজন ছিলো। আরেকজন গুলি করেছিলো। আমি এজন্য জেএসএসকে দায়ী করি।

তিনি জানান, বাবর হত্যার পর আর মা অনেকটাই নির্বাক, খুব একটা কথা বলেন না তিনি।
 
আঞ্চলিক দলগুলো নিজেদের প্রাধান্য বজায় রাখতে অস্ত্রের মুখে মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি করছে। গত এক বছরে নিহত হয়েছে প্রায় ২০ েএর উপরে সরকার দলীয় নেতাকর্মী।

ভুক্তভোগি রাসেল মারমা বলেন, তাদের ভাষ্য হচ্ছে পাহাড়ে জেএসএস ছাড়া অন্য কোন দল করা যাবে না। তারা বিভিন্নভাবে আমাকে নিষেধ ও হুমকি দিয়েছে যেন আওয়ামী লীগ না করি।

আরেক ভুক্তভোগি রুপকুমার বলেন, টাকা-পয়সা ধন-দৌলত সব হারিয়েছি। বাবাকে হারিয়েছি। আমাকে মা-বোনকে অপহরণ করে নিয়ে গেলো। আমার বাবাকে হত্যা করলো। আমার আর কি আছে।

অভিযোগের তীর যার দিকে সেই সন্তু লারমার সাথে কথা বলতে তার রাঙ্গামাটির অফিসে যাওয়ার পর ক্যামেরার সামনে কথা বলত চাননি তিনি।

স্থানীয় প্রশাসক জানান, ক্যামেরার সামনে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানালেও পরে জানান, সন্তু লারমাকে কখনো রাষ্ট্রীয় কোন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানালে আসেন না তিনি।

আইনশৃংখলা বহিনীর সদস্যরা বলছেন, তাদের ভয়ে এবং নানা কারনে ভুক্তোভোগিরা অভিযোগ করতে আসছেন না থানায়।

পুলিশ সুপার আলমগীর কবির বলেন, ভুক্তভোগিরা থানা পর্যন্ত আসতে চায় না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর