channel 24

সর্বশেষ

  • সংঘাত নয়, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আলোচনা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

  • মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন আধুনিক সময়ের গণহত্যা...

  • নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার শুনানিতে গাম্বিয়া...

  • রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়ে মিয়ানমারের বক্তব্য মিথ্যা...

  • মিয়ানমারে রোহিঙ্গা গণহত্যা এখনও চলছে, রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে

  • প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুলসহ...

  • বিএনপির ১২ নেতার বিরুদ্ধে ফের মামলা

আবাসিক ভবনের সম্প্রসারণ চান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

আবাসিক ভবনের সম্প্রসারণ চান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

একরুমে গাদাগাদি করে থাকে, ৩০ জনের বেশি শিশু। নেই লেখাপড়ার পরিবেশ। এভাবেই চলছে বান্দরবানের লামা উপজেলার রুপসী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সূর্য্যালয় শিশুসদন। এই সদনে থাকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুরা। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অসুবিধার দ্রুত সমাধান চান শিক্ষকরা।

এদের সবাই ম্রো নৃতাত্ব্কি জনগোষ্ঠীর সন্তান। নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে আসার হাঁটা পথের দূরত্ব প্রায় তিন ঘণ্টা। তাই বাধ্য হয়ে থাকতে হয়, বান্দরবানের লামার রুপসীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সূর্যালয় শিশু সদনে।

এখানে ছেলে ও মেয়েদের জন্য রয়েছে দুটি আলাদা ঘর। একেকটি ঘরে গাদাগাদি করে থাকে, ত্রিশের বেশি শিশু। ফলে আসল কাজ লেখাপড়াটায় হয়ে পড়ে দুরহ।

শিশুরা বলে, একটি রুমে প্রায় ৩৫ জনের মত থাকতে খুবই কষ্ট হয়। এছাড়া পড়ালেখারও কোন পরিবেশ নাই। এমনকি খাবার দাবার ও সময় মত পাওয়া যায় না। আমাদের আরো ঘরের দরকার।

ক্ষুদ্রনৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর শিশুরা যাতে লেখাপড়ার সুযোগ পান, সেজন্য রুপসী পাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল তাদের থাকার ব্যবস্থা করেন। পরে এগিয়ে আসে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। নির্মাণ করে দেয় আবাসিক ভবন।

সূর্য্যালয় শিশুসদনের কেয়ারটেকার আথোয়াথ মং মার্মা বলেন, রুম মাত্র ২টা আছে। নতুন ছেলে মেয়ে যা আসছে তারা আশা নিয়ে আসলেও এখানে থাকতে পারে না।

রুপসী পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি শাখাওয়াতুল ইসলাম বলেন, ওদের একটি রান্নাঘর দরকার, রান্নাঘর হলে বাচ্চারা রান্না করে খেতে পারতো। আবাসিক হলে যেমন প্রয়োজন এটা আসলে তেমন নেই।

রুপসীপাড়া ইউনিয়নের সদর হিসেবে পরিচিত রুপসীপাড়া বাজার। এই বাজারের পাশেই অবস্থিত রুপসীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বাঙালি আর ক্ষুদ্রনৃতাত্ব্কি জনগোষ্ঠীর কয়েকশ শিশু লেখাপড়া করে এখানে। তবে নানা সমস্যায় বিঘ্নিত হয় লেখাপড়া।  

রুপসীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মুবিন বলেন, ভবন কিন্তু পুরাতন হয়ে গেছে। বর্ষা আসলে পানি পরে। আমি প্রায়ই ইঞ্জিনিয়ার অফিসের সাথে যোগাযোগ করে ঠিক করার চেষ্টা করেছি, ওরা ঠিক করে ঠিকি কিন্তু কিছুদিন পরে আবার আগের মতই অবস্থা হয়ে যায়।

পাহাড়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ বাংলা ভাষাভাষীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াতে এসব সমস্যা সমাধানে নজর দেয়ার পরামর্শ শিক্ষকদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর