channel 24

সর্বশেষ

  • রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণেই ভারত যাননি স্বরাষ্ট্র-পররাষ্ট্রমন্ত্রী: কাদের

  • খালেদা জিয়াকে জামিন না দেয়ার সিদ্ধান্ত আদালতের নয়, সরকারের: রিজভী

  • কেরাণীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানার অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরও ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

  • ব্রিটেনের নির্বাচনে টিউলিপসহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৪ নারীর জয়

  • যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল কনজারভেটিভ পার্টি

চেইন ইমিগ্রেশন বন্ধে ট্রাম্পের সমালোচনায় নিউইয়র্কের সিনেটররা

চেইন ইমিগ্রেশন বন্ধে  ট্রাম্পের সমালোচনায় নিউইয়র্কের সিনেটররা

বৈধ কিংবা অবৈধ নিউইয়র্কে এখন ড্রাইভিং লাইন্সেস করতে পারবে যে কেউই। এনিয়ে গ্রিন লাইট বিল নামে একটি আইন পাস হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে আসা নিউইয়র্ক রাজ্যের সিনেটররা জানান, চেইন ইমিগ্রেশন বন্ধসহ অভিবাসি বিরোধী যে আইন করুন না কেন ট্রাম্প সে থাবা থেকে বাংলাদেশীসহ অন্যান্য দেশী নাগরিকদের রক্ষা করবে তারা।

যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অবৈধ অভিবাসী থাকেন দেশটিতে। সংখ্যার হিসাবে যা প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ। এই অভিবাসীদের বেশিরভাগেরই প্রথম পছন্দ নিইউয়র্ক।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় এসে ট্রাম্প অভিবাসনবিরোধী নানান নীতি নিলেও সেই পথে হাঁটেনি রাজ্যটির প্রশাসন। বরং অবৈধ অভিবাসীদের গাড়ি চালানোর বৈধতায় আইনও পাস করেছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি ঢাকা সফরে এই আইনের গুরুত্ব তুলে ধরেন নিউইয়র্কের সিনেটররা।

নিউইয়র্কের সিনেটর লুইস সেপলভেদার মতে, আমরা সম্প্রতি যে আইন পাশ করেছি তাতে যেকোন অবৈধ অভিবাসী গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাবে। এই আইন অন্যান্য প্রদেশগুলোর জন্য উদাহরন হতে পারে। এই আইনের মাধ্যমে প্রতিদিন সাত লাখ মানুষের কাজের ক্ষেত্র তৈরী হবে।

সিনেটররা বলেন, নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের সব ক্ষেত্রে দ্রুততার সাথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশিরা।

নিউইয়র্কের সিনেটর লিরওই কোমরি বলেন, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশীরা সত্যিই অসাধারণ। কোন কাজেই তাদের সংকোচ নেই।

চেইন মাইগ্রেশন বা পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে নেয়া বন্ধে ট্রাম্পের অবস্থানের সমালোচনাও করেন সিনেটররা।

নিউইয়র্কের সিনেটর জেমস স্কৌফিস বলেন, আমরা সব সময় অভিবাসীদের পক্ষে ছিলাম এবং এখনও আছি।

৫ দিনের সফরে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনসহ দেশের ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করেছেন মার্কিন আইনপ্রণেতারা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর