channel 24

সর্বশেষ

  • রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণেই ভারত যাননি স্বরাষ্ট্র-পররাষ্ট্রমন্ত্রী: কাদের

  • খালেদা জিয়াকে জামিন না দেয়ার সিদ্ধান্ত আদালতের নয়, সরকারের: রিজভী

  • কেরাণীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানার অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরও ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

  • ব্রিটেনের নির্বাচনে টিউলিপসহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৪ নারীর জয়

  • যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল কনজারভেটিভ পার্টি

স্থল বন্দরে ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, বিজিবি ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ের অভাব

স্থল বন্দরে ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, বিজিবি ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ের অভাব

ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, বিজিবি ও বন্দর কর্তৃপক্ষ দেশের স্থল বন্দরগুলোতে দায়িত্বরত এই সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কথা আলোচনা হয় প্রায়ই। তাতে হয়রানিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা। এটি রোধে স্থল বন্দরে সমন্বিত কার্যক্রম চায় বিজিবি। প্রস্তাবও গেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। এমন উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও। তাতে সায় আছে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের।

রাজস্ব আয় কিংবা আয়তন সব বিবেচনাতেই দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোল। প্রতি বছর ১৫ থেকে আঠারো লাখ যাত্রীর যাতায়াত এই বন্দরে।

সম্প্রতি বেনাপোলে যাত্রী হয়রানি কমাতে লাগেজ খুলে তল্লাশির বদলে, স্ক্যানার চালু করে বিজিবি। কিন্তু তাতে আপত্তি তোলে বেনাপোল কাস্টমস। আইনের ব্যত্যয় হচ্ছে জানিয়ে স্ক্যানার সরিয়ে নিতে চিঠিও দেয়া হয় বিজিবির অধিনায়ককে। সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতার এটি একটি চিত্র মাত্র।

দেশের অন্য স্থল বন্দরগুলোও এই সমন্বয়হীনতার বাইরে নয়। যেখানে বিজিবি ও ইমিগ্রেশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন, কাস্টমস এনবিআর তথা অর্থ মন্ত্রণালয় আবার স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ মন্ত্রণালয়ের অধীন। ফলে কোন সংস্থার কাজ কী, কে কতোটুকু করবে, কতোটুকু করবে না তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে প্রায়শই।

যাত্রীসেবার কথা চিন্তা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এবার সমন্বিত কার্যক্রমের প্রস্তাব পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। যাতে বন্দর কার্যক্রমে দায়িত্বরত সংস্থাগুলোর মধ্যে দূরত্ব ঘুঁচিয়ে একসাথে দায়িত্ব পালন সম্ভব হয়।

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে যতগুলো স্থলবন্দর আছে, একেকটা স্থলবন্দরের লেআউট হচ্ছে একেক রকম। কোন জায়গায় বিজিবি আগে, কন জায়গায় কাস্টমস আগে, শূন্য রেখা থেকে বিভিন্ন দূরুত্বে যার ফলে আমাদের সমন্বয়ের খুব অসুবিধা হয়। একটি সমন্বিত পরিকলপনা করার জন্য আমরা প্রস্তাব দিয়েছি আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়তো অন্যান্য মন্ত্রণালয় যারা ল্যান্ড পোর্টের সাথে সংযুক্ত তাদের সাথে একটি বৈঠক করে নিয়ে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হবে।

এমন উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও। সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এক জায়গায় সব সংস্থা থেকে তল্লাশির কাজ সারলে তাতে যাত্রী হয়রানি থাকবে না।

স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তপন কুমার চক্রবর্তী বলছেন, শুধু উদ্যোগ নয়, এটি শিগগিরই বাস্তবায়ন করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই যে ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, বর্ডার গার্ড, ল্যান্ড পোর্ট অথোরিটিরা সমন্বিত ভাবে কাজ করবে এবং এতে করে আমাদের বন্দর ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত হবে। আমাদের যাত্রীদেরো যাতায়াত সহজতর হবে।

বন্দর ব্যবহারকারীদের অবশ্য এমন সমন্বিত কার্যক্রমের চাওয়া দীর্ঘদিনের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর