channel 24

সর্বশেষ

  • রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততার কারণেই ভারত যাননি স্বরাষ্ট্র-পররাষ্ট্রমন্ত্রী: কাদের

  • খালেদা জিয়াকে জামিন না দেয়ার সিদ্ধান্ত আদালতের নয়, সরকারের: রিজভী

  • কেরাণীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানার অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরও ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

  • ব্রিটেনের নির্বাচনে টিউলিপসহ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৪ নারীর জয়

  • যুক্তরাজ্যে নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল কনজারভেটিভ পার্টি

পুরনো রেললাইন ও জরাজীর্ণ ইঞ্জিন নিয়ে চলছে দেশের রেল ব্যবস্থা

পুরনো রেললাইন ও জরাজীর্ণ ইঞ্জিন নিয়ে চলছে দেশের রেল ব্যবস্থা

বছর জুড়ে নানা সময়ে ছোটখাট দুর্ঘটনায় পড়েছে ট্রেন। যার বেশিরভাগই লাইনচ্যুতির কারণে। ঘটে হতাহতের ঘটনাও। সাধারণ মানুষের অসতর্কতা আর রেলক্রসিংয়ে লাইনম্যান না থাকার কারণেও ঘটেছে প্রাণহানি। বাদ যায়নি ইঞ্জিন বগি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত চলার ঘটনাও। রেলের উন্নয়নে নানা মেগা প্রকল্প নেয়া হলেও পুরোনো রেললাইন ও জরাজীর্ণ ইঞ্জিন নিয়ে চলছে দেশের জনপ্রিয় এই যোগাযোগ ব্যবস্থা।

প্রতি ইঞ্চি রেললাইন নিরাপদ ও সঠিক কিনা তা দেখার লোক রয়েছে। প্রতিটি যাত্রার আগে ইঞ্জিন-কোচ নিরাপদ কিনা তাও নিশ্চিত করতে রয়েছে পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যবস্থা। তারপরও থেমে নেই রেল দুর্ঘটনা। প্রতিনিয়ত হচ্ছে ট্রেনের লাইনচ্যুতির ঘটনা।

বছরের শুরুতে ১২ জানুয়ারি ঢাকার মগবাজারে ট্রেন ও ট্রাকের সংঘর্ষের মধ্যদিয়ে শুরু হয় বছরের প্রথম দুর্ঘটনা। ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর সারদায় বগি চ্যুতির ঘটনায় ৬ ঘন্টা বন্ধ থাকে রেল যোগাযোগ। ২৭ মার্চ চট্টগ্রামে, ১৫মে আবারো রাজশাহী, দোসরা জুন হবিগঞ্জ ও ১৬ জুন কিশোরগঞ্জে বগি চ্যুতির ঘটনায় বন্ধ ছিলো রেল চলাচল।

বছরের সবচেয়ে আলোচিত ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে কুলাউড়ায়। ২৪ জুন ব্রিজ ভেঙ্গে ট্রেনের বগি পড়ে যায় খালে। মারা যায় ৪ জন। ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী দেশের সড়ক ও রেলপথের সব সেতু এবং কালভার্ট অবকাঠামো জরিপের নির্দেশ দেন। এরপর ৭ জুলাই মৈত্রী এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনায় ২ ও ১৫ জুলাই সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিয়ের গাড়ি-ট্রেন মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হয়। ১৯ জুলাই, ৪ আগস্ট ও ঈদের পুরো সময় বগিচ্যুতির ঘটনা শেষে আবারো ৩, ৪, ১২, ৩১ অক্টোবর ঘটে বগি চ্যুতির ঘটনা। সবশেষ ১২ অক্টোবরের ঘটনা নাড়া দেয় দেশবাসীকে।

রেলের হিসেবে, গত সাড়ে ৫ বছরে ৮৬৮টি দুর্ঘটনা ঘটে। যাতে ১১১ জনের প্রাণহানী হয়। গত ৫ বছরের লাইনচ্যুতির ঘটনা ৬৩৯টি। রেলের পূর্বাঞ্চলে ২০ শতাংশ বগি ও পশ্চিমাঞ্চলের মিটারগেজের ১২ শতাংশ ও ব্রডগেজের ৮ শতাংশ নিরীক্ষা ছাড়াই চলাচল করে। আর রেলে কাটা পড়ে মৃত্যু কিংবা রেললাইনের পাশে পড়ে থাকা অজ্ঞাত যে লাশ উদ্ধার করা হতো তার কোন হিসেব নেই রেলওয়ের কাছে।

প্রসঙ্গত, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দবাগ এলাকায় তুর্ণা নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের মুখোমুখখি সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (১১ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্টেশন সূত্রে জানা যায়, তূর্ণা নিশীথা ট্রেনকে মন্দবাগ রেলস্টেশনে দাঁড়ানোর জন্য সিগন্যাল দেওয়া হয়। ওই সিগন্যালে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস প্রধান লেন থেকে ১ নম্বর লাইনে যেতে শুরু করে। ট্রেনটির ছয়টি বগি ১ নম্বর লাইনে উঠতে পেরেছিল। অন্য বগিগুলো প্রধান লেনে থাকা অবস্থায় তূর্ণা নিশীথা সিগন্যাল অমান্য করে। এতেই দুর্ঘটনা ঘটে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর