channel 24

সর্বশেষ

  • অবসর নয়, টেস্ট দলে ফেরার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে: মাহমুদুল্লাহ

  • ভারতের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের ৫ রাজ্যে পঙ্গপালের হানা

  • মাধবপুরে জমি দখল নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

  • যমুনা নদীতে নৌকাডুবিতে দুজনের মরদেহ উদ্ধার

  • আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুশফিকের ১৫ বছর

  • করোনায় মানবতার সেবায় দৃষ্টান্ত চাঁদপুরের চিকিৎসক দম্পতি

  • করোনায় ডেপুটি স্পিকারের স্ত্রী আনোয়ারা রাব্বীর মৃত্যু

  • করোনা আতঙ্কে ঘর থেকেই বের হননি রাজধানীর বেশিরভাগ মানুষ

  • লাদাখে মুখোমুখি ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী

  • দুর্যোগে জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে বিএনপি: কাদের

  • করোনায় দেশে আরও ২১ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১১৬৬

  • নিজের কিট দিয়ে করোনা পজিটিভ ডা. জাফরউল্লাহ

  • মানসিক অবস্থা ভালো হলেও শারীরিকভাবে সুস্থ নন খালেদা জিয়া

  • ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনার কয়রাসহ ৫ উপজেলার মাছ চাষী

  • দেশে রেকর্ড চাল উৎপাদনের আশা, উঠে আসবে বিশ্বের তিন নম্বরে

অন্ধ হলে বিচারক হওয়াও যেন বন্ধ

অন্ধ হলে বিচারক হওয়াও যেন বন্ধ

অন্ধ হলে বিচারক হওয়াও যেন বন্ধ। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে বিচারক নিয়োগ বিধিতে রয়েছে এমনটা। যাতে নেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি কাউকে শ্রুতি লেখক দেয়ার নিয়ম। ফলে পরপর দুই বছর পরীক্ষায় বসলেও খালি খাতা ফেরত দেন হতভাগ্য সুদীপ। জীবনযুদ্ধে এতটা পথ পাড়ি দিয়েও এখন হতাশ এই যুবক। যদিও ভারত, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রে দায়িত্ব পালন করছেন অন্ধ বিচারকেরা।

সুদীপ দাস একবুক স্বপ্ন নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন পড়েছিলেন বিচারক হবেন বলে।

কিন্তু সেই আইন পড়াটাই যেন কাল হয়েছে তার জন্য। এক বন্ধুর হাত ধরে সুপ্রিম কোর্টে আসেন সুদীপ দাস। কথায় কথায় জানালেন তার আশঙ্কার কথা। আগামী শুক্রবার হতে যাওয়া বিচারক নিয়োগ পরীক্ষায় কি অংশ নিতে পারবেন?  

কেননা গত দু'বছর প্রবেশপত্র পেয়েও দিতে পারেননি এই পরীক্ষা। দেড় ঘন্টা হলে বসে থেকেও নিরাশ হয়ে ফিরতে হয় শ্রুতি লেখক না পাওয়ায়। পরীক্ষার আগে বারবার যোগাযোগ করছিলেন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল কাউন্সিলের সাথে। কিন্তু আইনি মারপ্যাঁচে মেলেনি কোনো সহযোগিতা।

ভুক্তভোগী সুদীপ দাস বলেন, 'আমি শ্রুতি লেখক ছাড়াই পরীক্ষাটা দেই। দেড় ঘন্টা হলে বসে ছিলাম। কিছু লিখতে পারিনি। ওএমআর শিট পূরণ করেছি শিক্ষক ও পাশে থাকা পরীক্ষার্থীদের সহায়তায়। উত্তীর্ণ হওয়াৎ দুরের কথা। আমি পরীক্ষাটা দিতে চাই। অনেকে আমাকে জিজ্ঞাসা করে, তুমি আবেদন করতেছো, তোমাকেতো অনুমোদন দিচ্ছে না।'

তিনি বলেন, আমাকে হয়ত অনুমতি দিচ্ছে না। কিন্তু আমার হাত ধরে যদি আমার অনুজ যারা আছেন তারা যেন অনুমতি পায়।'

ভারতের রাজস্থানে একজন অন্ধ বিচারক রয়েছেন। অন্ধ বিচারক রয়েছেন পাকিস্তানেও। আমেরিকার মিশিগানের সর্বোচ্চ আদালতেও আছেন একজন দৃষ্টহীন বিচারক। আর দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন মেন্ডেলাও নিয়োগ দেন একজন অন্ধ বিচারক। কিন্তু কপাল খারাপ সুদীপ দাসের। পাশে পাননি কাউকেই। তাই এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনি সহায়তার আশায়।

আইনজীবী কুমার দেবুল দে বলেন, 'এই ক্ষেত্রে তারা সব সময় একজন শ্রুতি লেখক পাবেন। বিসিএসে এটা অনুমোদন করে। সে যে এলএলএম করেছে সেখানেও সে একজন শ্রুতি লেখক দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে। জুডিশিয়াল সার্ভিস সিস্টেম কেন তাকে এটা অনুমোদন দিচ্ছে না আমি বুঝতে পারছি না।'

বলা হয় আইন অন্ধ। আর আদালত সবপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনেই রায় দেন। সেখানে স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর- এমন একটি ঘটনা আইন পড়তে নিরুৎসাহিতই করবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিদের।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর