channel 24

সর্বশেষ

  • বিদ্যুতের বাড়তি বিল হলে পরবর্তীতে সমন্বয় করা হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

  • ২ মাস পর চালু হল পুঁজিবাজারে লেনদেন; সূচকে ইতিবাচক ধারা

  • কুষ্টিয়ায় নিজে রান্না করে অসহায় মানুষকে খাবার দিচ্ছেন কলেজ ছাত্রী

  • জিপিএ-৫ না পাওয়ায় ছাত্রীর আত্মহত্যা

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন চলাচল শুরু

  • এসএসসির ফলাফল এসএমএস ও অনলাইনে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই উল্লাসের রঙ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিভলবার ও গুলিসহ যুবলীগ নেতা আটক

  • চট্টগ্রামে রাস্তায় নেমেছে বাস; বাড়তি ভাড়া আদায়

  • ঝিনাইদহে পুকুর থেকে দুই ভাই বোনের মৃতদেহ উদ্ধার

  • চট্টগ্রামে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

  • রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ফাঁসি মওকুফ পাওয়া আসলাম আবারও হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার

  • ভার্চুয়াল কোর্টে ১০ কার্যদিবসে ২১ হাজার আসামির জামিন

  • করোনায় এনটিভির অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান মোস্তফা কামালের মৃত্যু

  • এসএসসিতে চট্টগ্রামে পাশের হার উর্ধ্বমুখী, পাশ করেছে ৮৪.৭৫

  • এখনই খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী

বর্ণ জটিলতায় এবারও ছাপা হচ্ছে না সাঁওতাল ভাষার প্রাক-প্রাথমিকের বই

বর্ণ জটিলতায় এবারও ছাপা হচ্ছে না সাঁওতাল ভাষার প্রাক-প্রাথমিকের বই

বাংলা, রোমান নাকি অলচিকি? কোন হরফে ছাপা হবে সাঁওতাল ভাষার পাঠ্যবই। এমন গ্যাঁড়াকলে এবারও ছাপা হচ্ছে না সাঁওতাল ভাষার প্রাক-প্রাথমিকের বই। বর্ণ নিয়ে এমন জটিলতার ফাঁদে দেশের লাখ-খানেক সাঁওতাল শিশু। বিশ্বব্যাপী প্রচলিত অলচিকি বর্ণমালা চান সাঁওতালরা। যদিও মিশনারিদের দাবি বাংলা অথবা রোমান হরফ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাস সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করে শিগগিরই সমাধান।

বর্ণ নিয়ে অবর্ণনীয় কষ্টে সাঁওতাল শিশুরা। গত দুই বছরে ৫টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশু, যখন নিজ ভাষায় পড়াশুনা শুরু করছেন, তখন সাঁওতাল শিশুদের নিজ ভাষায় বই পড়ার আকুতি ঝুলে আছে তিনটি আলাদা হরফের শিকেয়।

২০১৬ সাল থেকে ৬টি নৃগোষ্ঠীর ভাষার বই ছাপার উদ্যোগ নেয় সরকার। আর দুবছর হলো ৫ ভাষাই প্রাকপ্রাথমিকের বই ছাপা হচ্ছে। কিন্তু, বাংলা, রোমান আর অলচিকি, হরফের গ্যাঁড়াকলে বাড়ছে সাঁওতাল শিশুদের অপেক্ষা।

সাওতালিরা বলছেন, ছোট ছোট ছেলেমেয়েতো বাংলাভাষা কম বোঝে। তাই তাদের জন্য সাঁওতাল ভাষায় বই না হলে তারা বুঝতে পারে না।

সাঁওতাল মূলত কথ্য ভাষা। ১৮৬০ এর দশকে এ আর ক্যাম্পবেল, লার্স স্ক্রফেসরুড ও পল বোডিং- এই তিন ইউরোপীয় নৃবিজ্ঞানী ও ধর্মযাজক মিলে রোমান হরফে প্রথম সাঁওতাল ভাষার লিখিত রূপ প্রকাশ করেন। পরে ১৯২৫ সালে সাঁওতাল কবি রঘুনাথ মুর্মু এ ভাষার জন্য অলচিকি নামের নতুন বর্ণমালা প্রবর্তন করেন। তারপর থেকে ভারত, নেপাল ও ভুটানসহ দেশের আদি সাঁওতালরা অলচিকি হরফেই সাঁওতাল লেখে। তবে, ধর্মান্তরিত সাঁওতালরা বাংলা ও রোমান হরফ ব্যবহার করে।

জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য খোকন সুইটেন মুরমু বলেন, অলচিকি ভাষাতে মূলত সাঁওতালদের সঠিক সংস্কৃতি এবং তাদের ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান প্রকাশ করা হয়। ভারতে যেখানে ২কোটি সাঁওতাল যেখানে বসবাস করে সেখানে তাই কেজি থেকে পিএইচডি পর্যন্ত অলচিকি ভাষাতে হচ্ছে।

তাই এবছরও হচ্ছে না সাঁওতাল ভাষার প্রাক প্রাথমিকের বই। দুই পক্ষের সাথে আলোচনার পর সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী জাকির হোসেনের।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান নারায়ণ চন্দ্র পাল বলেন, আমরা ৫টি ভাষায় দিতে পেরেছি আর একটী ভাষা আমাদের সাঁওতাল, তারা বর্ণ বিষয়ে এখনও একমত না হওয়ায় এই বইটি আমরা এখনও দিতে পারি নাই।  

এমন জটিলতা দেশের বসবাস করা সাঁওতাল শিশুদের স্কুলে গিয়ে শিখতে হচ্ছে বাংলা। এভাবে নতুন ভাষা শেখার ভয়ে আগ্রহ হারাচ্ছে অনেক শিশু।

সাঁওতাল ভাষার হরফ নিয়ে দ্রুত একমত হতে না পারলে ক্ষতি হবে সাঁওতালদেরই। তাই সরকার চাচ্ছে এ বিষয়ে দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেবে সাঁওতালরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর