channel 24

সর্বশেষ

  • গ্রাম বন্দর দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে ভারতের ট্রান্সশিপমেন্ট পণ্য পরিবহন

  • শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকে বয়কটের ঘোষণা

  • সাহেদকে প্রশ্রয়দাতা কারা, খতিয়ে দেখা হবে: র‍্যাব ডিজি

  • মোবাইল অপারেটরদের তিন মাসে গ্রাহক কমেছে প্রায় ৪৬ লাখ

  • আরও ১৩ কোটি মানুষ খাদ্যাভাবে পড়তে পারে: জাতিসংঘ

  • রাতে আর্সেনাল-লিভারপুল বিগ ম্যাচ

  • বিগ ব্যাশের সূচি প্রকাশ করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

  • প্রতারকদের ছাড় নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • ঈদের আগের ৫ দিন ও পরের ৩ দিন গণপরিবহন বন্ধ

  • করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫৩৩

  • অশ্লীল ওয়েব সিরিজ এক সপ্তাহের মধ্যে সরানোর নির্দেশ

  • রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে অলিম্পিক পরবর্তী ভেন্যুগুলো

  • সাহেদের গ্রেপ্তারকে নাটক বলছে বিএনপি

  • ইউনাইটেডে অগ্নিকাণ্ড: ৪ পরিবারকে ৩০ লাখ টাকা করে দেয়ার নির্দেশ

  • স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শোকজের জবাব দিয়েছেন ডিজি

আসামি বিদেশ বলেই খালাস পুলিশ

আসামি বিদেশ বলেই খালাস পুলিশ

হত্যা মামলার প্রধান আসামি প্রতি উৎসবেই লাগাচ্ছেন পোস্টার, সক্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। কিন্তু খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ। রাজধানীর মহাখালিতে যুবলীগ কর্মী রাশেদ হত্যা মামলার আসামি সুন্দরি সোহেলসহ কেউই ধরা পড়েনি এক বছরেও। উল্টো মামলা তুলে নিতে টাকার প্রস্তাবের সাথে দেয়া হচ্ছে হুমকি। গোয়েন্দা পুলিশ জানান, ইন্টারপোলের মাধ্যমে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ১৫ জুলাই রাত ২০১৮ তে রাজধানীর বনানী থানা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ সরদার সোহেল ওরফে সুন্দরী সোহেল ঢুকছেন নিজ কার্যালয়ে। পেছনেই তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি কাজী রাশেদসহ আরও ৪ জন। কিছুক্ষণ পরই একজনকে সঙ্গে নিয়ে বের হওয়ার সময় করিডোর ও দরজার সামনের বাতি নেভান সোহেল।

এরপরই গেটের বাইরে দাড়িয়ে থাকা একজন সবার হাতে পড়ার জন্য পলিথিন এগিয়ে দেয়। পরে হাসু, ফিরোজ, জহির ও দীপুসহ চারজন মিলে হাত-পা ধরে বের করেন গুলিবিদ্ধ কাজী রাশেদকে। প্রথমে রাখা হয় কলাপসিবল গেটের বাইরে। তারপর ফেলে দেয়া হয় ভবনটির পেছনের বন ভবনের পেছনের গলিতে।

যেখানে রাশেদকে খুন করা হয় সেই ভবনের সামনে এখনও দেখা যায় হত্যা মামলার প্রধান আসামি সুন্দরী সোহেলের সাইনবোর্ড।

ভিডিও ফুটেজে যাদের দেখা গিয়েছে তাদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারলেও, গেটের বাইরে থাকা জাকির নামে একজনকে ধরে জবানবন্দি নেয় পুলিশ। কিন্তু তিনিও জামিন পেয়ে যান কিছুদিন পরই।

রাশেদের স্ত্রী মৌসমী বলেন, তারা আমাদের থ্রেড দেয়। টাকার অফার দেয়। কিছুদিন আগে সোহেলের বাব-মা ১০ লাখ টাকা দিয়ে পাঠিয়েছিল মামলা মীমাংসা করার জন্য।

এলাকায় না এলেও দলের শীর্ষ নেতাদের ছবি ব্যবহার করে প্রচারণা চালাচ্ছেন সোহেল। নববর্ষ, ঈদের মতো সব উৎসবেই, দেখা মেলে তার পোস্টার।

যদিও ঢাকা মহানগর যুবলীগ (উত্তর) সভাপতি মাইনুল হোসেন খান জানান, বিষয়টি তাদের আওতার মধ্যে না। তিনি বলেন, তারা যদি আমাদের নাম ব্যভার করে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

হত্যায় জড়িত সবার চেহারা পরিষ্কার বোঝা গেলেও একবছরেও তাদের ধরতে না পারার কারণ হিসেবে পুলিশের দাবি, আত্মগোপনে চলে গেছেন আসামিরা।

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, সুন্দরি সোহেল পলাতক আছে। সে আলবেনিয়াতে আছে।  

রাজনৈতিক চাপে আসামিদের গ্রেপ্তার না করার অভিযোগও মানতে নারাজ গোয়েন্দা পুলিশ।

নিউজটির ভিডিও-

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

চ্যানেল 24 বিশেষ খবর