channel 24

সর্বশেষ

  • ক্যাটরিনার অজানা ৭ তথ্য

  • জনগণের কাছে যা কিছু গ্রহণযোগ্য নয় তা আওয়ামী লীগের কাছেও গ্রহণযোগ্য নয়: শিক্ষামন্ত্রী

  • আবরার হত্যা সবাইকে ব্যথিত করেছে: আদালত

  • শরীয়তপুরে আ.লীগের দুই গ্রুপের সং ঘ র্ষ, আহত ৪৫

  • এবার ভোটের মাঠে নিপুন

  • মুশফিক-লিটনের প্রতিরোধ ভাঙলেন সাজিদ

  • ছাত্রদল নেতা ফারুককে পিটিয়ে হ ত্যার অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে

  • পেলেকে মেসি ও মেসিকে টপকে শীর্ষে এমবাপ্পে

  • মামলার রায়ে সন্তোষ জানিয়েছেন আবরারের স্বজনরা

  • অর্ডার অব জায়েদ পেলেন সৌদি যুবরাজ

  • ঢাকায় শুরু হচ্ছে ইয়ুথ বাংলা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

  • বয়সে ছোট পুরুষকে বিয়ে করায় প্রশংসা করলেন কঙ্গনা

  • ভারতের মূল্যবৃদ্ধির জেরে দেশে পাথর সরবরাহে ঘাটতি (ভিডিও)

  • ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ প্রদান প্রধানমন্ত্রীর

  • প্রথমবার একসঙ্গে ওম-শ্রাবন্তী

মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় ১৯ সন্ত্রাসী: এপিবিএন

মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় ১৯ সন্ত্রাসী: এপিবিএন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতেই মুহিবুল্লাহকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। শনিবার (২৩ অক্টোবর) ১৪ নম্বর এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নাইমুল হক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন।

তিনি বলেন, মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে বিভিন্ন পর্যায়ে মোট ১৯ সন্ত্রাসী অংশ নেন। তাকে হত্যা করতে ‘কিলিং স্কোয়াডে’ ছিলেন ৫ অস্ত্রধারী। মাত্র ২ মিনিটেই এ রোহিঙ্গা নেতাকে  হত্যা করে তারা। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতেই এ হত্যাকাণ্ড।

এপিবিএনের অধিনায়ক এসপি মো. নাইমুল হক বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের আসামি আজিজুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। হত্যাকারীরাও রোহিঙ্গা শরণার্থী।মুহিবুল্লাহকে হত্যার ২ দিন আগে পরিকল্পনা করেন তারা।এখণ পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে আজিজুলসহ মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের চার  আসামিকে গ্রেপ্তার করে এপিবিএন। উখিয়ার কুতুপালং লাম্বাশিয়া পুলিশ ক্যাম্পের লোহার ব্রিজ এলাকা থেকে এদিন ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় আসামিদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ আজিজুল হক, মো. রশিদ ওরফে মুরশিদ আমিন, মো. আনাছ ও নূর মোহাম্মদ। এর আগে মুহিবুল্লাহ হত্যায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে ইলিয়াস নামের এক রোহিঙ্গা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে কুতুপালং ক্যাম্প-১ ইস্ট-ওয়েস্ট (ডি ব্লকে) নিজ অফিসে অবস্থান করছিলেন মুহিবুল্লাহ। এ সময় বন্দুকধারীরা গুলি করে তাকে হত্যা করেন।

২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা আগমনের বর্ষপূর্তিতে উত্থান হয় মুহিবুল্লাহর। ওই দিন লাখো রোহিঙ্গার সমাবেশ ঘটিয়ে আলোচনা আসেন তিনি। সেদিন তার নেতৃত্বে ছিল ৩ থেকে ৫ লাখ রোহিঙ্গার মহাসমাবেশ।

এরপর উখিয়া-টেকনাফের ৩২ রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে ওঠেন মুহিবুল্লাহ। ধীরে ধীরে রোহিঙ্গাদের প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন তিনি। মিয়ানমারে তাদের প্রত্যাবাসনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

ডি/

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর