channel 24

সর্বশেষ

  • টিকা নেয়ার পরও আক্রান্ত, ২৭ দেশে ওমিক্রন শনাক্ত

  • গ্যাস সিলিন্ডারে দগ্ধ ভাই-বোন মারা গেছেন

  • অভিমানে চেয়ারম্যানের দেয়া উপহার আগুনে পোড়ালেন সমর্থক

  • বিজয় দিবসে দেশব্যাপী শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধানমন্ত্রী

  • করোনার টিকা নিতে হবে টানা কয়েক বছর: ফাইজার প্রধান

  • চার বছর পর হিলি দিয়ে কয়লা আমদানি শুরু

  • নারী কেলেঙ্কারি: নাচোলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার

  • টাঙ্গাইলে দক্ষিণ আফ্রিকাফেরত ৬ প্রবাসী হোম কোয়ারেন্টিনে

  • নির্ধারিত সময়ে ২৭ শতাংশ আয়কর রিটার্ন জমা

  • এবার মার্কিন পুলিশের গু লিতে প্রাণ হারালেন হুইলচেয়ারে বসা বৃদ্ধ

  • বাবরের একাদশে পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের ক্রিকেটার বেশি

  • চাকরি দিচ্ছে বিকেএসপি

  • দাউদাউ করে জ্বলছে বিয়েবাড়ি, খেয়েই চলেছেন নিমন্ত্রিতরা (ভিডিও)

  • ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

  • অভিবাসী প্রেরণে বিশ্বে ষষ্ঠ, রেমিটেন্স গ্রহণে অষ্টম বাংলাদেশ

ঢাবির আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব শর্ত

ঢাবির আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব শর্ত

দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর আজ মঙ্গলবার থেকে খুলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল। প্রথম পর্যায়ে অনার্স চতুর্থ বর্ষ এবং মাস্টার্স শিক্ষার্থীরা হলে উঠবেন। এরপর ধাপে ধাপে অন্য শিক্ষার্থীদের হলে তোলা হবে। 

হলে ওঠার জন্য অনার্স ও মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের এক ডোজ করে করোনা টিকা প্রয়োগের সনদ দেখাতে হবে। সকাল আটটা থেকে হলে ওঠার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। 

শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে ইতোমধ্যে আবাসিক হলগুলো সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার জন্য হলের বাইরে বসানো হয়েছে বেসিন, রাখা হয়েছে সাবান। সংস্কার করা হয়েছে ওয়াশরুম ও টয়লেট। এছাড়া বিভিন্ন হলের দেওয়ালে নতুন রং দেওয়া হয়েছে। 

স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ক্যান্টিনগুলোর পরিচালক ও কর্মচারীদের টিকা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাবি প্রশাসন জানিয়ে দিয়েছে, টিকা না নিলে ক্যান্টিন পরিচালনা ও কাজ করা যাবে না।

শিক্ষার্থীদের হলে তোলার বিষয়ে প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি এবং বিজয় একাত্তরের হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির বলেন, শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে আমাদের সব হল প্রস্তুত। শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড ও টিকা কার্ড দেখে হল প্রশাসন তাদের ওঠাবে। চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের তালিকা আইসিটি সেল থেকে প্রতিটি হল প্রশাসনকে পাঠানো হয়েছে।

তবে শিক্ষার্থীদের হলে ওঠার পর বেশ কিছু নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে- 

১. কক্ষের বাইরে গেলে সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে নিয়মিত ও সার্বক্ষণিক সঠিক নিয়মে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরতে হবে।

২. সাবান দিয়ে হাতধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। 

৩. পরস্পরের কাছ থেকে কমপক্ষে ১ মিটার (৩ ফুট) দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৪. কক্ষের মেঝেতে শোয়া যাবে না। এক বিছানায় একাধিক ব্যক্তি শোয়া যাবে না। কেবল আবাসিক ও বৈধ শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করতে পারবে।

৫. কোনো বহিরাগত বা বাহির থেকে আসা কাউকে কক্ষে অবস্থান করতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনসাপেক্ষে কক্ষে ও কক্ষের বাহিরে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

৬. শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ শুরু এবং কক্ষের প্রয়োজনীয় আশপাশ সবসময় নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং এক্ষেত্রে হল প্রশাসন সহযোগিতা প্রদান করবে।

৭. হল ডাইনিং, ক্যান্টিন, মেস, দোকান, সেলুন, টিভি রুম, অডিটোরিয়াম, অতিথিকক্ষ, পাঠাগার, মসজিদ ও উপাসনালয়ে ভিড় করা যাবে না। এসব স্থানে সামাজিক দূরত্ব মেনে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

৮. ডাইনিংয়ে একসঙ্গে খাওয়া যাবে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অতিথিকক্ষে শিক্ষার্থীদের সমাবেশ বন্ধ থাকবে।

৯. বেড়ানো ও ঘোরাঘুরি থেকে বিরত থাকতে হবে এবং সভা-সমাবেশ, রেস্তোরাঁ, পার্টি ও গণপরিবহন এড়িয়ে চলতে হবে।


এছাড়া ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়ার জন্য বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে-

১. নিয়মিত ও সার্বক্ষণিক নিয়মমাফিক নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।

২. স্বাস্থ্যবিধি পালনের জন্য সাবান দিয়ে হাতধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী পরস্পরের কাছ থেকে কমপক্ষে ১ মিটার (৩ ফুট) দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৩. প্রবেশ-বহির্গমন পথে ভিড় এড়িয়ে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে।

৪. ক্যান্টিন-ক্যাফেটেরিয়ায় একাধিক ফটক থাকলে সেগুলোর মধ্যে একটি প্রবেশের জন্য এবং অন্যটি বহির্গমনের জন্য ব্যবহার করতে হবে।

৫. সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বসার ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র অপসারণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

৬. ক্যান্টিন-ক্যাফেটেরিয়ায় পালাক্রমে খাবার খেতে হবে। তবে বোতলজাত পানীয় এবং ডিসপোজেবল পাত্রে খাবার সংগ্রহ করে রুমে বসে খাওয়া নিরাপদ।

৭. একই সময়ে কর্মীদের সংখ্যা সীমিত রাখতে ১০-১৫ মিনিটের ব্যবধানসহ শিফট পরিচালনা করতে হবে।

৮. স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে ব্যবহৃত ছুরি-চামচ, খাবারের পাত্র, কাপ ইত্যাদি পুনর্ব্যবহারের আগে ডিটারজেন্ট দিয়ে যথাযথভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

৯. প্রত্যেকবার ব্যবহারের আগে খাবারের টেবিলসহ অন্যান্য আসবাবপত্র জীবাণুমুক্ত করতে হবে।  কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বক্ষণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

১০. দরজা ও জানালা খোলা রেখে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

১১. কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার ব্যাপারে দায়িত্বরত ম্যানেজার বা সুপারভাইজারকে জানাতে হবে।

জে/

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় খবর